ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সুদের টাকার জন্য ঘনিষ্ঠ বন্ধুর হাতে জীবন দিতে হলো মাহাবুরকে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বাগমারায় মাহাবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু উজ্জ্বল হোসেন ওরফে কাজলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুদের টাকা নিয়ে লেনদেন নিয়ে মাহাবুরকে হত্যা করেন কাজল।

সোমবার রাতে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঢাকের মোড় থেকে কাজলকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার কাজল নরদাশ ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি বাগমারার বেসরকারি এনজিও আশারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুদের টাকা নিয়ে লেনদেনকে কেন্দ্র করে মাহাবুরকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন কাজল। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে উজ্জ্বল হোসেন ওরফে কাজলের মামা মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আরও কয়েকজন জড়িত আছে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার সকালে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাহাবুর রহমান বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নরদাশ ইউনিয়নের ঢাকের মোড়ের কার্যালয় থেকে নিখোঁজ হন। ওই সময় সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনও অফিসে ছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর হাট বাইগাছা-ভবানীগঞ্জ রোডের রামপুর গ্রামের তিন মাথার মোড় সংলগ্ন একটি কলা বাগানের মধ্যে মাহাবুর রহমানের গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মাহাবুর রহমানের বড় ভাই জেকের আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে ওই সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী মাধনগর গ্রামের মাছচাষি লালুকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুদের টাকার জন্য ঘনিষ্ঠ বন্ধুর হাতে জীবন দিতে হলো মাহাবুরকে

আপডেট সময় ০৩:৫৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বাগমারায় মাহাবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু উজ্জ্বল হোসেন ওরফে কাজলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুদের টাকা নিয়ে লেনদেন নিয়ে মাহাবুরকে হত্যা করেন কাজল।

সোমবার রাতে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঢাকের মোড় থেকে কাজলকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার কাজল নরদাশ ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি বাগমারার বেসরকারি এনজিও আশারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুদের টাকা নিয়ে লেনদেনকে কেন্দ্র করে মাহাবুরকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন কাজল। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে উজ্জ্বল হোসেন ওরফে কাজলের মামা মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আরও কয়েকজন জড়িত আছে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার সকালে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাহাবুর রহমান বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নরদাশ ইউনিয়নের ঢাকের মোড়ের কার্যালয় থেকে নিখোঁজ হন। ওই সময় সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনও অফিসে ছিলেন।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর হাট বাইগাছা-ভবানীগঞ্জ রোডের রামপুর গ্রামের তিন মাথার মোড় সংলগ্ন একটি কলা বাগানের মধ্যে মাহাবুর রহমানের গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মাহাবুর রহমানের বড় ভাই জেকের আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে ওই সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী মাধনগর গ্রামের মাছচাষি লালুকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।