ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্যাতনের শিকারদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী এবার ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা বিদেশ পাচার হয়েছে: মঈন খান দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডির ৭ বছরের কারাদণ্ড এক রাতে ৬৬০ ড্রোন দিয়ে রাশিয়ায় নজিরবিহীন হামলা ইউক্রেনের প্রমাণ ছাড়া প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক গ্রেফতার: শিক্ষামন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে : হুমায়ুন কবির গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল

৭৮ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন আগুয়েরো

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

নেপলসের স্তাদিও সান পাওলো স্টেডিয়াম, নাম শুনলেই ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতির মানসপটে ভেসে উঠে ৮০’র দশকের আর্জেন্টিনা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। এ মাঠের সঙ্গে যে তার ছিল একরকম নাড়ির সম্পর্ক। এখানেই তো হাজারো কীর্তি গড়েন ফুটবল ইশ্বর। এজন্য এখনো সেখানে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করা হয়। এবার সেই ভেন্যুতেই ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেলেন স্বদেশী সার্জিও আগুয়েরো। রেকর্ড ভাঙা–গড়া কিংবা ইতিহাস রচনার জন্য এর চেয়ে মোক্ষম সময় এবং ভেন্যু কি-ই-বা আর হতে পারত!

চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানসিটি। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ১ গোল করে দলের দারুণ জয়ে অবদান রাখেন আগুয়েরো। এতেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন তিনি। ভেঙে দেন ৭৮ বছরের রেকর্ড।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো। এই গোলের সুবাদে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৭৮টি) বনে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এর আগে সিটিজেনদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ছিলেন এরিক ব্রুক (১৭৭টি)। এর সবশেষ গোলটি তিনি করেন ১৯৩৯ সালে। ৭৮ বছর ধরে যা অক্ষত ছিল। গেলো সপ্তাহে ইপিএলে বার্নলির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করে সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে ছুঁয়ে ফেলেন আগুয়েরো। বুধবার রাতে নাপোলির মাঠে গোল করে তার রেকর্ড-ই ভেঙে দিলেন তিনি। ১৭৭ গোল করতে ব্রুকের সময় লেগেছিল ১১ বছর, সেখানে মাত্র ৬ বছরেই ১৭৮ গোল করে ফেললেন আগুয়েরো।

এই স্ট্রাইকারের রেকর্ড ভাঙা গোলটা এসেছে খুবই দরকারি মুহূর্তে। ওই সময় ম্যাচে ২-২ গোলে সমতা ছিল। তার গোলটাই এগিয়ে দেয় সিটিকে। পরে রাহিম স্টার্লিং গোল করলে ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত আগুয়েরোও। বিটি স্পোর্টকে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের জন্য আমি খুবই খুশি। এরকম মুহূর্ত জীবনে একবারই আসে। আমি আনন্দিত যে, দলকে জেতাতে সহায়তা করতে পেরেছি। এমন কীর্তি গড়তে পেরে ভালো লাগছে। সবসময় আমাকে সমর্থন যোগানোর জন্য দল, দলের কর্মকর্তা ও ভক্তদের ধন্যবাদ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্যাতনের শিকারদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

৭৮ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন আগুয়েরো

আপডেট সময় ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

নেপলসের স্তাদিও সান পাওলো স্টেডিয়াম, নাম শুনলেই ফুটবল অনুরাগীদের স্মৃতির মানসপটে ভেসে উঠে ৮০’র দশকের আর্জেন্টিনা তারকা ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে। এ মাঠের সঙ্গে যে তার ছিল একরকম নাড়ির সম্পর্ক। এখানেই তো হাজারো কীর্তি গড়েন ফুটবল ইশ্বর। এজন্য এখনো সেখানে তাকে দেবতা হিসেবে উপাসনা করা হয়। এবার সেই ভেন্যুতেই ম্যানচেস্টার সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেলেন স্বদেশী সার্জিও আগুয়েরো। রেকর্ড ভাঙা–গড়া কিংবা ইতিহাস রচনার জন্য এর চেয়ে মোক্ষম সময় এবং ভেন্যু কি-ই-বা আর হতে পারত!

চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানসিটি। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওলার দল। ১ গোল করে দলের দারুণ জয়ে অবদান রাখেন আগুয়েরো। এতেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন তিনি। ভেঙে দেন ৭৮ বছরের রেকর্ড।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আগুয়েরো। এই গোলের সুবাদে সিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৭৮টি) বনে যান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

এর আগে সিটিজেনদের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক ছিলেন এরিক ব্রুক (১৭৭টি)। এর সবশেষ গোলটি তিনি করেন ১৯৩৯ সালে। ৭৮ বছর ধরে যা অক্ষত ছিল। গেলো সপ্তাহে ইপিএলে বার্নলির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে গোল করে সাবেক এই ফরোয়ার্ডকে ছুঁয়ে ফেলেন আগুয়েরো। বুধবার রাতে নাপোলির মাঠে গোল করে তার রেকর্ড-ই ভেঙে দিলেন তিনি। ১৭৭ গোল করতে ব্রুকের সময় লেগেছিল ১১ বছর, সেখানে মাত্র ৬ বছরেই ১৭৮ গোল করে ফেললেন আগুয়েরো।

এই স্ট্রাইকারের রেকর্ড ভাঙা গোলটা এসেছে খুবই দরকারি মুহূর্তে। ওই সময় ম্যাচে ২-২ গোলে সমতা ছিল। তার গোলটাই এগিয়ে দেয় সিটিকে। পরে রাহিম স্টার্লিং গোল করলে ৪-২ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পেপ গার্দিওলার দল।

নিজেকে অনন্য উচ্চতায় তুলতে পেরে উচ্ছ্বসিত আগুয়েরোও। বিটি স্পোর্টকে তিনি বলেন, এই মুহূর্তের জন্য আমি খুবই খুশি। এরকম মুহূর্ত জীবনে একবারই আসে। আমি আনন্দিত যে, দলকে জেতাতে সহায়তা করতে পেরেছি। এমন কীর্তি গড়তে পেরে ভালো লাগছে। সবসময় আমাকে সমর্থন যোগানোর জন্য দল, দলের কর্মকর্তা ও ভক্তদের ধন্যবাদ।