ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

আবগারি শুল্ক নামটাই পাল্টাতে চান অর্থমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাজেট প্রস্তাবে লাখ টাকার ওপরের ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক বৃদ্ধির কথা বলার পর সমালোচনার মুখে এই শুল্কের নাম পাল্টে দেয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সেই সঙ্গে শুল্কের হারও পাল্টানো হবে বলে জানান তিনি।

রবিবার সচিবালয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ২০১৭-১৮ সালের বর্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আবগারি শুল্ক নিয়ে নানা ধরনের কথা হচ্ছে। এটা নিয়ে যখন এত কথা হচ্ছে তখন বাজেট পাস করার সময় শুল্কের হার পরিবর্তন করা হবে।

মুহিত বলেন, ‘আমাদের আর্থিক খাত নিয়ে বাজারে অনেক সমালোচনা রয়েছে। বিশেষ করে বাজেট দেয়ার পরে সমালোচনা উচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। অনেক সময় হয় কি, যখন আর কোনোকিছু খুঁজে পাওয়া যায় না তখন একটা কিছু বের করতে হয়। সেটা এবার সবচেয়ে বেশি হয়েছে। যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের উপর শো কল্ড আবগারি শুল্ক আদায় করা হয়। নাম ঠিক নয় মনে হয়, নামটা আমরা পরিবর্তন করবো। ইনকাম ট্যাক্সের আদলে কিছু একটা নাম দেয়া হবে।’

তবে শুল্ক প্রস্তাব কতটা কমবে সেটা জানতে চলতি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

টাকা পাচারের বন্ধে কি ধরনের উদ্যেগ গ্রহণ করছেন এক প্রশ্নে উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কালো টাকা বাড়ছে বেশ কিছু আইন বা বিধির কারনে। তাই টাকা পাচার বন্ধে অর্থাৎ উৎস বন্ধে আইন বা বিধির সংস্কারসহ বেশকিছু উদোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে অনত্যম হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় জমি দাম সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু সরকারের নির্ধরীত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে জমি কেনাবেচা হয়। কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয় সরকারের নির্ধারিত মুল্যে। তাই এলাকাভিত্তিক নির্ধারিত মূল্য তুলে দিয়ে তা বাজারভিত্তিক করে দেয়া হবে।’

গত ১ জুন প্রস্তাবিত বাজেটে এক লাখ টাকার ঊর্ধ্ব থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। একইভাবে ১০ লাখের ঊর্ধ্ব থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত এক হাজার ৫০০ টাকার বদলে দুই হাজার ৫০০ টাকা, এক কোটি ঊর্ধ্ব থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত সাত হাজার ৫০০ টাকার বদলে ১২ হাজার টাকা এবং পাঁচ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের হিসাবে ১৫ হাজার টাকার বদলে ২৫ হাজার টাকা আবগারি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রীর আবগারী শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাবের সমালোচনা হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকেও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবগারি শুল্ক নামটাই পাল্টাতে চান অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাজেট প্রস্তাবে লাখ টাকার ওপরের ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক বৃদ্ধির কথা বলার পর সমালোচনার মুখে এই শুল্কের নাম পাল্টে দেয়ার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সেই সঙ্গে শুল্কের হারও পাল্টানো হবে বলে জানান তিনি।

রবিবার সচিবালয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ২০১৭-১৮ সালের বর্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আবগারি শুল্ক নিয়ে নানা ধরনের কথা হচ্ছে। এটা নিয়ে যখন এত কথা হচ্ছে তখন বাজেট পাস করার সময় শুল্কের হার পরিবর্তন করা হবে।

মুহিত বলেন, ‘আমাদের আর্থিক খাত নিয়ে বাজারে অনেক সমালোচনা রয়েছে। বিশেষ করে বাজেট দেয়ার পরে সমালোচনা উচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। অনেক সময় হয় কি, যখন আর কোনোকিছু খুঁজে পাওয়া যায় না তখন একটা কিছু বের করতে হয়। সেটা এবার সবচেয়ে বেশি হয়েছে। যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের উপর শো কল্ড আবগারি শুল্ক আদায় করা হয়। নাম ঠিক নয় মনে হয়, নামটা আমরা পরিবর্তন করবো। ইনকাম ট্যাক্সের আদলে কিছু একটা নাম দেয়া হবে।’

তবে শুল্ক প্রস্তাব কতটা কমবে সেটা জানতে চলতি মাসের ২৮ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

টাকা পাচারের বন্ধে কি ধরনের উদ্যেগ গ্রহণ করছেন এক প্রশ্নে উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কালো টাকা বাড়ছে বেশ কিছু আইন বা বিধির কারনে। তাই টাকা পাচার বন্ধে অর্থাৎ উৎস বন্ধে আইন বা বিধির সংস্কারসহ বেশকিছু উদোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে অনত্যম হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় জমি দাম সরকার নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু সরকারের নির্ধরীত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে জমি কেনাবেচা হয়। কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয় সরকারের নির্ধারিত মুল্যে। তাই এলাকাভিত্তিক নির্ধারিত মূল্য তুলে দিয়ে তা বাজারভিত্তিক করে দেয়া হবে।’

গত ১ জুন প্রস্তাবিত বাজেটে এক লাখ টাকার ঊর্ধ্ব থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক হিসাবে আবগারি শুল্ক ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। একইভাবে ১০ লাখের ঊর্ধ্ব থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত এক হাজার ৫০০ টাকার বদলে দুই হাজার ৫০০ টাকা, এক কোটি ঊর্ধ্ব থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত সাত হাজার ৫০০ টাকার বদলে ১২ হাজার টাকা এবং পাঁচ কোটি টাকার ঊর্ধ্বের হিসাবে ১৫ হাজার টাকার বদলে ২৫ হাজার টাকা আবগারি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রীর আবগারী শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাবের সমালোচনা হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকেও।