ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব ইরানের ৪২ যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের দাবি ট্রাম্পের গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে দিল্লি: প্রণয় ভার্মা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিলেই আক্রমণ, প্রতিবেশীদের হুঁশিয়ারি ইরানের শেখ হাসিনা সরকারের প্রবণতা এই সরকারেও দেখতে পাচ্ছি: নাহিদ ইসলাম সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: জোনায়েদ সাকি কুমিল্লায় মন্দিরে দুর্বৃত্তের রেখে যাওয়া ককটেল বিস্ফোরণ, পুরোহিতসহ আহত ৪ আবেগি পোস্ট দিয়ে দলের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত নেতা জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলারের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান: ব্লুমবার্গ চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখে আজকের মুসলিম বিশ্ব: মামুনুল হক

কারও মন ভেঙে বিশ্বকাপ নিতে কার না ভালো লাগে

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

শিরোপার লক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার (৭ মার্চ) ফাইনালে নামছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ।

তার আগে ভারতকে এক প্রকার হুমকিই দিয়ে রাখলেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। মাঠভর্তি ভারতীয় দর্শকদের চুপ করিয়ে দিতে চান তিনি। একইসঙ্গে হৃদয় ভেঙে চুরমার করে দিতে চান। কামিন্স ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেও ঠিক একই রকম কথা বলেছিলেন।

শনিবার (৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাকিদকের স্যান্টার বলেন, ‘ওটাই লক্ষ্য। দর্শকদের চুপ করিয়ে দেওয়া।’ স্যান্টনারের এই মন্তব্য কি ভারতীয়দের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য? হতে পারে। এমনকি ক্রিকেটাররাও এই বক্তব্যে প্রভাবিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

ভারত ক্রিকেট অন্তপ্রাণ জাতি। তাদের সামনে নিউজিল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে প্রত্যেকের হৃদয় ভাঙবে। ভাঙাভাঙির সেই কাজটিই করতে চান স্যান্টনার। ‘আমরা জানি আমরা পারি। যদি আমরা ছোট ছোট বিষয়গুলো ঠিকভাবে করি এবং শক্তিশালী দলীয় পারফরম্যান্স দিই, তাহলে আমরা নিজেদের এমন একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব যেখানে আশা করা যায় ট্রফিটা জিততে পারব। ট্রফি জিততে গিয়ে যদি কয়েকটা হৃদয় ভাঙতে হয়, তাতে আমার আপত্তি নেই।’

ফাইনাল যাত্রায় নিউজিল্যান্ড ৮ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতেছে (একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল)। তারা সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে পেয়েছে। প্রোটিয়াদের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ফিন অ্যালেনের ধ্বংসাত্মক ইনিংসে নিউজিল্যান্ড জিতে যায় ১২.৫ ওভারের মধ্যে। ফাইনাল নিয়েও তারা আত্মবিশ্বাসী।

স্যান্টনার বলেন, ‘আপনি এই দলটিকে দেখুন এবং অতীতে যেসব দল ছিল সেগুলোকেও দেখুন। আমরা বেশ ধারাবাহিক, কারণ আমরা পরিস্থিতি বা প্রতিপক্ষ দেখে ভয় পাই না। মাঠে যাই এবং আমাদের কাজটা করি। একটি ইউনিট হিসেবে এবারও তার কোনো ভিন্নতা নেই। আর অবশ্যই এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে, যেখানে সবাই জানে যে আমরা সম্ভবত ফেভারিট নই। কিন্তু এতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

কারও মন ভেঙে বিশ্বকাপ নিতে কার না ভালো লাগে

আপডেট সময় ০৫:০০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

শিরোপার লক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার (৭ মার্চ) ফাইনালে নামছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ।

তার আগে ভারতকে এক প্রকার হুমকিই দিয়ে রাখলেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। মাঠভর্তি ভারতীয় দর্শকদের চুপ করিয়ে দিতে চান তিনি। একইসঙ্গে হৃদয় ভেঙে চুরমার করে দিতে চান। কামিন্স ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেও ঠিক একই রকম কথা বলেছিলেন।

শনিবার (৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাকিদকের স্যান্টার বলেন, ‘ওটাই লক্ষ্য। দর্শকদের চুপ করিয়ে দেওয়া।’ স্যান্টনারের এই মন্তব্য কি ভারতীয়দের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য? হতে পারে। এমনকি ক্রিকেটাররাও এই বক্তব্যে প্রভাবিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

ভারত ক্রিকেট অন্তপ্রাণ জাতি। তাদের সামনে নিউজিল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে প্রত্যেকের হৃদয় ভাঙবে। ভাঙাভাঙির সেই কাজটিই করতে চান স্যান্টনার। ‘আমরা জানি আমরা পারি। যদি আমরা ছোট ছোট বিষয়গুলো ঠিকভাবে করি এবং শক্তিশালী দলীয় পারফরম্যান্স দিই, তাহলে আমরা নিজেদের এমন একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব যেখানে আশা করা যায় ট্রফিটা জিততে পারব। ট্রফি জিততে গিয়ে যদি কয়েকটা হৃদয় ভাঙতে হয়, তাতে আমার আপত্তি নেই।’

ফাইনাল যাত্রায় নিউজিল্যান্ড ৮ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতেছে (একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল)। তারা সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে পেয়েছে। প্রোটিয়াদের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ফিন অ্যালেনের ধ্বংসাত্মক ইনিংসে নিউজিল্যান্ড জিতে যায় ১২.৫ ওভারের মধ্যে। ফাইনাল নিয়েও তারা আত্মবিশ্বাসী।

স্যান্টনার বলেন, ‘আপনি এই দলটিকে দেখুন এবং অতীতে যেসব দল ছিল সেগুলোকেও দেখুন। আমরা বেশ ধারাবাহিক, কারণ আমরা পরিস্থিতি বা প্রতিপক্ষ দেখে ভয় পাই না। মাঠে যাই এবং আমাদের কাজটা করি। একটি ইউনিট হিসেবে এবারও তার কোনো ভিন্নতা নেই। আর অবশ্যই এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে, যেখানে সবাই জানে যে আমরা সম্ভবত ফেভারিট নই। কিন্তু এতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।