ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি সবকিছুর মালিক আল্লাহ, কেউ কেউ বেহেস্তের টিকিট’ বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাচ্ছে : তারেক রহমান বিএনপি একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল: মির্জা ফখরুল ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান একটা বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হবে না : আবুল কালাম

বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় মালয়েশিয়া: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আগামীতে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল দেখতে চায় মালয়েশিয়া। আজ বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাথে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠকের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

রাজধানীর গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলে দুইজন ছিলেন সরকারি দলের এবং একজন ছিলেন বিরোধী দলের যিনি বিরোধী দলের উপনেতা।

কমনওয়েলথ উইম্যান পার্লামেন্টারিয়ানের চেয়ারপারসন ড. নূরানিনি আহমেদ এমপি তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন- শামসুল এস্কান্দার মো: আকিল এবং দাতো নূরমালা আব্দুস সামাদ। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে (সিপিসি) অংশ নেয়া এই প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় আসে গত সপ্তাহে।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মালয়েশিয়া বিএনপি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আলোচনা অত্যন্ত প্রাণবন্ত পরিবেশের মধ্যে হয়েছে। সত্যিকথা বলতে কী প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করেছেন। তারা সবাই চান যে বাংলাদেশে সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। তারা বার বার বলেছেন, আমরা অপেক্ষা করে আছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন সেটা দেখার জন্য তারা অপেক্ষা করে আছেন।

তারা মনে করেন যে, মালয়েশিয়াতে যে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে, সেখানেও তারা অনেক ওডসের মধ্য দিয়ে এসেছেন এবং তারা এমন অবস্থায় এসেছে সেখানে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে। তারা মনে করেন যে বাংলাদেশেও একইভাবে গণতন্ত্রের চর্চার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন তা সেটা পরিপূর্ণ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ

বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় মালয়েশিয়া: ফখরুল

আপডেট সময় ১১:২৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আগামীতে সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল দেখতে চায় মালয়েশিয়া। আজ বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সাথে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বৈঠকের পর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

রাজধানীর গুলশানে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। মালয়েশিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলে দুইজন ছিলেন সরকারি দলের এবং একজন ছিলেন বিরোধী দলের যিনি বিরোধী দলের উপনেতা।

কমনওয়েলথ উইম্যান পার্লামেন্টারিয়ানের চেয়ারপারসন ড. নূরানিনি আহমেদ এমপি তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। অন্য দুই সদস্য হলেন- শামসুল এস্কান্দার মো: আকিল এবং দাতো নূরমালা আব্দুস সামাদ। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে (সিপিসি) অংশ নেয়া এই প্রতিনিধি দলটি ঢাকায় আসে গত সপ্তাহে।

বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মালয়েশিয়া বিএনপি শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আলোচনা অত্যন্ত প্রাণবন্ত পরিবেশের মধ্যে হয়েছে। সত্যিকথা বলতে কী প্রতিটি মুহূর্ত এনজয় করেছেন। তারা সবাই চান যে বাংলাদেশে সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। তারা বার বার বলেছেন, আমরা অপেক্ষা করে আছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন সেটা দেখার জন্য তারা অপেক্ষা করে আছেন।

তারা মনে করেন যে, মালয়েশিয়াতে যে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে, সেখানেও তারা অনেক ওডসের মধ্য দিয়ে এসেছেন এবং তারা এমন অবস্থায় এসেছে সেখানে ডেমোক্রেসি প্রাকটিস হচ্ছে। তারা মনে করেন যে বাংলাদেশেও একইভাবে গণতন্ত্রের চর্চার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার যে ট্রানজিশন তা সেটা পরিপূর্ণ হবে।