ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা নারীর মুখে নির্যাতনের বর্ণনা শুনে আবেগ আপ্লুত খালেদা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ত্রান দিতে গিয়ে এক নারীর মুখে মিয়ানমান সেনাবাহিনীর নির্যাতনের বর্ণনা শুণে কিছুক্ষনের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এসময় তিন-চার মাস বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুকে কাছে টেনে কোলে তুলে আদর করেন। ওই শিশুর নাম মোবারক। বিএনপি চেয়ারপারসন রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ধৈর্য্য ধরতে এবং আল্লাহকে স্মরণ করতে বলেন।

উখিয়ায় বেলা ১টার দিকে খালেদা জিয়া যখন শফিউল্লাহ কাটার ময়নারগোনা ক্যাম্পে পৌঁচ্ছান, এর আগে থেকে সেখানে হাজারো রোহিঙ্গা শরণার্থী অপেক্ষা করছিলো ত্রান নিতে। বিএনপি নেত্রীর উপস্থিতিতে ঘিরে পুরো ক্যাম্পে তখন নেতাকর্মী, স্থানীয় মানুষ আর রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মিলে সমাবেশ স্থলের রূপ নেয়। ভিড় ঠেলে খালেদা জিয়া ত্রান দেয়ার স্থানে পৌঁচ্ছেই অপেক্ষারত শরনার্থীদের মাঝে ত্রান দেন। এসময় বিএনপির শীর্ষ নেতারা তার পাশে ছিলেন।

ত্রান দেয়ার এক পর্যায়ে এক রোহিঙ্গা নারী মোবারকের মা মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনের বর্ণনা করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। খালেদা জিয়া সেই কাহিনী শুনে কিছুক্ষনের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। বিএনপি প্রধান তাদের ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন এবং আল্লাহকে স্মরণ করার পরামর্শ দেন।

পরে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর যে ধরনের হামলা হয়েছে তা অমানবিক। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ খুন করা হয়েছে। নারীদের ওপর অবর্নণীয় নির্যাতন করা হয়েছে। এসবই বিশ্ব গণমাধ্যমে এসেছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীরা যাতে নির্ভয়ে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে সেজন্য বিএনপি প্রধান মানবিকতার স্বার্থে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান।

এরপর খালেদা জিয়া আরো তিনটি স্থানে নিজ হাতে ত্রান দেন। শেষে বালুকালী পানবাজারে বিএনপির তত্ত্বাবধায়নে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব পরিচালিত রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন।

ত্রান বিতরন শেষে বিকেল সোয়া চারটার দিতে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে পৌঁচ্ছান তিনি। এখানে দুপুরের খাবার খেয়ে তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের উদ্দেশ্য রওনা দেবেন। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ছাড়বেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা নারীর মুখে নির্যাতনের বর্ণনা শুনে আবেগ আপ্লুত খালেদা

আপডেট সময় ১০:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ত্রান দিতে গিয়ে এক নারীর মুখে মিয়ানমান সেনাবাহিনীর নির্যাতনের বর্ণনা শুণে কিছুক্ষনের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এসময় তিন-চার মাস বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুকে কাছে টেনে কোলে তুলে আদর করেন। ওই শিশুর নাম মোবারক। বিএনপি চেয়ারপারসন রোহিঙ্গা শরনার্থীদের ধৈর্য্য ধরতে এবং আল্লাহকে স্মরণ করতে বলেন।

উখিয়ায় বেলা ১টার দিকে খালেদা জিয়া যখন শফিউল্লাহ কাটার ময়নারগোনা ক্যাম্পে পৌঁচ্ছান, এর আগে থেকে সেখানে হাজারো রোহিঙ্গা শরণার্থী অপেক্ষা করছিলো ত্রান নিতে। বিএনপি নেত্রীর উপস্থিতিতে ঘিরে পুরো ক্যাম্পে তখন নেতাকর্মী, স্থানীয় মানুষ আর রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী মিলে সমাবেশ স্থলের রূপ নেয়। ভিড় ঠেলে খালেদা জিয়া ত্রান দেয়ার স্থানে পৌঁচ্ছেই অপেক্ষারত শরনার্থীদের মাঝে ত্রান দেন। এসময় বিএনপির শীর্ষ নেতারা তার পাশে ছিলেন।

ত্রান দেয়ার এক পর্যায়ে এক রোহিঙ্গা নারী মোবারকের মা মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনের বর্ণনা করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। খালেদা জিয়া সেই কাহিনী শুনে কিছুক্ষনের জন্য আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। বিএনপি প্রধান তাদের ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন এবং আল্লাহকে স্মরণ করার পরামর্শ দেন।

পরে তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর যে ধরনের হামলা হয়েছে তা অমানবিক। তাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মানুষ খুন করা হয়েছে। নারীদের ওপর অবর্নণীয় নির্যাতন করা হয়েছে। এসবই বিশ্ব গণমাধ্যমে এসেছে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীরা যাতে নির্ভয়ে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে সেজন্য বিএনপি প্রধান মানবিকতার স্বার্থে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান।

এরপর খালেদা জিয়া আরো তিনটি স্থানে নিজ হাতে ত্রান দেন। শেষে বালুকালী পানবাজারে বিএনপির তত্ত্বাবধায়নে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব পরিচালিত রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন।

ত্রান বিতরন শেষে বিকেল সোয়া চারটার দিতে কক্সবাজার সার্কিট হাউজে পৌঁচ্ছান তিনি। এখানে দুপুরের খাবার খেয়ে তিনি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের উদ্দেশ্য রওনা দেবেন। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে মঙ্গলবার সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম ছাড়বেন।