ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি ঋণের সুদাসল পরিশোধে গেছে ৪৪৯ কোটি ডলার ধামরাইয়ে স্বামীর মারধরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী গ্রেপ্তার জুলাই গণহত্যায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে সতর্কতার নির্দেশ প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’

ধর্ষণের ভয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধর্ষণের ভয়ে এবার ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন মা ও মেয়ে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি সমাজে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যার প্রতিফলন ঘটল এ ঘটনার মধ্য দিয়ে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কানপুর স্টেশনের কাছে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার খবরটি জানতে পারে জিআরপি। কানপুর জিআরপি-র এসএইও মোহন রাই জানান, তারা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এফআইআর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি আনরিজার্ভড কোচে মা ও মেয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের টয়লেটের কাছে নিয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই ট্রেন থেকে ঝাঁপ মারে মা ও মেয়ে। ঝাঁপ মারার পর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা অজ্ঞান হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর আহত দুজন চান্দেরি রেল স্টেশনে পৌঁছয়। পরে সেখানকার মানুষ তাদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। লালা লাজপত রায় হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

ওই মহিলার অভিযোগ ছাড়াও আরপিএফের কনস্টেবলরাও অভিযোগ জানিয়েছেন। উত্তর মধ্য ভারতের রেলের পিআরও গৌরব বনশল জানিয়েছেন, ঘটনাটি হাওড়ার কাছে ঘটেছিল। তাদের এলাকায় ঘটেনি। ফলে গোটা বিষয়টাই তাদের বিচারব্যবস্থার বাইরে।

এদিকে মেয়েটি ক্লাস নাইনের ছাত্রী। তার বাবা দিল্লির একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করেন। ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতী ছিল। ট্রেন যখন হাওড়া থেকে ছাড়ে, প্রথমে তারা তাঁর মেয়েকে টিজ করছিল। তারপর মেয়েটেকে তারা টয়লেটের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি এনিয়ে দুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রথমবার এলাহাবাদের কিছু আগে, পরে এলাহাবাদে। কনস্টেবলরা তাঁকে সাহায্য করেন। ট্রেনে উঠে ৩ জনকে আটক করেন তাঁরা। দুষ্কৃতীদের চড়ও মারেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। দুষ্কৃতীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে। আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি শুরু হয়। সেই কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণের ভয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল মা

আপডেট সময় ০৬:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধর্ষণের ভয়ে এবার ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন মা ও মেয়ে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি সমাজে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যার প্রতিফলন ঘটল এ ঘটনার মধ্য দিয়ে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কানপুর স্টেশনের কাছে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার খবরটি জানতে পারে জিআরপি। কানপুর জিআরপি-র এসএইও মোহন রাই জানান, তারা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এফআইআর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি আনরিজার্ভড কোচে মা ও মেয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের টয়লেটের কাছে নিয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই ট্রেন থেকে ঝাঁপ মারে মা ও মেয়ে। ঝাঁপ মারার পর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা অজ্ঞান হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর আহত দুজন চান্দেরি রেল স্টেশনে পৌঁছয়। পরে সেখানকার মানুষ তাদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। লালা লাজপত রায় হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

ওই মহিলার অভিযোগ ছাড়াও আরপিএফের কনস্টেবলরাও অভিযোগ জানিয়েছেন। উত্তর মধ্য ভারতের রেলের পিআরও গৌরব বনশল জানিয়েছেন, ঘটনাটি হাওড়ার কাছে ঘটেছিল। তাদের এলাকায় ঘটেনি। ফলে গোটা বিষয়টাই তাদের বিচারব্যবস্থার বাইরে।

এদিকে মেয়েটি ক্লাস নাইনের ছাত্রী। তার বাবা দিল্লির একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করেন। ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতী ছিল। ট্রেন যখন হাওড়া থেকে ছাড়ে, প্রথমে তারা তাঁর মেয়েকে টিজ করছিল। তারপর মেয়েটেকে তারা টয়লেটের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি এনিয়ে দুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রথমবার এলাহাবাদের কিছু আগে, পরে এলাহাবাদে। কনস্টেবলরা তাঁকে সাহায্য করেন। ট্রেনে উঠে ৩ জনকে আটক করেন তাঁরা। দুষ্কৃতীদের চড়ও মারেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। দুষ্কৃতীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে। আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি শুরু হয়। সেই কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি।