ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

স্বর্ণালীর চিকিৎসায় রামেক হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিরল রোগে আক্রান্ত রাজশাহীর শিশু স্বর্ণালীর (১২) চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বুধবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে এ মেডিকেল বোর্ড। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নেয়া হয় স্বর্ণালীকে। বর্তমানে হাসপাতালের মেডিসন ইউনিট-২ এ চিকিৎসাধীন সে। তার চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছে রাজশাহী সিভিল সার্জন দফতর।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. সঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, রামেক হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিট-১ প্রধান ডা. খলিলুর রহমানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয়েছে স্বর্ণালীর। ওই চিকিৎসকের নেতৃত্বে বুধবার মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাতে মেডিসিন, ডার্মাটোলজি ও সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ রয়েছেন।

বুধবার সকালে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা স্বর্ণালীকে দেখেছেন। এসময় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. সঞ্জিত কুমার সাহাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বর্ণালী হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। তার সঙ্গে রয়েছেন তার মা রুমা বেগম। বিকেলে হাসপাতালে রুমা বেগম বলেন, সকালে চিকিৎসক দল এসে দেখে গেছেন স্বর্ণালীকে। তারা কিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু দুপুর হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করানো যায়নি।

ইউনিট প্রধান ডা. খলিলুর রহমান বলেন, এমআরআই, সিটি স্ক্যানসহ রক্তের কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেয়া হয়েছে। এসবের প্রতিবেদন পেলে স্বর্ণালীর পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা শুরু হবে। এনিয়ে মেডিকেল বোর্ড কাজ করছে বলে জানান তিনি।

স্বর্ণালী রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের টেকাটাপাড়ার আবদুল মান্নানের মেয়ে। সে পার্শ্ববর্তী নোনামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। তার ডান হাতে দেখা দিয়েছে বিরল এ রোগ। কিন্তু অর্থের অভাবে বন্ধ ছিলো চিকিৎসা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

স্বর্ণালীর চিকিৎসায় রামেক হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ড

আপডেট সময় ০৩:১৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিরল রোগে আক্রান্ত রাজশাহীর শিশু স্বর্ণালীর (১২) চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বুধবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে এ মেডিকেল বোর্ড। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নেয়া হয় স্বর্ণালীকে। বর্তমানে হাসপাতালের মেডিসন ইউনিট-২ এ চিকিৎসাধীন সে। তার চিকিৎসা তত্ত্বাবধান করছে রাজশাহী সিভিল সার্জন দফতর।

রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. সঞ্জিত কুমার সাহা বলেন, রামেক হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিট-১ প্রধান ডা. খলিলুর রহমানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয়েছে স্বর্ণালীর। ওই চিকিৎসকের নেতৃত্বে বুধবার মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাতে মেডিসিন, ডার্মাটোলজি ও সার্জারি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ রয়েছেন।

বুধবার সকালে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা স্বর্ণালীকে দেখেছেন। এসময় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. সঞ্জিত কুমার সাহাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বর্ণালী হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। তার সঙ্গে রয়েছেন তার মা রুমা বেগম। বিকেলে হাসপাতালে রুমা বেগম বলেন, সকালে চিকিৎসক দল এসে দেখে গেছেন স্বর্ণালীকে। তারা কিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু দুপুর হয়ে যাওয়ায় হাসপাতালে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করানো যায়নি।

ইউনিট প্রধান ডা. খলিলুর রহমান বলেন, এমআরআই, সিটি স্ক্যানসহ রক্তের কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেয়া হয়েছে। এসবের প্রতিবেদন পেলে স্বর্ণালীর পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা শুরু হবে। এনিয়ে মেডিকেল বোর্ড কাজ করছে বলে জানান তিনি।

স্বর্ণালী রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি ইউনিয়নের টেকাটাপাড়ার আবদুল মান্নানের মেয়ে। সে পার্শ্ববর্তী নোনামাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। তার ডান হাতে দেখা দিয়েছে বিরল এ রোগ। কিন্তু অর্থের অভাবে বন্ধ ছিলো চিকিৎসা।