ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

অবসর গ্রহণ করা নিয়ে মুহিত-বি চৌধুরী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘অবসর’ গ্রহণ করা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে জড়িয়েছে পড়েছেন দেশের দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তারা হলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। দুজনই পরস্পরকে অবসর গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

গত শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় পরিচালনায় ব্যর্থ দাবি করে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী। পরদিন এক অনুষ্ঠানে তার এই বক্তব্যের জবাব দেন অর্থমন্ত্রী।

রবিবার অগ্রণী ব্যাংকের একটি অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আজ (শনিবার) সকালে খবরের কাগজে দেখলাম আমাদের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে উপদেশ দিয়ে বলেছেন, ‘দুজন মন্ত্রী দেশের কিছু কাজ করেছেন। এখন যদি তাদের অবসর না দেন, নিরাপদ মন্ত্রণালয়ে কোথাও পাঠিয়ে দেন।’ সে দুজন হলেন- একজন আমার বন্ধু শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এবং আমি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার তখন মনে হয়েছিল আজকে এখানে এসে বক্তৃতা করব অবসরের ওপরে। অবসরটা কখন করা উচিত, কীভাবে নেয়া উচিত। আরেকটি বিশেষ কারণ হলো- সত্যিকারভাবেই আমি এ বছরের ডিসেম্বর মাসেই অবসরে যাব। অবশ্য বদরুদ্দোজার বোধহয়, সে রকম অবসরে যাওয়া নিয়ে কোনো ধারণা নেই। সুতরাং তাকে উপদেশ দিতে চেয়েছিলাম- জীবনে একটি সময় আসে তখন অবসর নেয়া আমাদের জন্য ভালো।’

অর্থমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বি. চৌধুরী রবিবার গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, ‘মাননীয় অর্থমন্ত্রীর অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্য দেখেছি। মাননীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী দুজনেই গুণী মানুষ, এ ব্যাপারে আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সমালোচনা করা ভালো নয়।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী তার অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্যে পরিশেষে আমাকেও অবসর গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই ব্যাপারে আমার বক্তব্য সুস্পষ্ট, যেদিন আমি দেখবো আমার বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষের কোনো ক্ষতি হয়েছে সেদিন আমি নির্দ্বিধায় ও আনন্দে অবসর গ্রহণ করবো। নীতির প্রশ্নে পদত্যাগ করার অভ্যাস আমার আছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবসর গ্রহণ করা নিয়ে মুহিত-বি চৌধুরী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘অবসর’ গ্রহণ করা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে জড়িয়েছে পড়েছেন দেশের দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তারা হলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। দুজনই পরস্পরকে অবসর গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

গত শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় পরিচালনায় ব্যর্থ দাবি করে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী। পরদিন এক অনুষ্ঠানে তার এই বক্তব্যের জবাব দেন অর্থমন্ত্রী।

রবিবার অগ্রণী ব্যাংকের একটি অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আজ (শনিবার) সকালে খবরের কাগজে দেখলাম আমাদের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে উপদেশ দিয়ে বলেছেন, ‘দুজন মন্ত্রী দেশের কিছু কাজ করেছেন। এখন যদি তাদের অবসর না দেন, নিরাপদ মন্ত্রণালয়ে কোথাও পাঠিয়ে দেন।’ সে দুজন হলেন- একজন আমার বন্ধু শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ এবং আমি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার তখন মনে হয়েছিল আজকে এখানে এসে বক্তৃতা করব অবসরের ওপরে। অবসরটা কখন করা উচিত, কীভাবে নেয়া উচিত। আরেকটি বিশেষ কারণ হলো- সত্যিকারভাবেই আমি এ বছরের ডিসেম্বর মাসেই অবসরে যাব। অবশ্য বদরুদ্দোজার বোধহয়, সে রকম অবসরে যাওয়া নিয়ে কোনো ধারণা নেই। সুতরাং তাকে উপদেশ দিতে চেয়েছিলাম- জীবনে একটি সময় আসে তখন অবসর নেয়া আমাদের জন্য ভালো।’

অর্থমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বি. চৌধুরী রবিবার গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, ‘মাননীয় অর্থমন্ত্রীর অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্য দেখেছি। মাননীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী দুজনেই গুণী মানুষ, এ ব্যাপারে আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের দুজনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সমালোচনা করা ভালো নয়।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘অর্থমন্ত্রী তার অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত সম্বলিত বক্তব্যে পরিশেষে আমাকেও অবসর গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এই ব্যাপারে আমার বক্তব্য সুস্পষ্ট, যেদিন আমি দেখবো আমার বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ডে দেশের মানুষের কোনো ক্ষতি হয়েছে সেদিন আমি নির্দ্বিধায় ও আনন্দে অবসর গ্রহণ করবো। নীতির প্রশ্নে পদত্যাগ করার অভ্যাস আমার আছে।’