ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যে কারণে ভেঙে যায় রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনীর সুখের সংসার

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিষয়টি অবাক করেছিলো দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া তাদের সুখের সংসার?

পুরনো সম্পর্কের সেই অজানা টানাপড়েন এবং বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে দীর্ঘ সময় পর মুখ খুললেন রবি চৌধুরী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

যে কারণে ভেঙে যায় রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনীর সুখের সংসার

আপডেট সময় ০২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিষয়টি অবাক করেছিলো দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া তাদের সুখের সংসার?

পুরনো সম্পর্কের সেই অজানা টানাপড়েন এবং বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে দীর্ঘ সময় পর মুখ খুললেন রবি চৌধুরী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।