ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে আগের সরকারের চুরি ও পাচারের বোঝা বহন করতে হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি উল্টো ফল দেবে: পুতিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ইরানের কাছে এখনো ২২ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আছে: ট্রাম্প বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩ ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চাই: ডিএসসিসি প্রশাসক ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত সেই শিশুকে বাঁচানো গেল না

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত ৯ বছর বয়সি শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনানকে বাঁচানো গেল না।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণ করেছে সে।

হুজাইফার মা সাবেকুন নাহার ও চাচা শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিশু হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিল।

শনিবার সকালে বাড়িতে শিশুটির মৃত্যুর খবর আসলে স্বজন ও এলাকাবাসীর শোকে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় বাবা জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মিয়ানমার প্রান্ত থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় শিশু হুজাইফা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উখিয়া গয়ালমারা এনজিও সংস্থার হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হুজাইফার অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়।

পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকা জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, হুজাইফার মৃত্যুতে আমরা উখিয়া-টেকনাফের মানুষ উদ্বিগ্ন। ভবিষ্যতে হুজাইফার মতো আর কোনো সাধারণ মানুষকে যেন জীবন দিতে না হয় সে জন্য আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও সচেতনতার সঙ্গে সীমান্ত পাহারা দিতে হবে। আমাদের দেশের অভ্যন্তরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র থেকে গুলি এসে নিরস্ত্র মানুষ মারা যাবে সেটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যুবকের মৃত্যু

মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত সেই শিশুকে বাঁচানো গেল না

আপডেট সময় ১২:৪২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত ৯ বছর বয়সি শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনানকে বাঁচানো গেল না।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণ করেছে সে।

হুজাইফার মা সাবেকুন নাহার ও চাচা শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শিশু হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিল।

শনিবার সকালে বাড়িতে শিশুটির মৃত্যুর খবর আসলে স্বজন ও এলাকাবাসীর শোকে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় বাবা জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মিয়ানমার প্রান্ত থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয় শিশু হুজাইফা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উখিয়া গয়ালমারা এনজিও সংস্থার হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হুজাইফার অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়।

পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকা জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, হুজাইফার মৃত্যুতে আমরা উখিয়া-টেকনাফের মানুষ উদ্বিগ্ন। ভবিষ্যতে হুজাইফার মতো আর কোনো সাধারণ মানুষকে যেন জীবন দিতে না হয় সে জন্য আমাদের দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও সচেতনতার সঙ্গে সীমান্ত পাহারা দিতে হবে। আমাদের দেশের অভ্যন্তরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র থেকে গুলি এসে নিরস্ত্র মানুষ মারা যাবে সেটি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।