ঢাকা ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

সচিবকে ঘুষ সেধে কালো তালিকায় চীনা প্রতিষ্ঠান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল একটি চীনা প্রতিষ্ঠান। আর ওই সচিব বিষয়টি জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে। এরপর তিনি ওই প্রতিষ্ঠানটিকে কালোতালিকাভুক্ত করেছেন। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি আর কোনো কাজ পাবে না।

তবে যে প্রকল্পে প্রতিষ্ঠানটি ঘুষ দিতে চেয়েছিল, সেটির কাজ তারা আগেই পেয়েছে। মন্ত্রীর ধারণা, তারা চুরি করতে চেয়েছিল বলেই এই প্রস্তাব দিয়েছিল সচিবকে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেট ডিক্সনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান কালো তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটি হলো ‘চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড’।

সার্ভিস লেইনসহ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি চার লেইনে উন্নীত করতে দুই বছর আগে চায়না হারবারের সঙ্গে চুক্তি হয় বাংলাদেশ সরকারের। চীনা অর্থায়নে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকায় এই কাজটি করার কথা ছিল। তবে পরে বাংলাদেশ সরকার নিজের টাকায় রাস্তাটা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি যাকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল তিনি বর্তমানে কর্মরত নজরুল ইসলাম নাকি গত অক্টোবরে মেয়াদ শেষ হওয়া এম এ এন ছিদ্দিক সেটা জানাননি অর্থমন্ত্রী। তবে বলেন, ‘আই অ্যাম প্রাউড অব হিম।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সেক্রেটারিকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল, সেক্রেটারি তা আমাকে জানিয়েছেন।’ ঘুষের পরিমাণ কত- জানতে চাইলে মুহিত বলেন, ‘কত বলল আমি ভুলে গেছি। ৫০ লাখ বা এমন কিছু হবে।’ যে কাজে ঘুষ দিতে চেয়েছিল সেটির বাইরে অন্য কোনো কাজ কি চায়না হারবার পাবে?- এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নো নো, দে ক্যান নট (তারা পারবে না’।

এরই মধ্যে চায়না হারবার যেসব কাজ পেয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে কী হবে-জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটাও দেখা যাক কী করা যায়। নরমাল নিয়ম হলো ব্ল্যাক লিস্টেট মিনস ব্ল্যাক লিস্টেড।’ চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ পাওয়ার জন্য ঘুষ দিতে চেয়েছিল কি না-এমন প্রশ্নে মুহিত বলেন, ‘কাজ তো পেয়ে গেছে তারা। এটা আমার জাস্ট মনে হয় খুশি রাখা। তারা চুরি করবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমান কার্গো নিরাপত্তা জোরদারে কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আইএটিএর

সচিবকে ঘুষ সেধে কালো তালিকায় চীনা প্রতিষ্ঠান

আপডেট সময় ০৭:১৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল একটি চীনা প্রতিষ্ঠান। আর ওই সচিব বিষয়টি জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে। এরপর তিনি ওই প্রতিষ্ঠানটিকে কালোতালিকাভুক্ত করেছেন। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি আর কোনো কাজ পাবে না।

তবে যে প্রকল্পে প্রতিষ্ঠানটি ঘুষ দিতে চেয়েছিল, সেটির কাজ তারা আগেই পেয়েছে। মন্ত্রীর ধারণা, তারা চুরি করতে চেয়েছিল বলেই এই প্রস্তাব দিয়েছিল সচিবকে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেট ডিক্সনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান কালো তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটি হলো ‘চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড’।

সার্ভিস লেইনসহ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি চার লেইনে উন্নীত করতে দুই বছর আগে চায়না হারবারের সঙ্গে চুক্তি হয় বাংলাদেশ সরকারের। চীনা অর্থায়নে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৭ হাজার কোটি টাকায় এই কাজটি করার কথা ছিল। তবে পরে বাংলাদেশ সরকার নিজের টাকায় রাস্তাটা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি যাকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল তিনি বর্তমানে কর্মরত নজরুল ইসলাম নাকি গত অক্টোবরে মেয়াদ শেষ হওয়া এম এ এন ছিদ্দিক সেটা জানাননি অর্থমন্ত্রী। তবে বলেন, ‘আই অ্যাম প্রাউড অব হিম।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সেক্রেটারিকে ঘুষ দিতে চেয়েছিল, সেক্রেটারি তা আমাকে জানিয়েছেন।’ ঘুষের পরিমাণ কত- জানতে চাইলে মুহিত বলেন, ‘কত বলল আমি ভুলে গেছি। ৫০ লাখ বা এমন কিছু হবে।’ যে কাজে ঘুষ দিতে চেয়েছিল সেটির বাইরে অন্য কোনো কাজ কি চায়না হারবার পাবে?- এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নো নো, দে ক্যান নট (তারা পারবে না’।

এরই মধ্যে চায়না হারবার যেসব কাজ পেয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে কী হবে-জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটাও দেখা যাক কী করা যায়। নরমাল নিয়ম হলো ব্ল্যাক লিস্টেট মিনস ব্ল্যাক লিস্টেড।’ চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ পাওয়ার জন্য ঘুষ দিতে চেয়েছিল কি না-এমন প্রশ্নে মুহিত বলেন, ‘কাজ তো পেয়ে গেছে তারা। এটা আমার জাস্ট মনে হয় খুশি রাখা। তারা চুরি করবে।’