আকাশ নিউজ ডেস্ক:
চাঁদে মানুষের স্থায়ী বসবাস আর কল্পনা নয়—পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যেই সেখানে মানব উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়ছে দ্রুতগতিতে।
চাঁদের বুকে স্থায়ী ঘাঁটি গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভয়েজারের প্রধান নির্বাহী ডিলান টেইলর। সিঙ্গাপুরে এক আলোচনায় তিনি বলেন, ২০২০-এর দশকের শেষ নাগাদ মানুষ আবার চাঁদে যাবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যেই প্রাথমিক ঘাঁটির কিছু অংশ চালু হতে পারে।
তার মতে, শুরুতে চাঁদের ঘাঁটি হবে বিশেষ ধরনের প্রসারণযোগ্য (ভাঁজ করে পাঠানো যায়, পরে বড় করা যায়) আবাস। এগুলো পৃথিবী থেকে ছোট আকারে পাঠানো হবে এবং চাঁদের মাটিতে গিয়ে কয়েকগুণ বড় হয়ে উঠবে। সেখানে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক ব্যবস্থা থাকবে।
টেইলর জানান, আগের মতো স্বল্প সময়ের অভিযান নয়, এবার লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান। ২০৩২ বা ২০৩৩ সালের মধ্যে পৃথিবী থেকে চাঁদের দিকে তাকালে সেখানে মানুষের বসবাস ও কাজের আলোর উপস্থিতি দেখা যেতে পারে।
চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরিতে একাধিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারও এ খাতে বড় অঙ্কের অর্থায়ন দিচ্ছে। সাম্প্রতিক নির্দেশনায় ২০৩০ সালের মধ্যে স্থায়ী চাঁদ ঘাঁটির প্রাথমিক কাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে স্পেসএক্স চাঁদে স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর গড়ার পরিকল্পনা করছে। আর ব্লু অরিজিনও স্থায়ী মানব উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ জোরদার করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাঁদের চরম তাপমাত্রা, বিকিরণ ও ধারালো ধুলোর মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োজন হলেও সেখানে ঘাঁটি নির্মাণ করা সম্ভব।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























