ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

যে কারণে ভেঙে যায় রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনীর সুখের সংসার

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিষয়টি অবাক করেছিলো দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া তাদের সুখের সংসার?

পুরনো সম্পর্কের সেই অজানা টানাপড়েন এবং বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে দীর্ঘ সময় পর মুখ খুললেন রবি চৌধুরী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ২০ জন আটক

যে কারণে ভেঙে যায় রবি চৌধুরী-ডলি সায়ন্তনীর সুখের সংসার

আপডেট সময় ০২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

সংগীতশিল্পী দম্পতি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। হঠাৎ করেই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন তারা। বিষয়টি অবাক করেছিলো দুই তারকার ভক্তদেরও। কিন্তু কেন ভেঙে গিয়েছিলো ভালোবেসে গড়া তাদের সুখের সংসার?

পুরনো সম্পর্কের সেই অজানা টানাপড়েন এবং বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে দীর্ঘ সময় পর মুখ খুললেন রবি চৌধুরী।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে ব্যক্তিগত জীবনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ‘প্রেম দাও’ খ্যাত গায়ক রবি চৌধুরী। ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে ডিভোর্সের ব্যাপারে তিনি জানান, ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা নম্বর থেকে পরকীয়ার সন্দেহের শুরু। সন্দেহে ডলির অভিভাবককে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করা হলে দেখা যায় ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই।

‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ডলির পরকীয়ার প্রমাণ হওয়ায় ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

পডকাস্টে পুরনো সম্পর্কের টানাপড়েন ও বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে রবি জানান, কোরিয়া থাকাকালীন বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। সেই লোক সেখানে তাদের গাড়ি চালাতেন। তার সঙ্গে পরবর্তীতে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি। ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

তিনি জানান, সেই নম্বরটির নিয়ে তার মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরবর্তীতে সব সন্দেহ মজবুত হলে ডলির অভিভাবক হিসেবে তার বড় ভাই বাদশা বুলবুলকে ডেকে সেই ফোন নম্বরটি যাচাই করান। তখন দেখা যায়, ওই নামে তাদের কোনো দুলাভাই নেই। তখনই ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রবি চৌধুরী।

রবি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় ধরা পড়ে গিয়ে ডলি মিডিয়ার কাছে বিপ্লবকে তার ‘ভাগিনা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরই ডলি ওই বিপ্লবের বাড়ি যান। তার বাড়ি ছিলো ‘ফুলজানি’ গ্রামে। তখন বিষয়টি আবারও সংবাদের শিরোনাম হয়।

রবির মতে, এই ঘটনার মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে যে তার সন্দেহ সঠিক ছিল।