ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান কোদাল দিয়ে কুপিয়েই দাদি-ফুফুসহ ৩ জনকে হত্যা করে আকাশ থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত

ধর্ষণের ভয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধর্ষণের ভয়ে এবার ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন মা ও মেয়ে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি সমাজে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যার প্রতিফলন ঘটল এ ঘটনার মধ্য দিয়ে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কানপুর স্টেশনের কাছে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার খবরটি জানতে পারে জিআরপি। কানপুর জিআরপি-র এসএইও মোহন রাই জানান, তারা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এফআইআর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি আনরিজার্ভড কোচে মা ও মেয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের টয়লেটের কাছে নিয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই ট্রেন থেকে ঝাঁপ মারে মা ও মেয়ে। ঝাঁপ মারার পর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা অজ্ঞান হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর আহত দুজন চান্দেরি রেল স্টেশনে পৌঁছয়। পরে সেখানকার মানুষ তাদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। লালা লাজপত রায় হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

ওই মহিলার অভিযোগ ছাড়াও আরপিএফের কনস্টেবলরাও অভিযোগ জানিয়েছেন। উত্তর মধ্য ভারতের রেলের পিআরও গৌরব বনশল জানিয়েছেন, ঘটনাটি হাওড়ার কাছে ঘটেছিল। তাদের এলাকায় ঘটেনি। ফলে গোটা বিষয়টাই তাদের বিচারব্যবস্থার বাইরে।

এদিকে মেয়েটি ক্লাস নাইনের ছাত্রী। তার বাবা দিল্লির একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করেন। ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতী ছিল। ট্রেন যখন হাওড়া থেকে ছাড়ে, প্রথমে তারা তাঁর মেয়েকে টিজ করছিল। তারপর মেয়েটেকে তারা টয়লেটের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি এনিয়ে দুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রথমবার এলাহাবাদের কিছু আগে, পরে এলাহাবাদে। কনস্টেবলরা তাঁকে সাহায্য করেন। ট্রেনে উঠে ৩ জনকে আটক করেন তাঁরা। দুষ্কৃতীদের চড়ও মারেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। দুষ্কৃতীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে। আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি শুরু হয়। সেই কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারল বাংলাদেশ

ধর্ষণের ভয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল মা

আপডেট সময় ০৬:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধর্ষণের ভয়ে এবার ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন মা ও মেয়ে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি সমাজে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যার প্রতিফলন ঘটল এ ঘটনার মধ্য দিয়ে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কানপুর স্টেশনের কাছে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার খবরটি জানতে পারে জিআরপি। কানপুর জিআরপি-র এসএইও মোহন রাই জানান, তারা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এফআইআর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি আনরিজার্ভড কোচে মা ও মেয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের টয়লেটের কাছে নিয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই ট্রেন থেকে ঝাঁপ মারে মা ও মেয়ে। ঝাঁপ মারার পর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা অজ্ঞান হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর আহত দুজন চান্দেরি রেল স্টেশনে পৌঁছয়। পরে সেখানকার মানুষ তাদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। লালা লাজপত রায় হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

ওই মহিলার অভিযোগ ছাড়াও আরপিএফের কনস্টেবলরাও অভিযোগ জানিয়েছেন। উত্তর মধ্য ভারতের রেলের পিআরও গৌরব বনশল জানিয়েছেন, ঘটনাটি হাওড়ার কাছে ঘটেছিল। তাদের এলাকায় ঘটেনি। ফলে গোটা বিষয়টাই তাদের বিচারব্যবস্থার বাইরে।

এদিকে মেয়েটি ক্লাস নাইনের ছাত্রী। তার বাবা দিল্লির একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করেন। ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতী ছিল। ট্রেন যখন হাওড়া থেকে ছাড়ে, প্রথমে তারা তাঁর মেয়েকে টিজ করছিল। তারপর মেয়েটেকে তারা টয়লেটের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি এনিয়ে দুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রথমবার এলাহাবাদের কিছু আগে, পরে এলাহাবাদে। কনস্টেবলরা তাঁকে সাহায্য করেন। ট্রেনে উঠে ৩ জনকে আটক করেন তাঁরা। দুষ্কৃতীদের চড়ও মারেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। দুষ্কৃতীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে। আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি শুরু হয়। সেই কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি।