ঢাকা ০৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, দাবি ট্রাম্পের রাতারাতি বড় কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়: আইএমএফকে অর্থমন্ত্রী জনগণের কল্যাণে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে : ডিএমপি কমিশনার টকশোতে আর দেখা যাবে না গোলাম মাওলা রনিকে গাজা পুনর্গঠনে ১০০ কোটি ডলারের সহায়তা উদ্যোগ ঘোষণা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের দুই বছরের কারাদণ্ড মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি অত্যন্ত গর্হিত ও ন্যক্কারজনক কাজ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর চালু হলে কমবে পণ্য পরিবহন ব্যয়: নৌমন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর করতে কাজ করছে সরকার : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

নিজেরা ঠিক না রাখলে, অন্য কেউ এদেশ ঠিক করে দেবে না: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের দেশের যত্ন আমাদেরকেই নিতে হবে, আমাদের দেশকে আমাদেরই গড়ে তুলতে হবে। সুতরাং সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি, সচেতন হই, তাহলে আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারবো। আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারলে ভবিষ্যৎ বংশধররা একটি সুন্দর জায়গায় থাকতে পারবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টায় বৃষ্টিমুখর আবহাওয়ার মধ্যে বরিশালের গৌরনদীর সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে বৃক্ষরোপণ ও একযোগে আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, আপনারা জনগণ এই দেশের মালিক। সুতরাং এই দেশের জনগণ, অর্থাৎ এই ঘরের মালিক হিসেবে ঘরের যত্ন আমাদের সকলেরই করতে হবে।

বক্তব্য চলাকালে সামনের খালে ভাসতে থাকা প্লাস্টিকের বোতল দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব জায়গায় যদি ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়, তাহলে খাল-বিল সব বন্ধ হয়ে যাবে। আর খাল-বিল যদি চালু থাকে, পানি প্রবাহিত হয়, তাহলে উপকার এই এলাকার মানুষই পাবে।

অর্থাৎ সারা দেশের খাল-বিল যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলে বন্যার সময় ক্ষতি কম হবে। রাস্তা দিয়ে আসার সময় দেখলাম, যেখানে যেখানে বাজার আছে, সেখানকার আশপাশে বিভিন্ন ধরনের কাগজ, পলিথিন, প্লাস্টিকের ব্যাগ, বোতল ফেলে পরিবেশটা নষ্ট করা হচ্ছে। পরিবেশ যদি নষ্ট হয়, তাহলে ক্ষতি আমাদেরই হবে। ঢাকা শহরে গাড়ির ধোঁয়া, ট্রাকের ধোঁয়া, ইঞ্জিনের ধোঁয়া, ময়লার কারণে মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কিন্তু গ্রামে আসলে কিছুটা ভালো লাগে, বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায়। কিন্তু আবর্জনা দিয়ে সব জায়গা ভরে যায়, তাহলে গোটা দেশের পরিবেশ নষ্ট হবে। তখন ছোট-বড় সব মানুষের ক্ষতি হবে, শ্বাস নিতে কষ্ট হবে, বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ হবে। আমরা এখানে উপস্থিত মিডিয়ার ভাই-বোনদের মাধ্যমে দেশের সমগ্র মানুষকে অনুরোধ করি—আসুন, আমরা চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে। আমাদের কোনো ব্যবহার্য জিনিসের ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেলে, অর্থাৎ পানি খেয়ে পানির বোতল কিংবা প্যাকেটের ব্যবহার শেষ হলে সেটি যেখানে-সেখানে না ফেলি। এতে আমাদের পরিবেশটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশটা নষ্ট হয়ে গেলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি, পরবর্তীতে আমাদের সন্তানেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা নিজে যদি নিজের ঘর নিজে পরিষ্কার না রাখি, নিজের দেশটাকে নিজে ঠিক না রাখি, তাহলে বাইরের দেশ থেকে কেউ এসে ঠিক করে দেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের দেশকে সুন্দর করতে হলে সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। একটি ঘর ৪/৫ জন মানুষ অপরিষ্কার রাখলে একজন মানুষের পক্ষে তা পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তেমনি দেশের ক্ষেত্রেও সম্ভব নয়। আসুন, আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি যত্রতত্র ময়লা ফেলবো না। প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে ফেলে দিতে হলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলবো। এই প্রতিজ্ঞা ও চেষ্টা আমাদের করতে হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, নীরবতা ভাঙলেন শ্রাবন্তী

