ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

জ্বালানি খাতে মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাতে সরকারকে প্রতি মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা জানান।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সরকার জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখতে এই ভর্তুকি চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, তারপরও বিভিন্ন এলাকায় অনেকে অতিরিক্ত মুনাফার লক্ষ্যে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের চেষ্টা করছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে সেই সব অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জ্বালানি তেলের মজুদের অবস্থা জানানোর চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল মজুদ আছে। অতিরিক্ত মজুদের যেমন প্রয়োজন নেই, তেমনি প্যানিক হওয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের বিষয়ে অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে ৩৬১টি অভিযান পরিচালনা করে ১৯২টি মামলার মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৫০ টাকা এবং কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে দুইজনকে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সর্বমোট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৪২টি। মামলা হয়েছে ৩১টি। সর্বমোট অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। আর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ৩৬ জনকে।

তিনি বলেন, এ যাবত উদ্ধারকৃত মোট জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ২৪৭ লিটার। অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬২১ লিটার এবং পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ হাজার ৩৭৪ লিটার। মোট ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

জ্বালানি খাতে মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি খাতে সরকারকে প্রতি মাসে আড়াই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা জানান।

মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সরকার জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখতে এই ভর্তুকি চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, তারপরও বিভিন্ন এলাকায় অনেকে অতিরিক্ত মুনাফার লক্ষ্যে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের চেষ্টা করছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে সেই সব অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জ্বালানি তেলের মজুদের অবস্থা জানানোর চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল মজুদ আছে। অতিরিক্ত মজুদের যেমন প্রয়োজন নেই, তেমনি প্যানিক হওয়ারও কোনো প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, গতকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেলের বিষয়ে অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে ৩৬১টি অভিযান পরিচালনা করে ১৯২টি মামলার মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে ৫ লাখ ৭৯ হাজার ৫০ টাকা এবং কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে দুইজনকে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত সর্বমোট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে ৭ হাজার ৩৪২টি। মামলা হয়েছে ৩১টি। সর্বমোট অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। আর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ৩৬ জনকে।

তিনি বলেন, এ যাবত উদ্ধারকৃত মোট জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে ৩ লাখ ৫ হাজার ২৪৭ লিটার। অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬২১ লিটার এবং পেট্রোল উদ্ধার করা হয়েছে ৮০ হাজার ৩৭৪ লিটার। মোট ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।