ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত আদ্-দ্বীনে সেবা বন্ধ: ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোধে উদ্যোগ জরুরি: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইরানের সাথে নতুন সম্ভাব্য চুক্তি আমার চুক্তির চেয়ে ভালো হবে না : ওবামা পুশইন ঠেকাতে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক বসাল বাংলাদেশ ব্যাংক বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হলেন ড. মজিবুল হক সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দেশে এনে শাস্তি দেয়াই হবে প্রকৃত অর্জন : শফিকুর রহমান অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান

শুরুতেই নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবেন না রোহিঙ্গারা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা ফিরে যাবেন মিয়ানমারে। তবে ফিরে গিয়ে তাদের নিজেদের বাড়িতে থাকবে না তারা।থাকবেন অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে সীমিত সময়ের জন্য। এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

আজ শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পুড়ে গেছে। সে জন্য সেখানে তাদের নতুন ঘরবাড়ি তৈরি করতে চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা হয়েছে। রাখাইনে বাড়িঘর নির্মাণের বিষয়ে এই দুই দেশ মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা করবে।

তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের ইচ্ছা অনুযায়ী ৯২ এর চুক্তির অনুসরণে এবারের চুক্তিটি হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী গত বছরের অক্টোবর এবং এ বছরের ২৫ আগস্টের পর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে, মিয়ানমার শুধু তাদেরই ফিরিয়ে নেবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ এইচ মাহমুদ আলী বলেন, মিয়ানমার ওই চুক্তি অনুসরণ করতে চায় বলে সেভাবেই করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো। এর খুঁটিনাটি, ত্রুটি–বিচ্যুতি, এটা ওটা নেই, কেন নেই, কী হবে এসব কথা বলে তো কোনো লাভ নেই। গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো, রোহিঙ্গাদের তারা ফেরত নিতে চেয়েছেন।

মিয়ানমারের সঙ্গে এ চুক্তিতে দেশের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে এমন বিতর্কের জবাবে মন্ত্রী বলেন চুক্তিতে তিনি সন্তুষ্ট। এ মন্তব্যকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে স্বার্থ উপেক্ষা করার কথা বলা হয়েছে, এই মন্তব্য অত্যন্ত চমৎকার। মন্ত্রী প্রশ্ন করে বলেন, স্বার্থ কে ঠিক করে? যে সরকার ক্ষমতায়, সে সরকারই ঠিক করে। আমরা স্বার্থ ঠিক রেখেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো।

সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বেশকিছু তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মাঠপর্যায়ে আরেকটি চুক্তি সই হবে বলে জানান তিনি। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করবে।

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে। ওই অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক কূটনীতিই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার: রাষ্ট্রদূত

শুরুতেই নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবেন না রোহিঙ্গারা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা ফিরে যাবেন মিয়ানমারে। তবে ফিরে গিয়ে তাদের নিজেদের বাড়িতে থাকবে না তারা।থাকবেন অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে সীমিত সময়ের জন্য। এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

আজ শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পুড়ে গেছে। সে জন্য সেখানে তাদের নতুন ঘরবাড়ি তৈরি করতে চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা হয়েছে। রাখাইনে বাড়িঘর নির্মাণের বিষয়ে এই দুই দেশ মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা করবে।

তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারের ইচ্ছা অনুযায়ী ৯২ এর চুক্তির অনুসরণে এবারের চুক্তিটি হয়েছে। এই চুক্তি অনুযায়ী গত বছরের অক্টোবর এবং এ বছরের ২৫ আগস্টের পর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে, মিয়ানমার শুধু তাদেরই ফিরিয়ে নেবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ এইচ মাহমুদ আলী বলেন, মিয়ানমার ওই চুক্তি অনুসরণ করতে চায় বলে সেভাবেই করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো। এর খুঁটিনাটি, ত্রুটি–বিচ্যুতি, এটা ওটা নেই, কেন নেই, কী হবে এসব কথা বলে তো কোনো লাভ নেই। গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো, রোহিঙ্গাদের তারা ফেরত নিতে চেয়েছেন।

মিয়ানমারের সঙ্গে এ চুক্তিতে দেশের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে এমন বিতর্কের জবাবে মন্ত্রী বলেন চুক্তিতে তিনি সন্তুষ্ট। এ মন্তব্যকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে স্বার্থ উপেক্ষা করার কথা বলা হয়েছে, এই মন্তব্য অত্যন্ত চমৎকার। মন্ত্রী প্রশ্ন করে বলেন, স্বার্থ কে ঠিক করে? যে সরকার ক্ষমতায়, সে সরকারই ঠিক করে। আমরা স্বার্থ ঠিক রেখেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো।

সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বেশকিছু তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মাঠপর্যায়ে আরেকটি চুক্তি সই হবে বলে জানান তিনি। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করবে।

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে। ওই অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করার কথা রয়েছে।