ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

বাংলাদেশ চরমপন্থী ধারণাকে দমন করেছে: ভারতীয় দূত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নের পাশাপাশি উগ্রবাদী মতবাদ দমনে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন দেশটির হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশ যেভাবে একসঙ্গে লড়েছিল, ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির আলোচনায় এ কথা বলেন বাংলাদেশে ভারতীয় দূত।

আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গ ছাড়াও বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সাম্প্রতিক নানা আলোচনা, যোগাযোগ, সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়। এই সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেয়ার কথাও বলেন ভারতীয় দূত। বাংলাদেশের প্রশংসা করে শ্রিংলা বলেন, ‘বাংলাদেশ আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে অভূত উন্নয়ন সাধন করেছে। বাংলাদেশ চরমপন্থী ধারণাকে দমন করেছে।’

২০১৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার এক সপ্তাহ পর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের জামাতে জঙ্গি হামলার চেষ্টার পর আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল দেশে। তবে এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গিবিরোধী সাড়াঁশি অভিযান শুরু করে আর জঙ্গি তৎপরতায় যারা নেতৃত্ব দিচ্ছিল তাদের বেশিরভাগকে হত্যা অথবা আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর সাম্প্রতিককালে জঙ্গিদের নাশকতার ঘটনাও আর ঘটছে না।

জঙ্গিবাদ দমনে সরকার বরাবর জিরো টলারেন্স নীতির কথা জানিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ঐক্যের ওপরও জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলতি বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলা হয়েছে।

জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের সাফল্যের পাশাপাশি উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বলেন, ‘বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্রুত উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও ভারতের নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে জানিয়ে শ্রিংলা বলেন, ‘আমাদের এ সম্পর্ক চিরদিন অবিচ্ছেদ্য থাকবে।’ ‘আমরা শান্তি ও সংহতিতে ভালো প্রতিবেশী দেশ হিসাবে সবসময় একে অপরের পাশে থাকব।’

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে দেশটির হাইকমিশনার বলেন, ‘১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সৈন্যরা একসাথে যুদ্ধ করে রক্ত দিয়েছিল। এটাই সকল ভারতীয়দের জন্য গর্বের।’

বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি প্রফেসর এমিরেটাসে এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ভারতের জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জয় কে ভরদোয়াজ ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুশারী প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

বাংলাদেশ চরমপন্থী ধারণাকে দমন করেছে: ভারতীয় দূত

আপডেট সময় ১০:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উন্নয়নের পাশাপাশি উগ্রবাদী মতবাদ দমনে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন দেশটির হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশ যেভাবে একসঙ্গে লড়েছিল, ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির আলোচনায় এ কথা বলেন বাংলাদেশে ভারতীয় দূত।

আলোচনায় মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গ ছাড়াও বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার সাম্প্রতিক নানা আলোচনা, যোগাযোগ, সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়। এই সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেয়ার কথাও বলেন ভারতীয় দূত। বাংলাদেশের প্রশংসা করে শ্রিংলা বলেন, ‘বাংলাদেশ আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে অভূত উন্নয়ন সাধন করেছে। বাংলাদেশ চরমপন্থী ধারণাকে দমন করেছে।’

২০১৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার এক সপ্তাহ পর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের জামাতে জঙ্গি হামলার চেষ্টার পর আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল দেশে। তবে এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গিবিরোধী সাড়াঁশি অভিযান শুরু করে আর জঙ্গি তৎপরতায় যারা নেতৃত্ব দিচ্ছিল তাদের বেশিরভাগকে হত্যা অথবা আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর সাম্প্রতিককালে জঙ্গিদের নাশকতার ঘটনাও আর ঘটছে না।

জঙ্গিবাদ দমনে সরকার বরাবর জিরো টলারেন্স নীতির কথা জানিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ঐক্যের ওপরও জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চলতি বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলা হয়েছে।

জঙ্গি দমনে বাংলাদেশের সাফল্যের পাশাপাশি উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বলেন, ‘বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্রুত উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও ভারতের নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে জানিয়ে শ্রিংলা বলেন, ‘আমাদের এ সম্পর্ক চিরদিন অবিচ্ছেদ্য থাকবে।’ ‘আমরা শান্তি ও সংহতিতে ভালো প্রতিবেশী দেশ হিসাবে সবসময় একে অপরের পাশে থাকব।’

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে দেশটির হাইকমিশনার বলেন, ‘১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সৈন্যরা একসাথে যুদ্ধ করে রক্ত দিয়েছিল। এটাই সকল ভারতীয়দের জন্য গর্বের।’

বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি প্রফেসর এমিরেটাসে এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ভারতের জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জয় কে ভরদোয়াজ ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুশারী প্রমুখ।