ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

চাঁদের উদ্দেশে পাঠানোর জন্য একটি রকেটকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এর মাধ্যমে ৫০ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের উদ্দেশে মানববাহী যান পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হলো।

এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস-২’। শনিবার নাসা তাদের বিশাল এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এটি উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এর আগে কয়েক দফায় পরীক্ষা চালাবে নাসা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডার নভোচারী। তাঁরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, উপগ্রহটির চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে প্রায় চার মাইল দূরের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ৩৯বি-তে নেওয়া হয়। এর আগে আর্টেমিস-২ অভিযান ব্যবস্থাপনা দলের চেয়ারম্যান জন হানিকাট সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।’

নভোচারীরা যা বলছেন-

শনিবার রকেট স্থানান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন নভোচারী রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

সাংবাদিকদের হ্যানসেন বলেন, এটা দেখে (স্থানান্তর) তিনি সত্যিই রোমাঞ্চিত। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চারজন মানুষ চাঁদের চারপাশে ঘুরবে। আরেক নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তারা অসম্ভবকে সম্ভবের চেষ্টা করছেন।

মিশনটি উৎক্ষেপণের আগে প্রকৌশলীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসএলএস রকেটটি নিরাপদ ও কার্যকর। একাধিক পরীক্ষার পর একটি প্রি-লঞ্চ সিমুলেশন পরিচালনা করা হবে। এর আগে মানববিহীন আর্টেমিস-১ মিশন উৎক্ষেপণের চেষ্টা দুই দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ওই অভিযান সম্পন্ন হয় ২০২২ সালে। নাসা আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মানববাহী যান চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনও এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাদের মানববিহীন ‘চ্যাং’ই-৭’ মিশন ২০২৬ সালে উৎক্ষেপণের কথা আছে। এই অভিযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো। দেশটির মানববাহী মহাকাশযান মেংঝৌ-এর পরীক্ষাও চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

চাঁদের উদ্দেশে পাঠানোর জন্য একটি রকেটকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এর মাধ্যমে ৫০ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের উদ্দেশে মানববাহী যান পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হলো।

এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস-২’। শনিবার নাসা তাদের বিশাল এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এটি উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এর আগে কয়েক দফায় পরীক্ষা চালাবে নাসা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডার নভোচারী। তাঁরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, উপগ্রহটির চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে প্রায় চার মাইল দূরের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ৩৯বি-তে নেওয়া হয়। এর আগে আর্টেমিস-২ অভিযান ব্যবস্থাপনা দলের চেয়ারম্যান জন হানিকাট সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।’

নভোচারীরা যা বলছেন-

শনিবার রকেট স্থানান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন নভোচারী রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

সাংবাদিকদের হ্যানসেন বলেন, এটা দেখে (স্থানান্তর) তিনি সত্যিই রোমাঞ্চিত। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চারজন মানুষ চাঁদের চারপাশে ঘুরবে। আরেক নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তারা অসম্ভবকে সম্ভবের চেষ্টা করছেন।

মিশনটি উৎক্ষেপণের আগে প্রকৌশলীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসএলএস রকেটটি নিরাপদ ও কার্যকর। একাধিক পরীক্ষার পর একটি প্রি-লঞ্চ সিমুলেশন পরিচালনা করা হবে। এর আগে মানববিহীন আর্টেমিস-১ মিশন উৎক্ষেপণের চেষ্টা দুই দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ওই অভিযান সম্পন্ন হয় ২০২২ সালে। নাসা আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মানববাহী যান চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনও এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাদের মানববিহীন ‘চ্যাং’ই-৭’ মিশন ২০২৬ সালে উৎক্ষেপণের কথা আছে। এই অভিযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো। দেশটির মানববাহী মহাকাশযান মেংঝৌ-এর পরীক্ষাও চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা।