অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইউরোপ-আমেরিকার কাতারে দাঁড়াতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি মন্ত্রী) ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ আর ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে পরিচিত হবে না, বরং পৃথিবীর অন্যান্য দেশকে সাহায্য করবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী বরুলিয়া এলাকায় মুন্সীগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন মন্ত্রী।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। আমরা আর পৃথিবীর বুকে ভিক্ষুকের জাতি হিসাবে পরিচিত থাকব না। আমরা প্রয়োজনে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ যারা বিপদে থাকে, না খেয়ে থাকে তাদের সহায়তা করতে পারব।’
বাংলাদেশ এ রকম একটি অবস্থানে থেকে স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী উদযাপন করবে- এটাই জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার রূপকল্প বলে জানান এলজিআরডি মন্ত্রী।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যে দুটি রূপকল্প আছে, একটি ২০২১ সাল ও অপরটি ২০৪১ সাল। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে গ্রেজুয়েট হয়ে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়াবে। কানাডা, ইউরোপ, আমেরিকার মতো দেশের কাতারে আমরা যাব।’
এর আগে এলজিআরডি মন্ত্রী নামফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে মুন্সীগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. সেলিম রেজা, মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ লুৎফর রহমান প্রমুখ।
৪৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী বরুলিয়া এলাকায় মুন্সীগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির নির্মিত হয়েছে। ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এ কাজের বাস্তবায়ন করে।
মুন্সীগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজিতে দুই বিভাগে চার বছরের কোর্সে আবাসিক সুবিধাসহ প্রতি সেমিস্টারে ৯৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। এই হিসাবে আট সেমিস্টারে ৮০০ জন ভর্তির সুযোগ থাকছে। ইতিমধ্যে ১২ জন নারী শিক্ষার্থীসহ ২৫৭ জন ভর্তি হয়েছে।
এই মুহূর্তে ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি এবং ডিপ্লোমা ইন মেরিন শিপ বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং নামে দুটি কোর্স চালু রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















