ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

তিন মহাদেশের ছয় দেশে হবে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

২০৩০ সালে শতবর্ষ পূর্ণ হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের। ১৯৩০ উরুগুয়েতে বসেছিল প্রথম বিশ্বকাপ আসর। তাই শতবর্ষে আবারও বিশ্বকাপকে দক্ষিণ আমেরিকায় ফিরিয়ে নিতে চায় ফিফা। তবে পুরো আসর সেখানে হবে না। শুধু উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়েতে টুর্নামেন্টের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

আর ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক হিসেবে থাকছে দুই ইউরোপীয় দেশ স্পেন ও পর্তুগাল এবং উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো। শিগগিরই এই ছয় দেশে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে ফিফা।

জানা গেছে, আগামী বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ফিফার বর্ধিত সভায় স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো এই বিশ্বকাপ আয়োজক হিসেবে নাম ঘোষণা করবে। এছাড়া লাতিন আমেরিকার তিন দেশে তিন ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টিও সে ঘোষণায় আসতে পারে।

২০৩০ বিশ্বকাপের মূল তিন আয়োজক দেশের মধ্যে শুধু স্পেনের পূর্ব-অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৮২ সালে শেষবার এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে। তবে পর্তুগাল এবং মরক্কোর জন্য এটাই প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজনের অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে ঐতিহাসিক মনে করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দেশ পর্তুগাল, ‘আমাদের সবার লক্ষ্য এক। তিন দেশ বা দুই মহাদেশ এখানে কোন ফ্যাক্টর নয়। ২০৩০ বিশ্বকাপ হবে ঐতিহাসিক। সেটা সব দিক থেকে।’

চার দশকেরও বেশি সময় পর বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়ে ধন্য স্পেন, ‘৪২ বছর পর যখন আবারও বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছি, তখন আমরা এটি স্মরণীয় করতে চাই।’

সহআয়োজক আফ্রিকার দেশ মরক্কো চায় ইতিহাসের সেরা বিশ্বকাপ উপহার দিতে। তারা জানায়, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা বিশ্বকাপ আয়োজন করা।’

বিশ্বকাপের শতবর্ষে দক্ষিণ আমেরিকাও অংশগ্রহণ করবে। কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা) ধন্যবাদ জানায় ফিফাকে, ‘এটি দক্ষিণ আমেরিকার জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত, যেখানে একটি বিশাল উৎসব হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী ও সুরকার পিজিত মহাজন

তিন মহাদেশের ছয় দেশে হবে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ

আপডেট সময় ০৭:২৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

২০৩০ সালে শতবর্ষ পূর্ণ হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের। ১৯৩০ উরুগুয়েতে বসেছিল প্রথম বিশ্বকাপ আসর। তাই শতবর্ষে আবারও বিশ্বকাপকে দক্ষিণ আমেরিকায় ফিরিয়ে নিতে চায় ফিফা। তবে পুরো আসর সেখানে হবে না। শুধু উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়েতে টুর্নামেন্টের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

আর ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক হিসেবে থাকছে দুই ইউরোপীয় দেশ স্পেন ও পর্তুগাল এবং উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো। শিগগিরই এই ছয় দেশে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে ফিফা।

জানা গেছে, আগামী বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ফিফার বর্ধিত সভায় স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো এই বিশ্বকাপ আয়োজক হিসেবে নাম ঘোষণা করবে। এছাড়া লাতিন আমেরিকার তিন দেশে তিন ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টিও সে ঘোষণায় আসতে পারে।

২০৩০ বিশ্বকাপের মূল তিন আয়োজক দেশের মধ্যে শুধু স্পেনের পূর্ব-অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৮২ সালে শেষবার এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে। তবে পর্তুগাল এবং মরক্কোর জন্য এটাই প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজনের অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে ঐতিহাসিক মনে করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দেশ পর্তুগাল, ‘আমাদের সবার লক্ষ্য এক। তিন দেশ বা দুই মহাদেশ এখানে কোন ফ্যাক্টর নয়। ২০৩০ বিশ্বকাপ হবে ঐতিহাসিক। সেটা সব দিক থেকে।’

চার দশকেরও বেশি সময় পর বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়ে ধন্য স্পেন, ‘৪২ বছর পর যখন আবারও বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পেয়েছি, তখন আমরা এটি স্মরণীয় করতে চাই।’

সহআয়োজক আফ্রিকার দেশ মরক্কো চায় ইতিহাসের সেরা বিশ্বকাপ উপহার দিতে। তারা জানায়, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা বিশ্বকাপ আয়োজন করা।’

বিশ্বকাপের শতবর্ষে দক্ষিণ আমেরিকাও অংশগ্রহণ করবে। কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা) ধন্যবাদ জানায় ফিফাকে, ‘এটি দক্ষিণ আমেরিকার জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত, যেখানে একটি বিশাল উৎসব হবে।’