ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

ফিলিস্তিনীদের অধিকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচারের জন্য অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আগামীকাল আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এক বাণীতে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং গত পাঁচ দশকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের দেশে ফিরে আসা এবং তাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনার অধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। বাংলাদেশের জনগণ সর্বদাই ফিলিস্তিনি ভাইদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি তাদের অবিচল দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে আসছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কয়েক দশক ধরে উপনিবেশিক নির্যাতন এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়া, গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। নীতিগত ভাবে আমাদের সংবিধানে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশিকতা ও জাতিগত নিপীড়নের শিকার হওয়া লোকদের প্রকি সমর্থন সন্নিবেশিত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রমণ ও মানবাধিকার লংঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপন, বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা এবং দখলদার বাহিনীর অন্য যে কোন কার্যক্রমের নিন্দা জানায়।বাংলাদেশ ২০১৬ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়। নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্তে বলা হয়, পূর্ব জেরুজালেম সহ ১৯৬৭ সালে দখল করা ফিলিস্তিন ভূখন্ডে বসতি স্থাপন অবৈধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে এবং মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া চালু রেখে নিরাপত্তা পরিষদের প্রচেষ্টা এবং আরব শান্তি পরিকল্পনা, দ্য কোয়ার্টেট রোড ম্যাপ, মাদ্রিদ সম্মেলনের আলোকে জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিন প্রশ্নে শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজতে একতাবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

ফিলিস্তিনীদের অধিকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনি জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ন্যায়বিচারের জন্য অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আগামীকাল আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এক বাণীতে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগ দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং গত পাঁচ দশকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের দেশে ফিরে আসা এবং তাদের সম্পদ ফিরিয়ে আনার অধিকারের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। বাংলাদেশের জনগণ সর্বদাই ফিলিস্তিনি ভাইদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি তাদের অবিচল দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করে আসছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কয়েক দশক ধরে উপনিবেশিক নির্যাতন এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বিপুল সংখ্যক মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়া, গণহত্যা ও মানবতা বিরোধী অপরাধের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। নীতিগত ভাবে আমাদের সংবিধানে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশিকতা ও জাতিগত নিপীড়নের শিকার হওয়া লোকদের প্রকি সমর্থন সন্নিবেশিত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রমণ ও মানবাধিকার লংঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপন, বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনা এবং দখলদার বাহিনীর অন্য যে কোন কার্যক্রমের নিন্দা জানায়।বাংলাদেশ ২০১৬ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়। নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্তে বলা হয়, পূর্ব জেরুজালেম সহ ১৯৬৭ সালে দখল করা ফিলিস্তিন ভূখন্ডে বসতি স্থাপন অবৈধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে এবং মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া চালু রেখে নিরাপত্তা পরিষদের প্রচেষ্টা এবং আরব শান্তি পরিকল্পনা, দ্য কোয়ার্টেট রোড ম্যাপ, মাদ্রিদ সম্মেলনের আলোকে জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিশ্বাস করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ফিলিস্তিন প্রশ্নে শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজতে একতাবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’