ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানকে সতর্ক করলেন এরদোয়ান হাদি হত্যার বিচার যেনো সত্যিকার অর্থে ন্যায় বিচার হয় : নাহিদ ইসলাম মামলা বাণিজ্য অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে: আইনমন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে লাগবে না স্নাতক পাশ আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার টোকা দিয়ে ফেলার চেষ্টা করো না: মির্জা আব্বাস ৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী তিনদিন ব্যাপী ঈদ উৎসব আয়োজন করবে এনসিপি ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বিএনপির ইমেজ নষ্ট করতে একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে: চসিক মেয়র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের উপদেষ্টার পদায়ন চান জামায়াত আমির

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, জনবান্ধব এ কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনসহ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিভিন্ন সূচক অর্জনে কাজ করা হচ্ছে। দেশের ১৪টি স্থানে এই কার্যক্রমের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিজিটাল ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই ৩৭ হাজার ৫৬৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের কাছে আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে গেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর টিএন্ডটি খেলার মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ জেড এম জাহিদ এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই ফ্যামিলি কার্ড ব্যবস্থার বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একটি সর্বজনীন বা ইউনিভার্সাল ব্যবস্থা। এখানে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করা হবে না; বরং বাংলাদেশের নাগরিক পরিচয়ই হবে প্রধান ভিত্তি।

জাহিদ হোসেন আরও বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৯৫টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে, যাতে দলীয় বিবেচনায় কার্ড দেওয়ার মতো অতীতের অনিয়ম আর না থাকে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সেবা পান।

তিনি বলেন, সবাই কার্ড পেলেও সবাই আর্থিক সুবিধাভোগী হবেন না। কার্ডে কিউআর কোড থাকবে এবং যেসব নাগরিক স্বচ্ছল বা উচ্চবিত্ত, তারা চাইলে তাদের কার্ডের অর্থ রাষ্ট্রকে দান করতে পারবেন, যা দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন নাগরিকের বিভিন্ন সরকারি সেবা এই কার্ডের মাধ্যমে নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, এই কর্মসূচির পেছনে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি রয়েছে এবং এটি কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়নের যে পথ তৈরি করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:০০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, জনবান্ধব এ কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনসহ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিভিন্ন সূচক অর্জনে কাজ করা হচ্ছে। দেশের ১৪টি স্থানে এই কার্যক্রমের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিজিটাল ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গেই ৩৭ হাজার ৫৬৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের কাছে আড়াই হাজার টাকা করে পৌঁছে গেছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর টিএন্ডটি খেলার মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এ জেড এম জাহিদ এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই ফ্যামিলি কার্ড ব্যবস্থার বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একটি সর্বজনীন বা ইউনিভার্সাল ব্যবস্থা। এখানে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে আলাদা করা হবে না; বরং বাংলাদেশের নাগরিক পরিচয়ই হবে প্রধান ভিত্তি।

জাহিদ হোসেন আরও বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৯৫টি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে, যাতে দলীয় বিবেচনায় কার্ড দেওয়ার মতো অতীতের অনিয়ম আর না থাকে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সেবা পান।

তিনি বলেন, সবাই কার্ড পেলেও সবাই আর্থিক সুবিধাভোগী হবেন না। কার্ডে কিউআর কোড থাকবে এবং যেসব নাগরিক স্বচ্ছল বা উচ্চবিত্ত, তারা চাইলে তাদের কার্ডের অর্থ রাষ্ট্রকে দান করতে পারবেন, যা দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন নাগরিকের বিভিন্ন সরকারি সেবা এই কার্ডের মাধ্যমে নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী জানান, এই কর্মসূচির পেছনে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি রয়েছে এবং এটি কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়নের যে পথ তৈরি করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।