ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে ভারতে ঢুকছে রোহিঙ্গারা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নজরদারি বাড়ালেও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন পথ ধরে বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতের প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ করেছে মনিপুর রাজ্য সরকার। মনিপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে সম্প্রতি কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করা হয় যারা সরাসরি মিয়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করে।

মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) রাজ্যসভায় বলেন, নিয়মিত তল্লাসিকালে সীমান্ত শহর মোরেহ থেকে একজন রোহিঙ্গা মুসলমানকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে তার সঙ্গে আরো ছয় জন মনিপুরে প্রবেশ করেছে। তবে, তাদেরকে ধরা যায়নি।

অবৈধ অভিবাসী চিহ্নিত করতে সম্প্রতি মনিপুর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। জাতীয়তা নিয়ে সন্দেহ করে গত কয়েক দিনে এমন ৫৬০ জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০৫ জনের কাছে কোন কাগজপত্র না থাকায় তাদেরকে মিয়ানমারে ঠেলে পাঠানো হয়। ধারণা হচ্ছে যে দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করে সীমান্ত পারি দিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতে প্রবেশ করছে।

বিরেন সিং অভিযোগ করে বলেন, ভারতের ট্রাক ড্রাইভাররা বাইরে থেকে লোকজন এখানে নিয়ে আসছে। এরপর সরকারি কর্মকর্তারা এদেরকে থাকার জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছে। কিছু রাজনীতিক এদেরকে ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিরেন সিং রাজ্য বিধানসভার সকল সদস্যকে তাদের প্রত্যেকের এলাকায় কতজন অবৈধ অধিবাসী রয়েছে তার জানানোর নির্দেশ দেন।

এক হিসেবে মিয়ানমার থেকে ভারতে আসা রোহিঙ্গা মুসলমান সংখ্যা ৪০ হাজারের মতো। এদের বেশিরভাগ বাংলাদেশ থেকে সেখানে গিয়েছে বলে দেশটির দাবি। তবে এদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করা আসলেই কঠিন। গত বুধবার ভারতের পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, কোন বৈধ কাজপত্র ছাড়া এসব অভিবাসী ভারতে প্রবেশ করেছে বিধায় এদের সম্পকে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া খুব কঠিন। রোহিঙ্গারা ভারতের বিভিন্ন অংশে বাস করছে।

ভারতে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সম্পর্কে কোন আইন নেই। এসব মুসলিম রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সম্প্রতি ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে ভারতে ঢুকছে রোহিঙ্গারা

আপডেট সময় ১১:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নজরদারি বাড়ালেও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন পথ ধরে বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতের প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ করেছে মনিপুর রাজ্য সরকার। মনিপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে সম্প্রতি কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করা হয় যারা সরাসরি মিয়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করে।

মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) রাজ্যসভায় বলেন, নিয়মিত তল্লাসিকালে সীমান্ত শহর মোরেহ থেকে একজন রোহিঙ্গা মুসলমানকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে তার সঙ্গে আরো ছয় জন মনিপুরে প্রবেশ করেছে। তবে, তাদেরকে ধরা যায়নি।

অবৈধ অভিবাসী চিহ্নিত করতে সম্প্রতি মনিপুর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। জাতীয়তা নিয়ে সন্দেহ করে গত কয়েক দিনে এমন ৫৬০ জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০৫ জনের কাছে কোন কাগজপত্র না থাকায় তাদেরকে মিয়ানমারে ঠেলে পাঠানো হয়। ধারণা হচ্ছে যে দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করে সীমান্ত পারি দিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতে প্রবেশ করছে।

বিরেন সিং অভিযোগ করে বলেন, ভারতের ট্রাক ড্রাইভাররা বাইরে থেকে লোকজন এখানে নিয়ে আসছে। এরপর সরকারি কর্মকর্তারা এদেরকে থাকার জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছে। কিছু রাজনীতিক এদেরকে ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিরেন সিং রাজ্য বিধানসভার সকল সদস্যকে তাদের প্রত্যেকের এলাকায় কতজন অবৈধ অধিবাসী রয়েছে তার জানানোর নির্দেশ দেন।

এক হিসেবে মিয়ানমার থেকে ভারতে আসা রোহিঙ্গা মুসলমান সংখ্যা ৪০ হাজারের মতো। এদের বেশিরভাগ বাংলাদেশ থেকে সেখানে গিয়েছে বলে দেশটির দাবি। তবে এদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করা আসলেই কঠিন। গত বুধবার ভারতের পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, কোন বৈধ কাজপত্র ছাড়া এসব অভিবাসী ভারতে প্রবেশ করেছে বিধায় এদের সম্পকে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া খুব কঠিন। রোহিঙ্গারা ভারতের বিভিন্ন অংশে বাস করছে।

ভারতে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সম্পর্কে কোন আইন নেই। এসব মুসলিম রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সম্প্রতি ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধিন।