ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত সেই শিশুকে বাঁচানো গেল না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত ৯ বছর বয়সি শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনানকে বাঁচানো গেল না।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণ করেছে সে।

হুজাইফার মা সাবেকুন নাহার ও চাচা শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিশু হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিল।

শনিবার সকালে বাড়িতে শিশুটির মৃত্যুর খবর আসলে স্বজন ও এলাকাবাসীর শোকে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় বাবা জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মিয়ানমার প্রান্ত থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় শিশু হুজাইফা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উখিয়া গয়ালমারা এনজিও সংস্থার হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হুজাইফার অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়।

পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকা জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, হুজাইফার মৃত্যুতে আমরা উখিয়া-টেকনাফের মানুষ উদ্বিগ্ন। ভবিষ্যতে হুজাইফার মতো আর কোনো সাধারণ মানুষকে যেন জীবন দিতে না হয় সে জন্য আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও সচেতনতার সঙ্গে সীমান্ত পাহারা দিতে হবে। আমাদের দেশের অভ্যন্তরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র থেকে গুলি এসে নিরস্ত্র মানুষ মারা যাবে সেটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত সেই শিশুকে বাঁচানো গেল না

আপডেট সময় ১২:৪২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত ৯ বছর বয়সি শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনানকে বাঁচানো গেল না।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণ করেছে সে।

হুজাইফার মা সাবেকুন নাহার ও চাচা শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিশু হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিল।

শনিবার সকালে বাড়িতে শিশুটির মৃত্যুর খবর আসলে স্বজন ও এলাকাবাসীর শোকে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় বাবা জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মিয়ানমার প্রান্ত থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় শিশু হুজাইফা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উখিয়া গয়ালমারা এনজিও সংস্থার হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হুজাইফার অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়।

পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকা জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, হুজাইফার মৃত্যুতে আমরা উখিয়া-টেকনাফের মানুষ উদ্বিগ্ন। ভবিষ্যতে হুজাইফার মতো আর কোনো সাধারণ মানুষকে যেন জীবন দিতে না হয় সে জন্য আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও সচেতনতার সঙ্গে সীমান্ত পাহারা দিতে হবে। আমাদের দেশের অভ্যন্তরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র থেকে গুলি এসে নিরস্ত্র মানুষ মারা যাবে সেটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।