বেলজিয়ামে শিক্ষা বাজেট হ্রাস ও শিক্ষানীতি পরিবর্তনের প্রতিবাদে ব্রাসেলস ও লিয়েজ শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এই ঘটনায় শনিবার পুলিশ মোট ১৯৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার তথ্য রবিবার সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে বস্তু নিক্ষেপ, কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়া এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় গ্রেপ্তারকৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফলে গ্রেপ্তারের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
ব্রাসেলস পুলিশ জানিয়েছে, তাদের এলাকা থেকে মোট ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে ১১৮ জনকে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এবং ৩২ জনকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আটক করা হয়েছে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। বিক্ষোভের সময় বেশ কিছু বৈদ্যুতিক স্কুটার ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। পুলিশের ভাষ্যমতে, এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে পাঁচজন পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন এবং ব্রাসেলসের কেন্দ্রীয় এলাকায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে একাধিকবার কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করতে হয়েছে। ফ্রান্সে নজিরবিহীন সহিংসতায় সংকটে সরকার।
বেলজিয়ান সংবাদ সংস্থা বেলগার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিয়েজ শহরে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১২ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। ইসরাইলি দখলদারিত্ব বন্ধে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ।
এই শহরে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪০ জনকে প্রশাসনিক ও পাঁচজনকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আটক দেখানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় প্লাস সাঁ-ল্যামবার চত্বরে জড়ো হওয়া প্রায় ৫০ জন বিক্ষোভকারী প্রিন্স-বিশপস প্যালেস লক্ষ্য করে আতশবাজির মর্টার ছুড়ে মারে। এ সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস প্রয়োগ করে। বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত অনেকেই তাদের আটক বন্ধুদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান তোলেন। তবে সন্ধ্যার পর থেকেই শহর দুটির পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























