ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেকারত্ব দূর করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে আছে: শিক্ষামন্ত্রী এক ভাই খুন, আরেক ভাই আটক, বাবার লাশ রেললাইনের পাশে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধে জয়ী হওয়া থেকে বিচ্যুত করা যাবে না: ট্রাম্প সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মিলন মারা গেছেন ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে গুলি: আটক যুবক সম্পর্কে যা জানা কলম্বিয়ায় মহাসড়কে বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১৪ মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় একই পরিবারের ৩ জন আহত সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী

মুশফিক-হৃদয়ের লড়াই বিফলে, তামিমকে ছাড়াই জয় পেল চট্টগ্রাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জয়ের জন্য প্রয়োজন ১১ বল ২২ রান। ক্রিজে জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও তাওহিদ হৃদয়। জয় তখন রাজশাহীর হাতের মুঠোয়। অথচ দুই পোড় খাওয়া ক্রিকেটার মিলে ওই সমীকরণটা মেলাতে পারলেন না। মুঠোয় থাকা জয় হাত ফসকে গেল দলটির। রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ৪ রানের জয় ছিনিয়ে নিল চট্টগ্রাম।

দল যখন জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে তখন বড় শট হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মুশফিক (৪৬)। শেষ ওভারে উচ্চাভিলাষী শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে ফিরেছেন ৬৯ রান কোরা হৃদয়ও। তাতে সহজ সমীকরণ একসময় কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সে সমীকরণ আর মেলাতেই পারেনি রাজশাহী।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৯৯ রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরি করা শান্ত আজ ফিরেছেন ৪ রানে।

তিনে নেমে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি সাব্বির হোসেন। তবে অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে চার-ছক্কায় রান তুলেছেন ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। তাদের দুজনের জুটি ভেঙেছেন আহমেদ শরীফ। শাহাদাত হোসেন দিপুর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেছেন ১৩ রান করা সাব্বির। এরপর শরীফের বলে আউট হয়েছেন ২০ বলে ৩৯ রান করা হাবিবুর।

তরুণ এই ওপেনার ফেরার পর রাজশাহীর হাল ধরেন হৃদয় ও মুশফিক। চোট কাটিয়ে নিজের ফেরার ম্যাচে দারুণ ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন হৃদয়। অফ স্পিনার নাঈমের বলে ফেরার আগে করেছেন ৬৯ রান। অভিজ্ঞ মুশফিকের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৬ রান। তাদের দুজনের এমন ব্যাটিংয়ের পরও ১৯৪ রানে থামতে হয়েছে রাজশাহীকে।

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯৮ রানের পুঁজি পায় চট্টগ্রাম। তামিম ইকবাল না থাকায় জয়ের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে ৩৬ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল। এ ছাড়া ইরফান শুক্কুর ২৯ বলে ৫৪ এবং দিপু খেলেছেন ১৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। তাদের এমন ব্যাটিংয়েই দুইশ ছুঁইছুঁই পুঁজি পায় চট্টগ্রাম। রাজশাহী বিভাগের হয়ে ৪ ওভারে ২১ রান নিয়ে ৩ উইকেট পেয়েছেন সাব্বির। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও নাজমুল শান্ত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বেকারত্ব দূর করতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে আছে: শিক্ষামন্ত্রী

মুশফিক-হৃদয়ের লড়াই বিফলে, তামিমকে ছাড়াই জয় পেল চট্টগ্রাম

আপডেট সময় ০৮:১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জয়ের জন্য প্রয়োজন ১১ বল ২২ রান। ক্রিজে জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও তাওহিদ হৃদয়। জয় তখন রাজশাহীর হাতের মুঠোয়। অথচ দুই পোড় খাওয়া ক্রিকেটার মিলে ওই সমীকরণটা মেলাতে পারলেন না। মুঠোয় থাকা জয় হাত ফসকে গেল দলটির। রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ৪ রানের জয় ছিনিয়ে নিল চট্টগ্রাম।

দল যখন জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে তখন বড় শট হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন মুশফিক (৪৬)। শেষ ওভারে উচ্চাভিলাষী শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ হয়ে ফিরেছেন ৬৯ রান কোরা হৃদয়ও। তাতে সহজ সমীকরণ একসময় কঠিন হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সে সমীকরণ আর মেলাতেই পারেনি রাজশাহী।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য ১৯৯ রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ম্যাচেই হাফ সেঞ্চুরি করা শান্ত আজ ফিরেছেন ৪ রানে।

তিনে নেমে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি সাব্বির হোসেন। তবে অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে চার-ছক্কায় রান তুলেছেন ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। তাদের দুজনের জুটি ভেঙেছেন আহমেদ শরীফ। শাহাদাত হোসেন দিপুর হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেছেন ১৩ রান করা সাব্বির। এরপর শরীফের বলে আউট হয়েছেন ২০ বলে ৩৯ রান করা হাবিবুর।

তরুণ এই ওপেনার ফেরার পর রাজশাহীর হাল ধরেন হৃদয় ও মুশফিক। চোট কাটিয়ে নিজের ফেরার ম্যাচে দারুণ ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন হৃদয়। অফ স্পিনার নাঈমের বলে ফেরার আগে করেছেন ৬৯ রান। অভিজ্ঞ মুশফিকের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৬ রান। তাদের দুজনের এমন ব্যাটিংয়ের পরও ১৯৪ রানে থামতে হয়েছে রাজশাহীকে।

এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯৮ রানের পুঁজি পায় চট্টগ্রাম। তামিম ইকবাল না থাকায় জয়ের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমে ৩৬ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল। এ ছাড়া ইরফান শুক্কুর ২৯ বলে ৫৪ এবং দিপু খেলেছেন ১৫ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। তাদের এমন ব্যাটিংয়েই দুইশ ছুঁইছুঁই পুঁজি পায় চট্টগ্রাম। রাজশাহী বিভাগের হয়ে ৪ ওভারে ২১ রান নিয়ে ৩ উইকেট পেয়েছেন সাব্বির। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শফিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ও নাজমুল শান্ত।