ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

টাঙ্গাইলে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মৃত্যুর আগে জানিয়ে গেলেন হামলাকারীদের নাম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাবলু মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর আগে স্বজনদের কাছে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী হামলাকারীদের নাম বলে গেছেন তিনি।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও এ প্রতিনিধির হাতে এসে পৌঁছেছে। সোমবার ভোরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

নিহত বাবলু মিয়া সখীপুর উপজেলার কালিয়ান মাদ্রাসাপাড়া এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে। নিহতের চাচা আব্দুল মালেক মিয়া বাবলুর মৃত্যুর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ৮টার দিকে বাবলু মিয়াকে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী কালিহাতী উপজেলার গান্দিনাপাড়া বাজারের একটি দোকানের ভেতর কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্থানীয়রা গিয়ে বাবলু মিয়ার কাছে জানতে চান, ‘বাবুল ভাই, কারা-কারা কি করছে?’ তখন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা বাবলু তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বলেন, ‘কালিয়ানের বাবুলের পোলা (ছেলে) সোহেল, হারুন, গান্ধিনাপাড়ার ওর ভাগ্নেরা পাঁচ-সাতজন ছিল। আমি মনে অয় আর বাঁচমু না।’

এ সময় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বাবলুকে। সোমবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন বাবলুর মৃত্যু হয়।

বাবলুর চাচা মালেক মিয়া বলেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাবলুর এক প্রতিবেশী তাকে ডেকে নিয়ে গান্দিনাপাড়া বাজারের রাহিনের সিমেন্টের দোকানের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা ওই এলাকার হারুন, সোহেলসহ আরও কয়েকজন বাবলুকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের ভেতর ফেলে দেয়। পরে তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবলুকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

মালেক মিয়া আরও জানান, এ ঘটনায় হারুনকে প্রধান আসামি করে মোট ১৪ জনের নামে মামলা করা হবে। মামলার বাদী হচ্ছেন আমার ভাই (নিহতের বাবা) কামাল হোসেন।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার ওসি মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

টাঙ্গাইলে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, মৃত্যুর আগে জানিয়ে গেলেন হামলাকারীদের নাম

আপডেট সময় ১১:১৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাবলু মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর আগে স্বজনদের কাছে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী হামলাকারীদের নাম বলে গেছেন তিনি।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও এ প্রতিনিধির হাতে এসে পৌঁছেছে। সোমবার ভোরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

নিহত বাবলু মিয়া সখীপুর উপজেলার কালিয়ান মাদ্রাসাপাড়া এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে। নিহতের চাচা আব্দুল মালেক মিয়া বাবলুর মৃত্যুর তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত ৮টার দিকে বাবলু মিয়াকে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী কালিহাতী উপজেলার গান্দিনাপাড়া বাজারের একটি দোকানের ভেতর কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্থানীয়রা গিয়ে বাবলু মিয়ার কাছে জানতে চান, ‘বাবুল ভাই, কারা-কারা কি করছে?’ তখন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা বাবলু তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বলেন, ‘কালিয়ানের বাবুলের পোলা (ছেলে) সোহেল, হারুন, গান্ধিনাপাড়ার ওর ভাগ্নেরা পাঁচ-সাতজন ছিল। আমি মনে অয় আর বাঁচমু না।’

এ সময় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বাবলুকে। সোমবার ভোর ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন বাবলুর মৃত্যু হয়।

বাবলুর চাচা মালেক মিয়া বলেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাবলুর এক প্রতিবেশী তাকে ডেকে নিয়ে গান্দিনাপাড়া বাজারের রাহিনের সিমেন্টের দোকানের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা ওই এলাকার হারুন, সোহেলসহ আরও কয়েকজন বাবলুকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের ভেতর ফেলে দেয়। পরে তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবলুকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

মালেক মিয়া আরও জানান, এ ঘটনায় হারুনকে প্রধান আসামি করে মোট ১৪ জনের নামে মামলা করা হবে। মামলার বাদী হচ্ছেন আমার ভাই (নিহতের বাবা) কামাল হোসেন।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার ওসি মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে নেমেছে।