ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন শাহরাস্তিতে ধর্ষণের শিকার শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত আটক সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে খেলা শেষ হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণের ভয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল মা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধর্ষণের ভয়ে এবার ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন মা ও মেয়ে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি সমাজে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যার প্রতিফলন ঘটল এ ঘটনার মধ্য দিয়ে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কানপুর স্টেশনের কাছে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার খবরটি জানতে পারে জিআরপি। কানপুর জিআরপি-র এসএইও মোহন রাই জানান, তারা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এফআইআর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি আনরিজার্ভড কোচে মা ও মেয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের টয়লেটের কাছে নিয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই ট্রেন থেকে ঝাঁপ মারে মা ও মেয়ে। ঝাঁপ মারার পর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা অজ্ঞান হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর আহত দুজন চান্দেরি রেল স্টেশনে পৌঁছয়। পরে সেখানকার মানুষ তাদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। লালা লাজপত রায় হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

ওই মহিলার অভিযোগ ছাড়াও আরপিএফের কনস্টেবলরাও অভিযোগ জানিয়েছেন। উত্তর মধ্য ভারতের রেলের পিআরও গৌরব বনশল জানিয়েছেন, ঘটনাটি হাওড়ার কাছে ঘটেছিল। তাদের এলাকায় ঘটেনি। ফলে গোটা বিষয়টাই তাদের বিচারব্যবস্থার বাইরে।

এদিকে মেয়েটি ক্লাস নাইনের ছাত্রী। তার বাবা দিল্লির একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করেন। ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতী ছিল। ট্রেন যখন হাওড়া থেকে ছাড়ে, প্রথমে তারা তাঁর মেয়েকে টিজ করছিল। তারপর মেয়েটেকে তারা টয়লেটের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি এনিয়ে দুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রথমবার এলাহাবাদের কিছু আগে, পরে এলাহাবাদে। কনস্টেবলরা তাঁকে সাহায্য করেন। ট্রেনে উঠে ৩ জনকে আটক করেন তাঁরা। দুষ্কৃতীদের চড়ও মারেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। দুষ্কৃতীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে। আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি শুরু হয়। সেই কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক

ধর্ষণের ভয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিল মা

আপডেট সময় ০৬:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধর্ষণের ভয়ে এবার ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন মা ও মেয়ে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি সমাজে এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যার প্রতিফলন ঘটল এ ঘটনার মধ্য দিয়ে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কানপুর স্টেশনের কাছে হাওড়া-যোধপুর ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। রবিবার খবরটি জানতে পারে জিআরপি। কানপুর জিআরপি-র এসএইও মোহন রাই জানান, তারা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে এফআইআর রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু করেছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি আনরিজার্ভড কোচে মা ও মেয়ে কলকাতা থেকে দিল্লি যাচ্ছিল। এসময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে ট্রেনের টয়লেটের কাছে নিয়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়েই ট্রেন থেকে ঝাঁপ মারে মা ও মেয়ে। ঝাঁপ মারার পর প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা অজ্ঞান হয়েছিল। জ্ঞান ফেরার পর আহত দুজন চান্দেরি রেল স্টেশনে পৌঁছয়। পরে সেখানকার মানুষ তাদের অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। লালা লাজপত রায় হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়।

ওই মহিলার অভিযোগ ছাড়াও আরপিএফের কনস্টেবলরাও অভিযোগ জানিয়েছেন। উত্তর মধ্য ভারতের রেলের পিআরও গৌরব বনশল জানিয়েছেন, ঘটনাটি হাওড়ার কাছে ঘটেছিল। তাদের এলাকায় ঘটেনি। ফলে গোটা বিষয়টাই তাদের বিচারব্যবস্থার বাইরে।

এদিকে মেয়েটি ক্লাস নাইনের ছাত্রী। তার বাবা দিল্লির একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করেন। ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন ট্রেনে প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন দুষ্কৃতী ছিল। ট্রেন যখন হাওড়া থেকে ছাড়ে, প্রথমে তারা তাঁর মেয়েকে টিজ করছিল। তারপর মেয়েটেকে তারা টয়লেটের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিনি এনিয়ে দুবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। প্রথমবার এলাহাবাদের কিছু আগে, পরে এলাহাবাদে। কনস্টেবলরা তাঁকে সাহায্য করেন। ট্রেনে উঠে ৩ জনকে আটক করেন তাঁরা। দুষ্কৃতীদের চড়ও মারেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। দুষ্কৃতীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে ফিরে আসে। আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি শুরু হয়। সেই কারণে বাধ্য হয়ে ট্রেন থেকে মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ মারেন তিনি।