অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
একটি বিদেশি প্রতারক চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কি না তাই যাচাই করতে মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল আলম বীরপ্রতীককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকায় হাবিবুল আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেডের (আইএসএন) কার্যালয় থেকে তাঁকে নিয়ে যান র্যাব-১ এর সদস্যরা। হাবিবুল আলম ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
এ বিষয়ে র্যাব ১-এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারোয়ার বিন কাসেম জানান, একটি চক্রের দ্বারা প্রতারিত হন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। সেই চক্রের তথ্য যাচাই বাছাইয়ের সময় দেখা যায় যে হাবিবুল আলমের ফোন থেকে ওই চক্রের সঙ্গে কিছু মেসেজ আদান প্রদান হয়েছে। সে কারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব-১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাবিবুল আলম জানিয়েছেন যে তিনি নিজেও প্রতারিত হয়েছেন। তাহলে কেন ওই সব বার্তা লেনদেন হয়েছে সেসব প্রশ্ন মাথায় রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানান র্যাব-১ কর্মকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলে হাবিবুল আলমকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে সন্ধ্যায় র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, হাবিবুল আলম র্যাব ১-এর কাছেই আছেন। তাঁকে যে সেখানে নেওয়া হয়েছে সে বিষয়টি পরিবারের সদস্যরাও জানেন। এমনকি হাবিবুল আলমের ছেলেও র্যাব ১-এ গিয়েছিলেন। কেন হাবিবুল আলমকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে জানতে চাইলে এই র্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘একটি বিদেশি প্রতারক চক্রের সঙ্গে বিভিন্ন সময় তাঁর যোগাযোগ ছিল। সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উনাকে আনা হয়েছে।’
র্যাব ১-এর কাছে কতদিন হাবিবুল আলম থাকবেন বা এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে সংবাদ সম্মেলন করে কিছু জানানো হবে কি না জানতে চাইলে মুফতি মাহমুদ খান বলেন, আপাতত এসব বিষয় কনফিডেনশিয়াল (গোপনীয়)। তবে প্রয়োজন হলে জানানো হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধ করেন হাবিবুল আলম। তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার তাঁকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















