ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আপনাদের সহযোগিতা চাই : নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ নিক করভিনোকে গুলি করে হত্যা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুব কাছের একজন সহকর্মী নিক করভিনো (৩০) কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাকে ১৩ বার গুলি করা হয়েছে। নিহত নিক করভিনোকে একজন ‘সত্যিকার দেশপ্রেমিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন মিরর। এতে বলা হয়, ফ্লোরিডায় রিপাবলিকান দলের সুপরিচিত সমর্থক নিক করভিনো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। কাজ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও সিনেটর মারকো রুবিও’র সঙ্গে। মঙ্গলবার সকালে একটি এলার্ম পেয়ে পুলিশ তার এপার্টমেন্টে অভিযান চালায়। এপার্টমেন্টের কড়া নাড়লে দরজায় এসে সাড়া দেন নিক করভিনোর ফ্লাটমেট স্কট ওয়াডেল (৪৫)। এ সময় স্কটের পরনে ছিল শুধু বক্সার ও একটি টি-শার্ট। তা ছিল রক্তে ভেজা। ভিতরে প্রবেশ করে বিছানার ওপর মৃত অবস্থায় নিক করভিনোকে দেখতে পায় পুলিশ। তার মাথা, পিঠ ও পায়ে অনেক গুলিতে ক্ষত হয়ে ছিল।

এ ঘটনায় স্কট ওয়াডেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে ফার্স্ট-ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ। এর আগের রাতের বেশ কিছু ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে ওই এপার্টমেন্টের ভিতরে স্থাপিত ক্যামেরায়। তাতে দেখা যায়, নিক করভিনোর মৃতদেহ বিছানার এক পাশে টেনে নিচ্ছে স্কট ওয়াডেল। তারপর বেশ কয়েক মিনিট সেদিকে তাকিয়ে থাকে। তাকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশের কাছে বলেছে, নিক করভিনোর সঙ্গে সে ঘটনার রাতে তারা মদ পান করেছেন। তারপর গুলির ঘটনা কখন ঘটেছে তা স্মরণ করতে পারছে না সে। স্কট ওয়াডেল নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে দাবি করেছে। বলেছে, এ জন্য তাকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। পুলিশকে সে বলেছে তার কাছে দুটি অস্ত্র আছে। এর একটি শর্টগান। মাঝে মাঝেই তা দিয়ে যুবকদের হত্যার কথা ভাবতো সে।

ওদিকে নিক করভিনো’র মৃতদেহ সমাহিত করার খরচ যোগাতে অনলাইনে একটি পেজ চালু করা হয়েছে। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘গো ফান্ড মি’। তাতে তাকে একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপনি যদি ফ্লোরিডার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন এবং আপনার যদি কোনো সাহায্য দরকার হয় তাহলে আপনার পাশে এসে দাঁড়াতেন নিক করভিনো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ নিক করভিনোকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:২৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুব কাছের একজন সহকর্মী নিক করভিনো (৩০) কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাকে ১৩ বার গুলি করা হয়েছে। নিহত নিক করভিনোকে একজন ‘সত্যিকার দেশপ্রেমিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন মিরর। এতে বলা হয়, ফ্লোরিডায় রিপাবলিকান দলের সুপরিচিত সমর্থক নিক করভিনো। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। কাজ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও সিনেটর মারকো রুবিও’র সঙ্গে। মঙ্গলবার সকালে একটি এলার্ম পেয়ে পুলিশ তার এপার্টমেন্টে অভিযান চালায়। এপার্টমেন্টের কড়া নাড়লে দরজায় এসে সাড়া দেন নিক করভিনোর ফ্লাটমেট স্কট ওয়াডেল (৪৫)। এ সময় স্কটের পরনে ছিল শুধু বক্সার ও একটি টি-শার্ট। তা ছিল রক্তে ভেজা। ভিতরে প্রবেশ করে বিছানার ওপর মৃত অবস্থায় নিক করভিনোকে দেখতে পায় পুলিশ। তার মাথা, পিঠ ও পায়ে অনেক গুলিতে ক্ষত হয়ে ছিল।

এ ঘটনায় স্কট ওয়াডেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে ফার্স্ট-ডিগ্রি হত্যার অভিযোগ। এর আগের রাতের বেশ কিছু ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে ওই এপার্টমেন্টের ভিতরে স্থাপিত ক্যামেরায়। তাতে দেখা যায়, নিক করভিনোর মৃতদেহ বিছানার এক পাশে টেনে নিচ্ছে স্কট ওয়াডেল। তারপর বেশ কয়েক মিনিট সেদিকে তাকিয়ে থাকে। তাকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশের কাছে বলেছে, নিক করভিনোর সঙ্গে সে ঘটনার রাতে তারা মদ পান করেছেন। তারপর গুলির ঘটনা কখন ঘটেছে তা স্মরণ করতে পারছে না সে। স্কট ওয়াডেল নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে দাবি করেছে। বলেছে, এ জন্য তাকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। পুলিশকে সে বলেছে তার কাছে দুটি অস্ত্র আছে। এর একটি শর্টগান। মাঝে মাঝেই তা দিয়ে যুবকদের হত্যার কথা ভাবতো সে।

ওদিকে নিক করভিনো’র মৃতদেহ সমাহিত করার খরচ যোগাতে অনলাইনে একটি পেজ চালু করা হয়েছে। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘গো ফান্ড মি’। তাতে তাকে একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপনি যদি ফ্লোরিডার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন এবং আপনার যদি কোনো সাহায্য দরকার হয় তাহলে আপনার পাশে এসে দাঁড়াতেন নিক করভিনো।