ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও গৌরবময় অর্জন।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সভায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনারও অবতারণা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে, তিনি বিনয়ের সঙ্গে তা গ্রহণ না করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এ প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশে শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়।

একে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাই এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি এই দায়িত্বে নতুন হলেও মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান।

এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও গৌরবময় অর্জন।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয় ও গৌরবের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সভায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনারও অবতারণা হয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে চাইলে, তিনি বিনয়ের সঙ্গে তা গ্রহণ না করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

এ প্রসঙ্গে আহমেদ আযম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না যে আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ফুল বিনিময়ের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় হোক।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে যে দেশে শুধু আনুষ্ঠানিকতা পালনের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ফুলের পেছনে ব্যয় হয়।

একে তিনি অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তাই এমন ব্যয় এড়িয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, তিনি এই দায়িত্বে নতুন হলেও মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা নিয়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চান।

এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।