নিজেরা ঠিক না রাখলে, অন্য কেউ এদেশ ঠিক করে দেবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৫০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের দেশের যত্ন আমাদেরকেই নিতে হবে, আমাদের দেশকে আমাদেরই গড়ে তুলতে হবে। সুতরাং সবাই মিলে যদি চেষ্টা করি, সচেতন হই, তাহলে আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারবো। আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারলে ভবিষ্যৎ বংশধররা একটি সুন্দর জায়গায় থাকতে পারবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টায় বৃষ্টিমুখর আবহাওয়ার মধ্যে বরিশালের গৌরনদীর সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে বৃক্ষরোপণ ও একযোগে আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, আপনারা জনগণ এই দেশের মালিক। সুতরাং এই দেশের জনগণ, অর্থাৎ এই ঘরের মালিক হিসেবে ঘরের যত্ন আমাদের সকলেরই করতে হবে।

বক্তব্য চলাকালে সামনের খালে ভাসতে থাকা প্লাস্টিকের বোতল দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব জায়গায় যদি ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়, তাহলে খাল-বিল সব বন্ধ হয়ে যাবে। আর খাল-বিল যদি চালু থাকে, পানি প্রবাহিত হয়, তাহলে উপকার এই এলাকার মানুষই পাবে।

অর্থাৎ সারা দেশের খাল-বিল যদি ঠিকঠাক থাকে, তাহলে বন্যার সময় ক্ষতি কম হবে। রাস্তা দিয়ে আসার সময় দেখলাম, যেখানে যেখানে বাজার আছে, সেখানকার আশপাশে বিভিন্ন ধরনের কাগজ, পলিথিন, প্লাস্টিকের ব্যাগ, বোতল ফেলে পরিবেশটা নষ্ট করা হচ্ছে। পরিবেশ যদি নষ্ট হয়, তাহলে ক্ষতি আমাদেরই হবে। ঢাকা শহরে গাড়ির ধোঁয়া, ট্রাকের ধোঁয়া, ইঞ্জিনের ধোঁয়া, ময়লার কারণে মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কিন্তু গ্রামে আসলে কিছুটা ভালো লাগে, বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায়। কিন্তু আবর্জনা দিয়ে সব জায়গা ভরে যায়, তাহলে গোটা দেশের পরিবেশ নষ্ট হবে। তখন ছোট-বড় সব মানুষের ক্ষতি হবে, শ্বাস নিতে কষ্ট হবে, বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ হবে। আমরা এখানে উপস্থিত মিডিয়ার ভাই-বোনদের মাধ্যমে দেশের সমগ্র মানুষকে অনুরোধ করি—আসুন, আমরা চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে। আমাদের কোনো ব্যবহার্য জিনিসের ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেলে, অর্থাৎ পানি খেয়ে পানির বোতল কিংবা প্যাকেটের ব্যবহার শেষ হলে সেটি যেখানে-সেখানে না ফেলি। এতে আমাদের পরিবেশটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পরিবেশটা নষ্ট হয়ে গেলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি, পরবর্তীতে আমাদের সন্তানেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা নিজে যদি নিজের ঘর নিজে পরিষ্কার না রাখি, নিজের দেশটাকে নিজে ঠিক না রাখি, তাহলে বাইরের দেশ থেকে কেউ এসে ঠিক করে দেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের দেশকে সুন্দর করতে হলে সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। একটি ঘর ৪/৫ জন মানুষ অপরিষ্কার রাখলে একজন মানুষের পক্ষে তা পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তেমনি দেশের ক্ষেত্রেও সম্ভব নয়। আসুন, আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি যত্রতত্র ময়লা ফেলবো না। প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলে ফেলে দিতে হলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলবো। এই প্রতিজ্ঞা ও চেষ্টা আমাদের করতে হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।