ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

অবসর গ্রহণ করা নিয়ে মুহিত-বি চৌধুরী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘অবসর’ গ্রহণ করা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে জড়িয়েছে পড়েছেন দেশের দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তারা হলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। দুজনই পরস্পরকে অবসর গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

গত শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় পরিচালনায় ব্যর্থ দাবি করে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী। পরদিন এক অনুষ্ঠানে তার এই বক্তব্যের জবাব দেন অর্থমন্ত্রী।

রবিবার অগ্রণী ব্যাংকের একটি অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আজ (শনিবার) সকালে খবরের কাগজে দেখলাম আমাদের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে উপদেশ দিয়ে বলেছেন, ‘দুজন মন্ত্রী দেশের কিছু কাজ করেছেন। এখন যদি তাদের অবসর না দেন, নিরাপদ মন্ত্রণালয়ে কোথাও পাঠিয়ে দেন।’ সে দুজন হলেন- একজন আমার বন্ধু শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এবং আমি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার তখন মনে হয়েছিল আজকে এখানে এসে বক্তৃতা করব অবসরের ওপরে। অবসরটা কখন করা উচিত, কীভাবে নেয়া উচিত। আরেকটি বিশেষ কারণ হলো- সত্যিকারভাবেই আমি এ বছরের ডিসেম্বর মাসেই অবসরে যাব। অবশ্য বদরুদ্দোজার বোধহয়, সে রকম অবসরে যাওয়া নিয়ে কোনো ধারণা নেই। সুতরাং তাকে উপদেশ দিতে চেয়েছিলাম- জীবনে একটি সময় আসে তখন অবসর নেয়া আমাদের জন্য ভালো।’

অর্থমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বি. চৌধুরী রবিবার গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, ‘মাননীয় অর্থমন্ত্রীর অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্য দেখেছি। মাননীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী দুজনেই গুণী মানুষ, এ ব্যাপারে আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সমালোচনা করা ভালো নয়।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী তার অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্যে পরিশেষে আমাকেও অবসর গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই ব্যাপারে আমার বক্তব্য সুস্পষ্ট, যেদিন আমি দেখবো আমার বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষের কোনো ক্ষতি হয়েছে সেদিন আমি নির্দ্বিধায় ও আনন্দে অবসর গ্রহণ করবো। নীতির প্রশ্নে পদত্যাগ করার অভ্যাস আমার আছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

অবসর গ্রহণ করা নিয়ে মুহিত-বি চৌধুরী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘অবসর’ গ্রহণ করা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে জড়িয়েছে পড়েছেন দেশের দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তারা হলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। দুজনই পরস্পরকে অবসর গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

গত শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় পরিচালনায় ব্যর্থ দাবি করে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী। পরদিন এক অনুষ্ঠানে তার এই বক্তব্যের জবাব দেন অর্থমন্ত্রী।

রবিবার অগ্রণী ব্যাংকের একটি অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আজ (শনিবার) সকালে খবরের কাগজে দেখলাম আমাদের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে উপদেশ দিয়ে বলেছেন, ‘দুজন মন্ত্রী দেশের কিছু কাজ করেছেন। এখন যদি তাদের অবসর না দেন, নিরাপদ মন্ত্রণালয়ে কোথাও পাঠিয়ে দেন।’ সে দুজন হলেন- একজন আমার বন্ধু শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এবং আমি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার তখন মনে হয়েছিল আজকে এখানে এসে বক্তৃতা করব অবসরের ওপরে। অবসরটা কখন করা উচিত, কীভাবে নেয়া উচিত। আরেকটি বিশেষ কারণ হলো- সত্যিকারভাবেই আমি এ বছরের ডিসেম্বর মাসেই অবসরে যাব। অবশ্য বদরুদ্দোজার বোধহয়, সে রকম অবসরে যাওয়া নিয়ে কোনো ধারণা নেই। সুতরাং তাকে উপদেশ দিতে চেয়েছিলাম- জীবনে একটি সময় আসে তখন অবসর নেয়া আমাদের জন্য ভালো।’

অর্থমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বি. চৌধুরী রবিবার গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, ‘মাননীয় অর্থমন্ত্রীর অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্য দেখেছি। মাননীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী দুজনেই গুণী মানুষ, এ ব্যাপারে আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সমালোচনা করা ভালো নয়।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী তার অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্যে পরিশেষে আমাকেও অবসর গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই ব্যাপারে আমার বক্তব্য সুস্পষ্ট, যেদিন আমি দেখবো আমার বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষের কোনো ক্ষতি হয়েছে সেদিন আমি নির্দ্বিধায় ও আনন্দে অবসর গ্রহণ করবো। নীতির প্রশ্নে পদত্যাগ করার অভ্যাস আমার আছে।’