ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান নেতানিয়াহু একজন যুদ্ধাপরাধী: মামদানি বিএনপি ভোট মানলেও গণভোট মানে না: আখতার হোসেন সাঁথিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা জুলাইয়ের শক্তির অনৈক্য পরাজিতদের সুযোগ করে দিচ্ছে: মজিবুর রহমান মঞ্জু বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের বড় ধরনের চাহিদা তৈরি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকুন:শফিকুর রহমান ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়তে শহীদ জিয়ার দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা আজও গুরুত্বপূর্ণ : সড়ক প্রতিমন্ত্রী শিশু যৌন নিপীড়নের দায়ে যুক্তরাজ্যে ৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়াতে গুরুত্বারোপ

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই বড় ধাক্কা, হাসপাতালের বিল ১৬ কোটি টাকা

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মহাবিড়ম্বনায় পড়েছেন ক্রিস হাওয়ার্থ। ক্যালিফোর্নিয়ার ওরোভিলে তিনি র‍্যাটলসাপের দুই দফা কামড় খেয়েও বেঁচে যান। কিন্তু সমস্যা হয়েছে অন্য জায়গায়। তার হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বড় এক বিল।

হাওয়ার্থ প্রথমে ভেবেছিলেন বাগানে কাজ করার সময় হয়তো কাঁটার খোঁচা লেগেছে। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে মোট ৫৪ ডোজ অ্যান্টিভেনম (বিষনাশক ওষুধ) দেন।

প্রথম হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম ফুরিয়ে যাওয়ায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে বাকি চিকিৎসা সম্পন্ন হয়।

তবে চিকিৎসা শেষে যে বিল আসে, তা আরও বেশি চমকে দেওয়ার মতো। বীমার আগে হাসপাতালের মোট বিল দাঁড়ায় ১৩ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা)।

ক্রিসের স্ত্রী জেনি একটি ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্মে জানান, প্রতিটি অ্যান্টি-ভেনম ভায়ালের দাম ছিল ১৩ হাজার ডলার এবং স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে প্রতি রাতের খরচ ছিল ৬১ হাজার ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অ্যান্টি-ভেনম, রক্ত সঞ্চালন, সিটি স্ক্যান এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণেই বিলটি এত বিশাল অঙ্কে পৌঁছায়।

জেনি হাওয়ার্থ চিকিৎসা-পরবর্তী খরচ মেটাতে গো ফান্ড মি-তে একটি তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেন। সেখানে ১২ হাজার ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১০ হাজার ডলার উঠেছে।

জেনি জানান, তার স্বামী এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। তিনি প্রায় ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না। গত মে মাসের শেষ দিক থেকে তিনি কাজে যেতে পারেননি। ফলে প্রায় দুই মাস ধরে পরিবারের কোনো নিয়মিত আয়ও নেই।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই চিকিৎসা ব্যয়ের অস্বাভাবিক উচ্চতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার ঠাঁই হয়নি রাজনৈতিক কারণে: সলিমুল্লাহ খান

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই বড় ধাক্কা, হাসপাতালের বিল ১৬ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০৮:২০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মহাবিড়ম্বনায় পড়েছেন ক্রিস হাওয়ার্থ। ক্যালিফোর্নিয়ার ওরোভিলে তিনি র‍্যাটলসাপের দুই দফা কামড় খেয়েও বেঁচে যান। কিন্তু সমস্যা হয়েছে অন্য জায়গায়। তার হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বড় এক বিল।

হাওয়ার্থ প্রথমে ভেবেছিলেন বাগানে কাজ করার সময় হয়তো কাঁটার খোঁচা লেগেছে। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে মোট ৫৪ ডোজ অ্যান্টিভেনম (বিষনাশক ওষুধ) দেন।

প্রথম হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম ফুরিয়ে যাওয়ায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে বাকি চিকিৎসা সম্পন্ন হয়।

তবে চিকিৎসা শেষে যে বিল আসে, তা আরও বেশি চমকে দেওয়ার মতো। বীমার আগে হাসপাতালের মোট বিল দাঁড়ায় ১৩ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ কোটি টাকা)।

ক্রিসের স্ত্রী জেনি একটি ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্মে জানান, প্রতিটি অ্যান্টি-ভেনম ভায়ালের দাম ছিল ১৩ হাজার ডলার এবং স্ট্যানফোর্ড হাসপাতালে প্রতি রাতের খরচ ছিল ৬১ হাজার ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অ্যান্টি-ভেনম, রক্ত সঞ্চালন, সিটি স্ক্যান এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণেই বিলটি এত বিশাল অঙ্কে পৌঁছায়।

জেনি হাওয়ার্থ চিকিৎসা-পরবর্তী খরচ মেটাতে গো ফান্ড মি-তে একটি তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেন। সেখানে ১২ হাজার ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১০ হাজার ডলার উঠেছে।

জেনি জানান, তার স্বামী এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। তিনি প্রায় ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না। গত মে মাসের শেষ দিক থেকে তিনি কাজে যেতে পারেননি। ফলে প্রায় দুই মাস ধরে পরিবারের কোনো নিয়মিত আয়ও নেই।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই চিকিৎসা ব্যয়ের অস্বাভাবিক উচ্চতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।