ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কারও মন ভেঙে বিশ্বকাপ নিতে কার না ভালো লাগে

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

শিরোপার লক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার (৭ মার্চ) ফাইনালে নামছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ।

তার আগে ভারতকে এক প্রকার হুমকিই দিয়ে রাখলেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। মাঠভর্তি ভারতীয় দর্শকদের চুপ করিয়ে দিতে চান তিনি। একইসঙ্গে হৃদয় ভেঙে চুরমার করে দিতে চান। কামিন্স ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেও ঠিক একই রকম কথা বলেছিলেন।

শনিবার (৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাকিদকের স্যান্টার বলেন, ‘ওটাই লক্ষ্য। দর্শকদের চুপ করিয়ে দেওয়া।’ স্যান্টনারের এই মন্তব্য কি ভারতীয়দের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য? হতে পারে। এমনকি ক্রিকেটাররাও এই বক্তব্যে প্রভাবিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

ভারত ক্রিকেট অন্তপ্রাণ জাতি। তাদের সামনে নিউজিল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে প্রত্যেকের হৃদয় ভাঙবে। ভাঙাভাঙির সেই কাজটিই করতে চান স্যান্টনার। ‘আমরা জানি আমরা পারি। যদি আমরা ছোট ছোট বিষয়গুলো ঠিকভাবে করি এবং শক্তিশালী দলীয় পারফরম্যান্স দিই, তাহলে আমরা নিজেদের এমন একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব যেখানে আশা করা যায় ট্রফিটা জিততে পারব। ট্রফি জিততে গিয়ে যদি কয়েকটা হৃদয় ভাঙতে হয়, তাতে আমার আপত্তি নেই।’

ফাইনাল যাত্রায় নিউজিল্যান্ড ৮ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতেছে (একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল)। তারা সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে পেয়েছে। প্রোটিয়াদের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ফিন অ্যালেনের ধ্বংসাত্মক ইনিংসে নিউজিল্যান্ড জিতে যায় ১২.৫ ওভারের মধ্যে। ফাইনাল নিয়েও তারা আত্মবিশ্বাসী।

স্যান্টনার বলেন, ‘আপনি এই দলটিকে দেখুন এবং অতীতে যেসব দল ছিল সেগুলোকেও দেখুন। আমরা বেশ ধারাবাহিক, কারণ আমরা পরিস্থিতি বা প্রতিপক্ষ দেখে ভয় পাই না। মাঠে যাই এবং আমাদের কাজটা করি। একটি ইউনিট হিসেবে এবারও তার কোনো ভিন্নতা নেই। আর অবশ্যই এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে, যেখানে সবাই জানে যে আমরা সম্ভবত ফেভারিট নই। কিন্তু এতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

কারও মন ভেঙে বিশ্বকাপ নিতে কার না ভালো লাগে

আপডেট সময় ০৫:০০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

শিরোপার লক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার (৭ মার্চ) ফাইনালে নামছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ।

তার আগে ভারতকে এক প্রকার হুমকিই দিয়ে রাখলেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। মাঠভর্তি ভারতীয় দর্শকদের চুপ করিয়ে দিতে চান তিনি। একইসঙ্গে হৃদয় ভেঙে চুরমার করে দিতে চান। কামিন্স ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগেও ঠিক একই রকম কথা বলেছিলেন।

শনিবার (৭ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে সাংবাকিদকের স্যান্টার বলেন, ‘ওটাই লক্ষ্য। দর্শকদের চুপ করিয়ে দেওয়া।’ স্যান্টনারের এই মন্তব্য কি ভারতীয়দের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য? হতে পারে। এমনকি ক্রিকেটাররাও এই বক্তব্যে প্রভাবিত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

ভারত ক্রিকেট অন্তপ্রাণ জাতি। তাদের সামনে নিউজিল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে প্রত্যেকের হৃদয় ভাঙবে। ভাঙাভাঙির সেই কাজটিই করতে চান স্যান্টনার। ‘আমরা জানি আমরা পারি। যদি আমরা ছোট ছোট বিষয়গুলো ঠিকভাবে করি এবং শক্তিশালী দলীয় পারফরম্যান্স দিই, তাহলে আমরা নিজেদের এমন একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব যেখানে আশা করা যায় ট্রফিটা জিততে পারব। ট্রফি জিততে গিয়ে যদি কয়েকটা হৃদয় ভাঙতে হয়, তাতে আমার আপত্তি নেই।’

ফাইনাল যাত্রায় নিউজিল্যান্ড ৮ ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে জিতেছে (একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল)। তারা সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে পেয়েছে। প্রোটিয়াদের দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ফিন অ্যালেনের ধ্বংসাত্মক ইনিংসে নিউজিল্যান্ড জিতে যায় ১২.৫ ওভারের মধ্যে। ফাইনাল নিয়েও তারা আত্মবিশ্বাসী।

স্যান্টনার বলেন, ‘আপনি এই দলটিকে দেখুন এবং অতীতে যেসব দল ছিল সেগুলোকেও দেখুন। আমরা বেশ ধারাবাহিক, কারণ আমরা পরিস্থিতি বা প্রতিপক্ষ দেখে ভয় পাই না। মাঠে যাই এবং আমাদের কাজটা করি। একটি ইউনিট হিসেবে এবারও তার কোনো ভিন্নতা নেই। আর অবশ্যই এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে, যেখানে সবাই জানে যে আমরা সম্ভবত ফেভারিট নই। কিন্তু এতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।