ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছেন ট্রাম্প

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করার একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিলটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্র সেসব দেশের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিতে পারবে, যারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল বা ইউরেনিয়াম কিনে ভ্লাদিমির পুতিনের ‘যুদ্ধযন্ত্র’কে শক্তিশালী করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে উগ্রপন্থি হিসেবে পরিচিত রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ট্রাম্প এই দ্বিপক্ষীয় (রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক উভয় পার্টির) ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’-এ (রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা) সম্মতি দিয়েছেন। এর লক্ষ্য হলো রাশিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদার বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

রিপাবলিকান লিন্ডসে গ্রাহাম ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল মূলত বিলটি তৈরি করেছেন। এতে রাশিয়ার তেল, গ্যাস, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য পণ্য কিনছে, এমন দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপে ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার সামরিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশের অর্থের উৎস বন্ধ করে দেওয়া।

যদি এই ‘গ্রাহাম-ব্লুমেনথাল’ বিলটি পাস হয়, তাহলে যারা জেনেবুঝে রাশিয়ার তেল বা ইউরেনিয়াম কিনছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই দেশগুলো থেকে আসা পণ্যের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসাতে পারবেন।

এই কঠোর নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হলো মস্কোকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া, যাতে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হন।

সিনেটর গ্রাহাম বলেছেন, আগামী সপ্তাহেই বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে। তিনি মনে করেন, ইউক্রেন যখন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, তখন পুতিনকে দমাতে এই বিল সঠিক সময়েই আনা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা কিছু পণ্যে ভারত ৫০ শতাংশ শুল্ক দিচ্ছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ আগে থেকেই রাশিয়ার তেল কেনার কারণে আরোপিত। নতুন এই বিল পাস হলে এই শুল্কের পরিমাণ আকাশচুম্বী হতে পারে, যা দুই দেশের বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০২:১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করার একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিলটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্র সেসব দেশের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিতে পারবে, যারা রাশিয়ার কাছ থেকে তেল বা ইউরেনিয়াম কিনে ভ্লাদিমির পুতিনের ‘যুদ্ধযন্ত্র’কে শক্তিশালী করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে উগ্রপন্থি হিসেবে পরিচিত রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন, ট্রাম্প এই দ্বিপক্ষীয় (রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক উভয় পার্টির) ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’-এ (রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা) সম্মতি দিয়েছেন। এর লক্ষ্য হলো রাশিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদার বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিলের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

রিপাবলিকান লিন্ডসে গ্রাহাম ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল মূলত বিলটি তৈরি করেছেন। এতে রাশিয়ার তেল, গ্যাস, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য পণ্য কিনছে, এমন দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপে ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার সামরিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশের অর্থের উৎস বন্ধ করে দেওয়া।

যদি এই ‘গ্রাহাম-ব্লুমেনথাল’ বিলটি পাস হয়, তাহলে যারা জেনেবুঝে রাশিয়ার তেল বা ইউরেনিয়াম কিনছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই দেশগুলো থেকে আসা পণ্যের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসাতে পারবেন।

এই কঠোর নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য হলো মস্কোকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া, যাতে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য হন।

সিনেটর গ্রাহাম বলেছেন, আগামী সপ্তাহেই বিলটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে। তিনি মনে করেন, ইউক্রেন যখন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে, তখন পুতিনকে দমাতে এই বিল সঠিক সময়েই আনা হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা কিছু পণ্যে ভারত ৫০ শতাংশ শুল্ক দিচ্ছে। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ আগে থেকেই রাশিয়ার তেল কেনার কারণে আরোপিত। নতুন এই বিল পাস হলে এই শুল্কের পরিমাণ আকাশচুম্বী হতে পারে, যা দুই দেশের বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলবে।