ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় মালয়েশিয়া: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আগামীতে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল দেখতে চায় মালয়েশিয়া। আজ বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাথে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠকের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

রাজধানীর গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলে দুইজন ছিলেন সরকারি দলের এবং একজন ছিলেন বিরোধী দলের যিনি বিরোধী দলের উপনেতা।

কমনওয়েলথ উইম্যান পার্লামেন্টারিয়ানের চেয়ারপারসন ড. নূরানিনি আহমেদ এমপি তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন- শামসুল এস্কান্দার মো: আকিল এবং দাতো নূরমালা আব্দুস সামাদ। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে (সিপিসি) অংশ নেয়া এই প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় আসে গত সপ্তাহে।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মালয়েশিয়া বিএনপি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আলোচনা অত্যন্ত প্রাণবন্ত পরিবেশের মধ্যে হয়েছে। সত্যিকথা বলতে কী প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করেছেন। তারা সবাই চান যে বাংলাদেশে সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। তারা বার বার বলেছেন, আমরা অপেক্ষা করে আছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন সেটা দেখার জন্য তারা অপেক্ষা করে আছেন।

তারা মনে করেন যে, মালয়েশিয়াতে যে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে, সেখানেও তারা অনেক ওডসের মধ্য দিয়ে এসেছেন এবং তারা এমন অবস্থায় এসেছে সেখানে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে। তারা মনে করেন যে বাংলাদেশেও একইভাবে গণতন্ত্রের চর্চার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন তা সেটা পরিপূর্ণ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় মালয়েশিয়া: ফখরুল

আপডেট সময় ১১:২৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আগামীতে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল দেখতে চায় মালয়েশিয়া। আজ বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাথে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠকের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

রাজধানীর গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলে দুইজন ছিলেন সরকারি দলের এবং একজন ছিলেন বিরোধী দলের যিনি বিরোধী দলের উপনেতা।

কমনওয়েলথ উইম্যান পার্লামেন্টারিয়ানের চেয়ারপারসন ড. নূরানিনি আহমেদ এমপি তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন- শামসুল এস্কান্দার মো: আকিল এবং দাতো নূরমালা আব্দুস সামাদ। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে (সিপিসি) অংশ নেয়া এই প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় আসে গত সপ্তাহে।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মালয়েশিয়া বিএনপি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আলোচনা অত্যন্ত প্রাণবন্ত পরিবেশের মধ্যে হয়েছে। সত্যিকথা বলতে কী প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করেছেন। তারা সবাই চান যে বাংলাদেশে সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। তারা বার বার বলেছেন, আমরা অপেক্ষা করে আছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন সেটা দেখার জন্য তারা অপেক্ষা করে আছেন।

তারা মনে করেন যে, মালয়েশিয়াতে যে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে, সেখানেও তারা অনেক ওডসের মধ্য দিয়ে এসেছেন এবং তারা এমন অবস্থায় এসেছে সেখানে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে। তারা মনে করেন যে বাংলাদেশেও একইভাবে গণতন্ত্রের চর্চার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন তা সেটা পরিপূর্ণ হবে।