ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চা সামনের ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সব জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি জানান কৃতজ্ঞতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে খাটো করা হয়েছে, তা থেকেই প্রমাণিত হয়েছে, তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র। হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরেই লালন করেছেন। নিজের লিখিত ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধে তিনি সব স্পষ্ট করেছেন। সেটা প্রকাশ হওয়ার পর কারও দিক থেকে কোনো আপত্তি আসেনি। অথচ পরবর্তীতে তাকে খাটো করার কত চেষ্টা হয়েছে।

শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার সরকার। সমাজের একটি অংশ নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে ভালো থাকাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

তারেক রহমান মনে করিয়ে দেন, আকাঙ্খা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০০:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ। অতীতকে ভুলে যাওয়া চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চা সামনের ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সব জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি জানান কৃতজ্ঞতা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে জিয়াউর রহমানকে খাটো করা হয়েছে, তা থেকেই প্রমাণিত হয়েছে, তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য চরিত্র। হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি জিয়াউর রহমান। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরেই লালন করেছেন। নিজের লিখিত ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধে তিনি সব স্পষ্ট করেছেন। সেটা প্রকাশ হওয়ার পর কারও দিক থেকে কোনো আপত্তি আসেনি। অথচ পরবর্তীতে তাকে খাটো করার কত চেষ্টা হয়েছে।

শহীদ জিয়া মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য চরিত্র, তা লুকানোর কোনো সুযোগ নেই বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার সরকার। সমাজের একটি অংশ নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিয়ে ভালো থাকাই হোক স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার।

তারেক রহমান মনে করিয়ে দেন, আকাঙ্খা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবেন।