ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

যে কারণে ভেঙে যায় রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনীর সুখের সংসার

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিষয়টি অবাক করেছিলো দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া তাদের সুখের সংসার?

পুরনো সম্পর্কের সেই অজানা টানাপড়েন এবং বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে দীর্ঘ সময় পর মুখ খুললেন রবি চৌধুরী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

যে কারণে ভেঙে যায় রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনীর সুখের সংসার

আপডেট সময় ০২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিষয়টি অবাক করেছিলো দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া তাদের সুখের সংসার?

পুরনো সম্পর্কের সেই অজানা টানাপড়েন এবং বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে দীর্ঘ সময় পর মুখ খুললেন রবি চৌধুরী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।