ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যে ইবাদতে মিলবে পরকালে প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবী (সা:) এর সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবীর (সা:) সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবীর শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি।

বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবী (সা:) এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-

‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবী (সা:) এর শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে।

আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত সম্ভব হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বন্দুক হামলার কবলে বলিউড তারকারা: নিরাপত্তার সংকটে রুপালি জগত

যে ইবাদতে মিলবে পরকালে প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত

আপডেট সময় ১১:০১:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবী (সা:) এর সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবীর (সা:) সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবীর শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি।

বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবী (সা:) এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন-

‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবী (সা:) এর শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে।

আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবীর (সা:) শাফায়াত সম্ভব হবে।