ঢাকা ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দেওয়া যাবে কি?

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইসলামে সুদ পৃথিবীতে বিদ্যমান হারাম কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম জঘন্য ও ভয়াবহ বলে অভিহিত করেছে। সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দান করা যাবে কিনা।

সম্প্রতি সুদের টাকার বিষয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে ইসলামের বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, সুদের টাকা দান করে দিতে হবে। এখন গরিব-মিসকিনকে দিলে তার মনে কষ্ট পেতে পারে এমন চিন্তা থেকে যদি না বলে দেন, তাতে জায়েজ হবে। কারণ তার কাজ হচ্ছে ভোগ করা। আপনি না বলে দিলেও জায়েজ হবে।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সুদকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অন্য আয়াতে (সূরা বাকারা: ২৭৮, ২৭৯) আল্লাহ মুমিনদের সুদ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, যারা সুদ বর্জন করবে না, তারা আল্লাহ ও তার রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষকে সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। জাবির (রা.) ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, তিনি সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং সুদের সাক্ষীদের অভিশাপ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেছেন, তারা সবাই সমপর্যায়ের দোষী (সহিহ মুসলিম: ১৫৯৮)। এই হাদিসটি সুদের লেনদেনের সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দেওয়া যাবে কি?

আপডেট সময় ০২:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইসলামে সুদ পৃথিবীতে বিদ্যমান হারাম কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম জঘন্য ও ভয়াবহ বলে অভিহিত করেছে। সুদের টাকা গরিব-মিসকিনকে না বলে দান করা যাবে কিনা।

সম্প্রতি সুদের টাকার বিষয়ে এমন প্রশ্নের জবাবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে ইসলামের বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

তিনি বলেন, সুদের টাকা দান করে দিতে হবে। এখন গরিব-মিসকিনকে দিলে তার মনে কষ্ট পেতে পারে এমন চিন্তা থেকে যদি না বলে দেন, তাতে জায়েজ হবে। কারণ তার কাজ হচ্ছে ভোগ করা। আপনি না বলে দিলেও জায়েজ হবে।

সুদের বিষয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সুদকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসা হালাল করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অন্য আয়াতে (সূরা বাকারা: ২৭৮, ২৭৯) আল্লাহ মুমিনদের সুদ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, যারা সুদ বর্জন করবে না, তারা আল্লাহ ও তার রাসুলের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত সকল পক্ষকে সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। জাবির (রা.) ও আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, তিনি সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং সুদের সাক্ষীদের অভিশাপ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেছেন, তারা সবাই সমপর্যায়ের দোষী (সহিহ মুসলিম: ১৫৯৮)। এই হাদিসটি সুদের লেনদেনের সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করে।