ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সহিংসতার রাজনীতি বন্ধে তারেক রহমানকে দায়িত্ব নিতে হবে: আখতার আগে একাত্তর নিয়ে মাফ চেয়ে এরপর ভোট চান : মির্জা ফখরুল উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ করার প্রতিশ্রুতি একটি গ্রুপ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার চেষ্টা করছে : মির্জা আব্বাস পাকিস্তান শুধু চেঁচামেচি করছে, বিশ্বকাপ অবশ্যই খেলবে: হার্শা ভোগলে গণতন্ত্রের উত্তরণের প্রক্রিয়াকে যারাই বাধাগ্রস্ত করবে জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে : সালাহউদ্দিন নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধ দমন করবেন মামুনুল হক ভুল তথ্য ছড়িয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে : আহসান মনসুর

ফিলিস্তিনীদের অধিকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচারের জন্য অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আগামীকাল আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এক বাণীতে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং গত পাঁচ দশকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের দেশে ফিরে আসা এবং তাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনার অধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। বাংলাদেশের জনগণ সর্বদাই ফিলিস্তিনি ভাইদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি তাদের অবিচল দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে আসছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কয়েক দশক ধরে উপনিবেশিক নির্যাতন এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়া, গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। নীতিগত ভাবে আমাদের সংবিধানে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশিকতা ও জাতিগত নিপীড়নের শিকার হওয়া লোকদের প্রকি সমর্থন সন্নিবেশিত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রমণ ও মানবাধিকার লংঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপন, বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা এবং দখলদার বাহিনীর অন্য যে কোন কার্যক্রমের নিন্দা জানায়।বাংলাদেশ ২০১৬ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়। নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্তে বলা হয়, পূর্ব জেরুজালেম সহ ১৯৬৭ সালে দখল করা ফিলিস্তিন ভূখন্ডে বসতি স্থাপন অবৈধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে এবং মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া চালু রেখে নিরাপত্তা পরিষদের প্রচেষ্টা এবং আরব শান্তি পরিকল্পনা, দ্য কোয়ার্টেট রোড ম্যাপ, মাদ্রিদ সম্মেলনের আলোকে জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিন প্রশ্নে শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজতে একতাবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সহিংসতার রাজনীতি বন্ধে তারেক রহমানকে দায়িত্ব নিতে হবে: আখতার

ফিলিস্তিনীদের অধিকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচারের জন্য অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আগামীকাল আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এক বাণীতে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং গত পাঁচ দশকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের দেশে ফিরে আসা এবং তাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনার অধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। বাংলাদেশের জনগণ সর্বদাই ফিলিস্তিনি ভাইদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি তাদের অবিচল দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে আসছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কয়েক দশক ধরে উপনিবেশিক নির্যাতন এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়া, গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। নীতিগত ভাবে আমাদের সংবিধানে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশিকতা ও জাতিগত নিপীড়নের শিকার হওয়া লোকদের প্রকি সমর্থন সন্নিবেশিত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রমণ ও মানবাধিকার লংঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপন, বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা এবং দখলদার বাহিনীর অন্য যে কোন কার্যক্রমের নিন্দা জানায়।বাংলাদেশ ২০১৬ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়। নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্তে বলা হয়, পূর্ব জেরুজালেম সহ ১৯৬৭ সালে দখল করা ফিলিস্তিন ভূখন্ডে বসতি স্থাপন অবৈধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে এবং মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া চালু রেখে নিরাপত্তা পরিষদের প্রচেষ্টা এবং আরব শান্তি পরিকল্পনা, দ্য কোয়ার্টেট রোড ম্যাপ, মাদ্রিদ সম্মেলনের আলোকে জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিন প্রশ্নে শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজতে একতাবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’