আকাশ জাতীয় ডেস্ক:
একদিন বিরতির পর ফের দরপতন হচ্ছে শেয়ারবাজারে। আজ মঙ্গলবার দিনের লেনদেনের শুরুতে বেশিরভাগ শেয়ার দর হারিয়েছে। অন্যদিকে বিক্রির চাপে বেড়েছে শেয়ার কেনাবেচা।
সকাল ১০টায় লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৭৫ শতাংশের বেশি শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এতে প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৮৫ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৪৪৮ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। এ সময় সূচক পতনের হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।
অবশ্য সকাল ১০টায় লেনদেন শুরুর ১৭ মিনিট পর সূচকটি সর্বোচ্চ ১০২ পয়েন্ট হারিয়ে ৫৪৪২ পয়েন্ট পর্যন্ত নেমেছিল। এ সময় সূচকটির পতনের হার ছিল ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
এর পর কিছু শেয়ারের ক্রয় বৃদ্ধি পেলে শেয়ারগুলোর দরবৃদ্ধি পায়, তাতে সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে সূচকটি আগের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে ৪০ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪৮২ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠে এসেছিল।
তবে বিক্রি চাপ সামাল দেওয়ার মতো যথেষ্ট ক্রেতা আগ্রহ না থাকায় ফের শেয়ারদর ও সূচক নিম্নমুখী হয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বেলা ১১টা পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকতে দেখা গেছে।
ইরানে আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে সংকট ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কায় ভীত বিনিয়োগকারীরা। আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ দরপতন হচ্ছে বলে মনে করছেন দেশের একাধিক শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহীরা।
তারা জানান- এ ভয় বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ এশিয়ার সব বড় বাজারে সোমবারের বড় দরপতন। আজ মঙ্গলবারও এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে দরপতন অব্যাহত আছে।
মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া এবং ব্যাপক দরবৃদ্ধির জেরে এ দরপতন বলে জানাচ্ছেন বৈশ্বিক আর্থিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
দেখা গেছে- সকাল ১১টায় ডিএসইতে ২৯০ শেয়ার ও মিউচুয়াল দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। এ সময় দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ৫৮টি শেয়ার। দর অপরিবর্তিত অবস্থায় কেনাবেচা হচ্ছিল ৩৫ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড।
দরপতন হচ্ছে সব খাতে। বরাবরের মতো কেনাবেচা বেশি হচ্ছে ব্যাংক খাতের শেয়ার। প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে ৩০৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। সোমবার প্রথম ঘণ্টায় ২১৫ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল।
আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়া গতকালের তুলনায় আজ প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন বেড়েছে বলে মনে করছেন ব্রোকারেজ হাউসের কর্মকর্তারা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























