ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

বাংলাদেশসহ ৩৯ দেশের জন্য ৪৭.৪ বিলিয়ন ডলার চাইলো ওসিএইচএ

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বাংলাদেশসহ ৯টি শরণার্থী আশ্রয় প্রদানকারী দেশ ও অঞ্চল এবং যুদ্ধ-দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত আরও ৩০ দেশের ৩০ কোটি ৫০ লাখ অসহায় মানুষের জন্যে ৪৭.৪ বিলিয়ন ডলারের তহবিল চেয়েছেন জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ-সমন্বয়কারি সংস্থা ‘ওসিএইচএ’র প্রধান টম ফ্লেচার।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের মর্যাদায় টম ফ্লেচার এ দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতির আলোকে ৪ ডিসেম্বর বুধবার এক বিবৃতিতে টম ফ্লেচার ২০২৫ সালের জন্যে এই অর্থ চেয়েছেন বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে। সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, একাধিক অবিরাম যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দীর্ঘস্থায়ী মানবিক আইনের ঘাটতির কারণে আগামী বছর ৩০৫ মিলিয়ন মানুষকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা (ওষুধ, চিকিৎসা, খাদ্য-সামগ্রি, আশ্রয়, পোশাক-আশাক, শিক্ষা-সমাগ্রি ইত্যাদি) দিতে হবে। কারণ, গোটাবিশ্ব উত্তপ্ত একটি অগ্নিকুণ্ডে নিপতিত। আমরা এখোন বিশ্বব্যাপী পলিক্রিসিসের মোকাবেলা করছি এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে নাজুক মানুষদের ভুক্তভোগী করেছে। অসহায় আর দুর্বল মানুষেরা জীবন দিয়ে এহেন পরিস্থিতির প্রায়শ্চিত্য করছেন। আমরা দ্বন্দ্বের প্রভাব মোকাবেলা করছি-একাধিক দ্বন্দ্ব এবং দীর্ঘ মেয়াদি এবং আরো তীব্র হিংস্রতার সংকট ঘনিয়ে আসছে।

মানবিকতার কাজ করছে এমন ১৫ শতাধিক সংস্থার সমন্বয়ে ওসিএইচএ’র সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী চরম দুর্দশায় নিপতিত ৩০৫ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে মাত্র ১৯০ মিলিয়নের কাছে ত্রাণ-সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হবে যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী তহবিল পাওয়া যায়। ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) দুর্গতদের পাশে পৌঁছা সম্ভব হচ্ছে না, কারণ সেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সহিংসতা হ্রাসের কোন লক্ষণ নেই। ফ্লেচার বলেন, ডিআরসিতে চলমান সংঘাত স্বত্বেও আমরা ত্রাণ-সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের কর্মীরা দুর্ভিক্ষে নিপতিতদের পাশে দাঁড়াতে চায়। তবে এজন্যে দরকার প্রত্যাশার পরিপূরক তহবিল-সামগ্রী। তাই যাদের সামর্থ্য আছে, তারা যেন উদার হস্তে এগিয়ে আসেন। এহেন পরিস্থিতির মোকাবেলার মধ্যদিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাত তৈরীর নেপথ্য শক্তিদের পরাস্থ করার পথকেও সুগম করতে হবে সামনের বছরেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

বাংলাদেশসহ ৩৯ দেশের জন্য ৪৭.৪ বিলিয়ন ডলার চাইলো ওসিএইচএ

আপডেট সময় ০১:২৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বাংলাদেশসহ ৯টি শরণার্থী আশ্রয় প্রদানকারী দেশ ও অঞ্চল এবং যুদ্ধ-দাঙ্গা-হাঙ্গামায় লিপ্ত আরও ৩০ দেশের ৩০ কোটি ৫০ লাখ অসহায় মানুষের জন্যে ৪৭.৪ বিলিয়ন ডলারের তহবিল চেয়েছেন জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ-সমন্বয়কারি সংস্থা ‘ওসিএইচএ’র প্রধান টম ফ্লেচার।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের মর্যাদায় টম ফ্লেচার এ দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতির আলোকে ৪ ডিসেম্বর বুধবার এক বিবৃতিতে টম ফ্লেচার ২০২৫ সালের জন্যে এই অর্থ চেয়েছেন বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে। সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, একাধিক অবিরাম যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দীর্ঘস্থায়ী মানবিক আইনের ঘাটতির কারণে আগামী বছর ৩০৫ মিলিয়ন মানুষকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা (ওষুধ, চিকিৎসা, খাদ্য-সামগ্রি, আশ্রয়, পোশাক-আশাক, শিক্ষা-সমাগ্রি ইত্যাদি) দিতে হবে। কারণ, গোটাবিশ্ব উত্তপ্ত একটি অগ্নিকুণ্ডে নিপতিত। আমরা এখোন বিশ্বব্যাপী পলিক্রিসিসের মোকাবেলা করছি এবং এটি বিশ্বের সবচেয়ে নাজুক মানুষদের ভুক্তভোগী করেছে। অসহায় আর দুর্বল মানুষেরা জীবন দিয়ে এহেন পরিস্থিতির প্রায়শ্চিত্য করছেন। আমরা দ্বন্দ্বের প্রভাব মোকাবেলা করছি-একাধিক দ্বন্দ্ব এবং দীর্ঘ মেয়াদি এবং আরো তীব্র হিংস্রতার সংকট ঘনিয়ে আসছে।

মানবিকতার কাজ করছে এমন ১৫ শতাধিক সংস্থার সমন্বয়ে ওসিএইচএ’র সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী চরম দুর্দশায় নিপতিত ৩০৫ মিলিয়ন মানুষের মধ্যে মাত্র ১৯০ মিলিয়নের কাছে ত্রাণ-সামগ্রী পৌঁছানো সম্ভব হবে যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী তহবিল পাওয়া যায়। ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) দুর্গতদের পাশে পৌঁছা সম্ভব হচ্ছে না, কারণ সেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সহিংসতা হ্রাসের কোন লক্ষণ নেই। ফ্লেচার বলেন, ডিআরসিতে চলমান সংঘাত স্বত্বেও আমরা ত্রাণ-সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের কর্মীরা দুর্ভিক্ষে নিপতিতদের পাশে দাঁড়াতে চায়। তবে এজন্যে দরকার প্রত্যাশার পরিপূরক তহবিল-সামগ্রী। তাই যাদের সামর্থ্য আছে, তারা যেন উদার হস্তে এগিয়ে আসেন। এহেন পরিস্থিতির মোকাবেলার মধ্যদিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাত তৈরীর নেপথ্য শক্তিদের পরাস্থ করার পথকেও সুগম করতে হবে সামনের বছরেই।