ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, প্রাণে রক্ষা পেলেন রোগীসহ চারজন ক্ষমতা হস্তান্তর ও গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা অভিযোগ প্রেস সচিবের ‘ক্ষমতায় গেলে গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করবে বিএনপি’:রিজভী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

চাঁদের উদ্দেশে পাঠানোর জন্য একটি রকেটকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এর মাধ্যমে ৫০ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের উদ্দেশে মানববাহী যান পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হলো।

এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস-২’। শনিবার নাসা তাদের বিশাল এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এটি উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এর আগে কয়েক দফায় পরীক্ষা চালাবে নাসা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডার নভোচারী। তাঁরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, উপগ্রহটির চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে প্রায় চার মাইল দূরের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ৩৯বি-তে নেওয়া হয়। এর আগে আর্টেমিস-২ অভিযান ব্যবস্থাপনা দলের চেয়ারম্যান জন হানিকাট সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।’

নভোচারীরা যা বলছেন-

শনিবার রকেট স্থানান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন নভোচারী রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

সাংবাদিকদের হ্যানসেন বলেন, এটা দেখে (স্থানান্তর) তিনি সত্যিই রোমাঞ্চিত। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চারজন মানুষ চাঁদের চারপাশে ঘুরবে। আরেক নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তারা অসম্ভবকে সম্ভবের চেষ্টা করছেন।

মিশনটি উৎক্ষেপণের আগে প্রকৌশলীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসএলএস রকেটটি নিরাপদ ও কার্যকর। একাধিক পরীক্ষার পর একটি প্রি-লঞ্চ সিমুলেশন পরিচালনা করা হবে। এর আগে মানববিহীন আর্টেমিস-১ মিশন উৎক্ষেপণের চেষ্টা দুই দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ওই অভিযান সম্পন্ন হয় ২০২২ সালে। নাসা আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মানববাহী যান চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনও এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাদের মানববিহীন ‘চ্যাং’ই-৭’ মিশন ২০২৬ সালে উৎক্ষেপণের কথা আছে। এই অভিযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো। দেশটির মানববাহী মহাকাশযান মেংঝৌ-এর পরীক্ষাও চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

আপডেট সময় ০৫:৩১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

চাঁদের উদ্দেশে পাঠানোর জন্য একটি রকেটকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এর মাধ্যমে ৫০ বছরের বেশি সময় পর চাঁদের উদ্দেশে মানববাহী যান পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হলো।

এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘আর্টেমিস-২’। শনিবার নাসা তাদের বিশাল এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযানকে উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এটি উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

তবে এর আগে কয়েক দফায় পরীক্ষা চালাবে নাসা। যদি সবকিছু ঠিক থাকে তাহলে ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে যেকোনো সময় চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনজন মার্কিন ও একজন কানাডার নভোচারী। তাঁরা সরাসরি চাঁদে অবতরণ করবেন না, উপগ্রহটির চারপাশে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার এসএলএস (স্পেস লঞ্চ সিস্টেম) রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে প্রায় চার মাইল দূরের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ৩৯বি-তে নেওয়া হয়। এর আগে আর্টেমিস-২ অভিযান ব্যবস্থাপনা দলের চেয়ারম্যান জন হানিকাট সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইতিহাস গড়তে যাচ্ছি।’

নভোচারীরা যা বলছেন-

শনিবার রকেট স্থানান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন নভোচারী রিড উইসম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কখ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

সাংবাদিকদের হ্যানসেন বলেন, এটা দেখে (স্থানান্তর) তিনি সত্যিই রোমাঞ্চিত। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চারজন মানুষ চাঁদের চারপাশে ঘুরবে। আরেক নভোচারী ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তারা অসম্ভবকে সম্ভবের চেষ্টা করছেন।

মিশনটি উৎক্ষেপণের আগে প্রকৌশলীদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসএলএস রকেটটি নিরাপদ ও কার্যকর। একাধিক পরীক্ষার পর একটি প্রি-লঞ্চ সিমুলেশন পরিচালনা করা হবে। এর আগে মানববিহীন আর্টেমিস-১ মিশন উৎক্ষেপণের চেষ্টা দুই দফায় ব্যর্থ হয়। পরে ওই অভিযান সম্পন্ন হয় ২০২২ সালে। নাসা আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা মানববাহী যান চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করাতে পারবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীনও এমন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাদের মানববিহীন ‘চ্যাং’ই-৭’ মিশন ২০২৬ সালে উৎক্ষেপণের কথা আছে। এই অভিযানের লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো। দেশটির মানববাহী মহাকাশযান মেংঝৌ-এর পরীক্ষাও চলতি বছর শুরু হওয়ার কথা।