ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

বুটের আঘাতে রক্তাক্ত দোন্নারুম্মা, তবুও কার্ড দেখাল না রেফারি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ফ্রেঞ্চ লিগ আঁতে মোনাকোর বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় পেয়েছে পিএসজি। তবে এই ম্যাচের ফল ছাপিয়ে এখনও আলোচনায় ম্যাচে পিএসজির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার চোট। ম্যাচে প্রতিপক্ষের বুটের আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এই ইতালিয়ান গোলরক্ষককে।

মোনাকোর মাঠে ম্যাচের ১৭ মিনিটের সময় এই বীভৎস ঘটনাটি ঘটে। মোনাকোর ডিফেন্ডার উইলফ্রিড সিঙ্গোর বুট সরাসরি আঘাত হানে দোন্নারুম্মার ডান চোখের নিচে। সিঙ্গোর নেওয়া শট আটকে দিয়েছিলেন দোন্নারুম্মা। তবে ধাবমান সিঙ্গো থামতে না পেরে চেষ্টা করেছিলেন দোন্নারুম্মাকে টপকে যেতে, কিন্তু তাঁর বুটের তলার দিকটা সরাসরি আঘাত করে মুখে। তাতে দোন্নারুম্মার গালের অনেকটা অংশই কেটে যায়। রক্তপাত বন্ধ করতে ১০টি স্টাপল দিয়ে কোনোরকমে জোড়া লাগানো হয় কাটা অংশ।

এমন মারাক্তক জখমের পর প্রায় মিনিট পাঁচেক বন্ধ থাকে খেলা। মাঠে ছেড়ে উঠে যেতে হয় দোন্নারুম্মাকে। এমন মারাত্মক ফাউল করেও শেষ পর্যন্ত কোনো কার্ড দেখেননি আগেই হলুদ কার্ড দেখা সিঙ্গো। যা নিয়ে উঠেছে বিতর্ক। তবে এখানে ওই ফুটবলারের দায় দেখেন না পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। তবে কার্ড না দেখানোয় রেফারির সমালোচনা করেছেন দলটির অধিনায়ক মারকিনিওস।

পিএসজি অধিনায়ক ম্যাচ শেষে বলেন, ‘আমি জানি না রেফারির ঘটনাটা ঠিকমতো দেখেছেন কি না, তবে ভিএআরের হস্তক্ষেপ করা দরকার ছিল। এ রকম অবস্থায় লাল কার্ড না দেখানোটাকে বড় সিদ্ধান্তই বলতে হবে।’

মারাক্তক জখমের পর সিঙ্গোর দিকে অনেকে আঙুল তুললেও অভিযোগ নেই এনরিকের। পিএসজি কোচ বলেন, ‘এটা রেফারির সিদ্ধান্ত? আমার তো কিছু করার নেই। ঘটনাটি আমি দেখতে পাইনি। এই ধরনের ঘটনা অবশ্য সবসময়ই কঠিন। ফুটবলাররা তো আর ইচ্ছে করে আঘাত করে না! এই ধরনের ম্যাচে রেফারির কাজটাও কঠিন। রেফারির কাজ নিয়ে কথা বলব না আমি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বুটের আঘাতে রক্তাক্ত দোন্নারুম্মা, তবুও কার্ড দেখাল না রেফারি

আপডেট সময় ০২:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

ফ্রেঞ্চ লিগ আঁতে মোনাকোর বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় পেয়েছে পিএসজি। তবে এই ম্যাচের ফল ছাপিয়ে এখনও আলোচনায় ম্যাচে পিএসজির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার চোট। ম্যাচে প্রতিপক্ষের বুটের আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এই ইতালিয়ান গোলরক্ষককে।

মোনাকোর মাঠে ম্যাচের ১৭ মিনিটের সময় এই বীভৎস ঘটনাটি ঘটে। মোনাকোর ডিফেন্ডার উইলফ্রিড সিঙ্গোর বুট সরাসরি আঘাত হানে দোন্নারুম্মার ডান চোখের নিচে। সিঙ্গোর নেওয়া শট আটকে দিয়েছিলেন দোন্নারুম্মা। তবে ধাবমান সিঙ্গো থামতে না পেরে চেষ্টা করেছিলেন দোন্নারুম্মাকে টপকে যেতে, কিন্তু তাঁর বুটের তলার দিকটা সরাসরি আঘাত করে মুখে। তাতে দোন্নারুম্মার গালের অনেকটা অংশই কেটে যায়। রক্তপাত বন্ধ করতে ১০টি স্টাপল দিয়ে কোনোরকমে জোড়া লাগানো হয় কাটা অংশ।

এমন মারাক্তক জখমের পর প্রায় মিনিট পাঁচেক বন্ধ থাকে খেলা। মাঠে ছেড়ে উঠে যেতে হয় দোন্নারুম্মাকে। এমন মারাত্মক ফাউল করেও শেষ পর্যন্ত কোনো কার্ড দেখেননি আগেই হলুদ কার্ড দেখা সিঙ্গো। যা নিয়ে উঠেছে বিতর্ক। তবে এখানে ওই ফুটবলারের দায় দেখেন না পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে। তবে কার্ড না দেখানোয় রেফারির সমালোচনা করেছেন দলটির অধিনায়ক মারকিনিওস।

পিএসজি অধিনায়ক ম্যাচ শেষে বলেন, ‘আমি জানি না রেফারির ঘটনাটা ঠিকমতো দেখেছেন কি না, তবে ভিএআরের হস্তক্ষেপ করা দরকার ছিল। এ রকম অবস্থায় লাল কার্ড না দেখানোটাকে বড় সিদ্ধান্তই বলতে হবে।’

মারাক্তক জখমের পর সিঙ্গোর দিকে অনেকে আঙুল তুললেও অভিযোগ নেই এনরিকের। পিএসজি কোচ বলেন, ‘এটা রেফারির সিদ্ধান্ত? আমার তো কিছু করার নেই। ঘটনাটি আমি দেখতে পাইনি। এই ধরনের ঘটনা অবশ্য সবসময়ই কঠিন। ফুটবলাররা তো আর ইচ্ছে করে আঘাত করে না! এই ধরনের ম্যাচে রেফারির কাজটাও কঠিন। রেফারির কাজ নিয়ে কথা বলব না আমি।’