ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

বাঘায় এক যুগ পর আবার মেয়র বিএনপির রাজ্জাক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আক্কাস আলী। তাকে এক হাজার ৫০৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন আবদুর রাজ্জাক।

নব-নির্বাচিত মেয়র আবদুর রাজ্জাক জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাঘা পৌরসভার মেয়র ছিলেন তিনি। প্রায় একযুগ আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আক্কাস আলীর কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন।

এরপর সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় পৌরসভাটির নির্বাচন আর হয়নি। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই মেয়র ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্কাস আলী। তার হাত ধরেই তৃতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে উঠে আসে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের নির্বাচনী এলাকার এই পৌরসভা। কিন্তু মেয়র আক্কাস আলীকে নিয়ে বিতর্কও কম ওঠেনি। নির্বাচনে প্রভাব পড়লো এসবেরই।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পৌর এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়েই ভোট দেন পৌরবাসী। একটি ছাড়া বাকি সবগুলো কেন্দ্রই ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভোট গ্রহণের সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা শেষে রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ধানের শীষ প্রতীকে আবদুর রাজ্জাক পেয়েছেন ১২ হাজার ২২৮ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে আক্কাস আলী পেয়েছেন ১০ হাজার ৭২৪ ভোট। মোট ভোটার ছিলেন ২৭ হাজার ৭৮৯ জন।

এবারের নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ভোটাররা। তবে ফল ঘোষণার সময় সেখানে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

বাঘায় এক যুগ পর আবার মেয়র বিএনপির রাজ্জাক

আপডেট সময় ১২:৩০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আক্কাস আলী। তাকে এক হাজার ৫০৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন আবদুর রাজ্জাক।

নব-নির্বাচিত মেয়র আবদুর রাজ্জাক জেলা বিএনপির সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাঘা পৌরসভার মেয়র ছিলেন তিনি। প্রায় একযুগ আগের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আক্কাস আলীর কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন।

এরপর সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় পৌরসভাটির নির্বাচন আর হয়নি। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই মেয়র ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আক্কাস আলী। তার হাত ধরেই তৃতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে উঠে আসে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের নির্বাচনী এলাকার এই পৌরসভা। কিন্তু মেয়র আক্কাস আলীকে নিয়ে বিতর্কও কম ওঠেনি। নির্বাচনে প্রভাব পড়লো এসবেরই।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পৌর এলাকার ১০টি কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ চলে। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়েই ভোট দেন পৌরবাসী। একটি ছাড়া বাকি সবগুলো কেন্দ্রই ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভোট গ্রহণের সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ভোট গণনা শেষে রাতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আতিয়ার রহমান। তিনি জানান, ধানের শীষ প্রতীকে আবদুর রাজ্জাক পেয়েছেন ১২ হাজার ২২৮ ভোট। আর নৌকা প্রতীক নিয়ে আক্কাস আলী পেয়েছেন ১০ হাজার ৭২৪ ভোট। মোট ভোটার ছিলেন ২৭ হাজার ৭৮৯ জন।

এবারের নির্বাচনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ভোটাররা। তবে ফল ঘোষণার সময় সেখানে দুই মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।