ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রথম হারের স্বাদ পেল সিলেট সিক্সার্স

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথম হারের স্বাদ পেল সিলেট সিক্সার্স। খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে হেরেছে বিপিএলে চমকজাগানিয়া দলটি। সিলেটের করা ১৩৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে দুই ওভার ও ছয় উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

এবারের আসরে সিলেটের জয়রথ থামছিলই না। পরপর তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে নাসির হোসেনের দল। তবে চতুর্থ ম্যাচে ভাগ্যদেবী আর সিলেটের দিকে তাকাল না। উড়ন্ত দলটাকে মাটিতে নামিয়ে আনল খুলনা

এই ম্যাচে টস-ভাগ্যটা নাসিরের পক্ষে যায়নি। টস জিতেছেন খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সিলেটকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান তিনি। ব্যাট হাতে নেমে খুলনার সংগ্রহটা খুব বেশি হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৫ রান তুলতে সমর্থ হয় নাসির হোসেনের দল।

১৩৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি খুলনার। দলীয় ১৮ রানে নাজমুল হোসেন শান্তকে হারায় খুলনা। এর খানিক পর চ্যাডউইক ওয়ালটনও ফিরে যান ডাগআউটে। দলীয় ৪৩ রানে রিলে রুশোকে ফিরিয়ে ম্যাচে ভালোভাবে টিকে থাকে সিলেট।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ; ও মাইকেল কিলিঞ্জার ৫০ রানের জুটি বেঁধে খুলনার আশা জিইয়ে রাখেন। রস হুইটলির বলে মাহমুদউল্লাহ ফিরলেও বাকি পথটুকু কার্লোস ব্রাফেটকে নিয়ে ভালোভাবেই পাড়ি দেন কিলিঞ্জার। ৩৬ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন এই অসি ব্যাটসম্যান। অপরদিকে ১৬ বলে ২৩ রান করেন ব্রাফেট। এ ছাড়া টাইটানসের হয়ে ২৭ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো করতে পারেননি আগের দুটি ম্যাচে ঝড় তোলা সিলেটের ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ও উপুল থারাঙ্গা। দলীয় ১৯ রানে শফিউলের বলে মাহমুদউল্লাহকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান আন্দ্রে ফ্লেচার। চার রান করেন তিনি। এরপর সাব্বির ফিরে যান কোনো রান না করেই। দলীয় ৫১ রানে ফিরে যান উপুল থারাঙ্গা। ২৬ রান করেন তিনি।

দানুশকা গুনাথিলাকাকে নিয়ে রানের গতিটা বাড়াতে চেয়েছিলেন অধিনায়ক নাসির হোসেন। তবে খুলনার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সেটা সম্ভব হয়নি। ২৫ বলে ২৬ রান করে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় শিকার হন গুনাথিলাকা। রিলে রুশোকেও হাত খুলতে দেননি খুলনার বোলাররা। ২৩ বলে ২৭ রান করেন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান।

নাসির হোসেন অনেকক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকলেও ৩৫ বলে ৪৭ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৩৪ রানেই থেমে যায় সিলেটের ইনিংস। খুলনার হয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জফরা আর্চার নেন দুটি করে উইকেট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

প্রথম হারের স্বাদ পেল সিলেট সিক্সার্স

আপডেট সময় ১২:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথম হারের স্বাদ পেল সিলেট সিক্সার্স। খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে ৬ উইকেটে হেরেছে বিপিএলে চমকজাগানিয়া দলটি। সিলেটের করা ১৩৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে দুই ওভার ও ছয় উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

এবারের আসরে সিলেটের জয়রথ থামছিলই না। পরপর তিন ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে নাসির হোসেনের দল। তবে চতুর্থ ম্যাচে ভাগ্যদেবী আর সিলেটের দিকে তাকাল না। উড়ন্ত দলটাকে মাটিতে নামিয়ে আনল খুলনা

এই ম্যাচে টস-ভাগ্যটা নাসিরের পক্ষে যায়নি। টস জিতেছেন খুলনা টাইটানসের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সিলেটকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান তিনি। ব্যাট হাতে নেমে খুলনার সংগ্রহটা খুব বেশি হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৫ রান তুলতে সমর্থ হয় নাসির হোসেনের দল।

১৩৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি খুলনার। দলীয় ১৮ রানে নাজমুল হোসেন শান্তকে হারায় খুলনা। এর খানিক পর চ্যাডউইক ওয়ালটনও ফিরে যান ডাগআউটে। দলীয় ৪৩ রানে রিলে রুশোকে ফিরিয়ে ম্যাচে ভালোভাবে টিকে থাকে সিলেট।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ; ও মাইকেল কিলিঞ্জার ৫০ রানের জুটি বেঁধে খুলনার আশা জিইয়ে রাখেন। রস হুইটলির বলে মাহমুদউল্লাহ ফিরলেও বাকি পথটুকু কার্লোস ব্রাফেটকে নিয়ে ভালোভাবেই পাড়ি দেন কিলিঞ্জার। ৩৬ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন এই অসি ব্যাটসম্যান। অপরদিকে ১৬ বলে ২৩ রান করেন ব্রাফেট। এ ছাড়া টাইটানসের হয়ে ২৭ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো করতে পারেননি আগের দুটি ম্যাচে ঝড় তোলা সিলেটের ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার ও উপুল থারাঙ্গা। দলীয় ১৯ রানে শফিউলের বলে মাহমুদউল্লাহকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান আন্দ্রে ফ্লেচার। চার রান করেন তিনি। এরপর সাব্বির ফিরে যান কোনো রান না করেই। দলীয় ৫১ রানে ফিরে যান উপুল থারাঙ্গা। ২৬ রান করেন তিনি।

দানুশকা গুনাথিলাকাকে নিয়ে রানের গতিটা বাড়াতে চেয়েছিলেন অধিনায়ক নাসির হোসেন। তবে খুলনার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সেটা সম্ভব হয়নি। ২৫ বলে ২৬ রান করে মাহমুদউল্লাহর দ্বিতীয় শিকার হন গুনাথিলাকা। রিলে রুশোকেও হাত খুলতে দেননি খুলনার বোলাররা। ২৩ বলে ২৭ রান করেন এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান।

নাসির হোসেন অনেকক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকলেও ৩৫ বলে ৪৭ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৩৪ রানেই থেমে যায় সিলেটের ইনিংস। খুলনার হয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জফরা আর্চার নেন দুটি করে উইকেট।