ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দেওয়া যাবে কি?

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইসলামে সুদ পৃথিবীতে বিদ্যমান হারাম কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম জঘন্য ও ভয়াবহ বলে অভিহিত করেছে। সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দান করা যাবে কিনা।

সম্প্রতি সুদের টাকার বিষয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে ইসলামের বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, সুদের টাকা দান করে দিতে হবে। এখন গরিব-মিসকিনকে দিলে তার মনে কষ্ট পেতে পারে এমন চিন্তা থেকে যদি না বলে দেন, তাতে জায়েজ হবে। কারণ তার কাজ হচ্ছে ভোগ করা। আপনি না বলে দিলেও জায়েজ হবে।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সুদকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অন্য আয়াতে (সূরা বাকারা: ২৭৮, ২৭৯) আল্লাহ মুমিনদের সুদ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, যারা সুদ বর্জন করবে না, তারা আল্লাহ ও তার রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষকে সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। জাবির (রা.) ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, তিনি সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং সুদের সাক্ষীদের অভিশাপ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেছেন, তারা সবাই সমপর্যায়ের দোষী (সহিহ মুসলিম: ১৫৯৮)। এই হাদিসটি সুদের লেনদেনের সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দেওয়া যাবে কি?

আপডেট সময় ০২:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইসলামে সুদ পৃথিবীতে বিদ্যমান হারাম কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম জঘন্য ও ভয়াবহ বলে অভিহিত করেছে। সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দান করা যাবে কিনা।

সম্প্রতি সুদের টাকার বিষয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে ইসলামের বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, সুদের টাকা দান করে দিতে হবে। এখন গরিব-মিসকিনকে দিলে তার মনে কষ্ট পেতে পারে এমন চিন্তা থেকে যদি না বলে দেন, তাতে জায়েজ হবে। কারণ তার কাজ হচ্ছে ভোগ করা। আপনি না বলে দিলেও জায়েজ হবে।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সুদকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অন্য আয়াতে (সূরা বাকারা: ২৭৮, ২৭৯) আল্লাহ মুমিনদের সুদ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, যারা সুদ বর্জন করবে না, তারা আল্লাহ ও তার রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষকে সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। জাবির (রা.) ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, তিনি সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং সুদের সাক্ষীদের অভিশাপ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেছেন, তারা সবাই সমপর্যায়ের দোষী (সহিহ মুসলিম: ১৫৯৮)। এই হাদিসটি সুদের লেনদেনের সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করে।