ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বভাব: ইরান করাচিতে রেঞ্জার্স সদর দফতরে সশস্ত্র হামলা, নিহত ৭ মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবসর সুবিধার ৬৭ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন নিয়েছেন ৭৯ লাখ টাকা ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা জর্ডানকে উড়িয়ে দিয়ে বেঞ্চের শক্তি দেখাল আর্জেন্টিনা ‘আবরার ফাহাদ’ নামে হল নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী সীমান্তে বিজিবি এখন সাহস ফিরে পেয়েছে: রাশেদ খান

বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে ভারতে ঢুকছে রোহিঙ্গারা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নজরদারি বাড়ালেও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন পথ ধরে বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতের প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ করেছে মনিপুর রাজ্য সরকার। মনিপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে সম্প্রতি কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করা হয় যারা সরাসরি মিয়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করে।

মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) রাজ্যসভায় বলেন, নিয়মিত তল্লাসিকালে সীমান্ত শহর মোরেহ থেকে একজন রোহিঙ্গা মুসলমানকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে তার সঙ্গে আরো ছয় জন মনিপুরে প্রবেশ করেছে। তবে, তাদেরকে ধরা যায়নি।

অবৈধ অভিবাসী চিহ্নিত করতে সম্প্রতি মনিপুর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। জাতীয়তা নিয়ে সন্দেহ করে গত কয়েক দিনে এমন ৫৬০ জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০৫ জনের কাছে কোন কাগজপত্র না থাকায় তাদেরকে মিয়ানমারে ঠেলে পাঠানো হয়। ধারণা হচ্ছে যে দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করে সীমান্ত পারি দিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতে প্রবেশ করছে।

বিরেন সিং অভিযোগ করে বলেন, ভারতের ট্রাক ড্রাইভাররা বাইরে থেকে লোকজন এখানে নিয়ে আসছে। এরপর সরকারি কর্মকর্তারা এদেরকে থাকার জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছে। কিছু রাজনীতিক এদেরকে ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিরেন সিং রাজ্য বিধানসভার সকল সদস্যকে তাদের প্রত্যেকের এলাকায় কতজন অবৈধ অধিবাসী রয়েছে তার জানানোর নির্দেশ দেন।

এক হিসেবে মিয়ানমার থেকে ভারতে আসা রোহিঙ্গা মুসলমান সংখ্যা ৪০ হাজারের মতো। এদের বেশিরভাগ বাংলাদেশ থেকে সেখানে গিয়েছে বলে দেশটির দাবি। তবে এদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করা আসলেই কঠিন। গত বুধবার ভারতের পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, কোন বৈধ কাজপত্র ছাড়া এসব অভিবাসী ভারতে প্রবেশ করেছে বিধায় এদের সম্পকে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া খুব কঠিন। রোহিঙ্গারা ভারতের বিভিন্ন অংশে বাস করছে।

ভারতে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সম্পর্কে কোন আইন নেই। এসব মুসলিম রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সম্প্রতি ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধিন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে ভারতে ঢুকছে রোহিঙ্গারা

আপডেট সময় ১১:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী নজরদারি বাড়ালেও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নতুন পথ ধরে বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতের প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ করেছে মনিপুর রাজ্য সরকার। মনিপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে সম্প্রতি কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করা হয় যারা সরাসরি মিয়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করে।

মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিং শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) রাজ্যসভায় বলেন, নিয়মিত তল্লাসিকালে সীমান্ত শহর মোরেহ থেকে একজন রোহিঙ্গা মুসলমানকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে তার সঙ্গে আরো ছয় জন মনিপুরে প্রবেশ করেছে। তবে, তাদেরকে ধরা যায়নি।

অবৈধ অভিবাসী চিহ্নিত করতে সম্প্রতি মনিপুর কর্তৃপক্ষ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। জাতীয়তা নিয়ে সন্দেহ করে গত কয়েক দিনে এমন ৫৬০ জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে ১০৫ জনের কাছে কোন কাগজপত্র না থাকায় তাদেরকে মিয়ানমারে ঠেলে পাঠানো হয়। ধারণা হচ্ছে যে দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বাঁশের সাঁকো তৈরি করে সীমান্ত পারি দিয়ে রোহিঙ্গারা ভারতে প্রবেশ করছে।

বিরেন সিং অভিযোগ করে বলেন, ভারতের ট্রাক ড্রাইভাররা বাইরে থেকে লোকজন এখানে নিয়ে আসছে। এরপর সরকারি কর্মকর্তারা এদেরকে থাকার জন্য জমি বরাদ্দ দিচ্ছে। কিছু রাজনীতিক এদেরকে ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করছে। বিরেন সিং রাজ্য বিধানসভার সকল সদস্যকে তাদের প্রত্যেকের এলাকায় কতজন অবৈধ অধিবাসী রয়েছে তার জানানোর নির্দেশ দেন।

এক হিসেবে মিয়ানমার থেকে ভারতে আসা রোহিঙ্গা মুসলমান সংখ্যা ৪০ হাজারের মতো। এদের বেশিরভাগ বাংলাদেশ থেকে সেখানে গিয়েছে বলে দেশটির দাবি। তবে এদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করা আসলেই কঠিন। গত বুধবার ভারতের পার্লামেন্টে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, কোন বৈধ কাজপত্র ছাড়া এসব অভিবাসী ভারতে প্রবেশ করেছে বিধায় এদের সম্পকে সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া খুব কঠিন। রোহিঙ্গারা ভারতের বিভিন্ন অংশে বাস করছে।

ভারতে শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের সম্পর্কে কোন আইন নেই। এসব মুসলিম রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সম্প্রতি ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধিন।