ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান এরদোগানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে যুদ্ধ থামাতে বলবেন বলে আশা করছেন তিনি। ইসরাইলকে দুই হাতে অস্ত্র বিলানো বন্ধ করার মাধ্যমে সে পথে যাত্রা শুরুর পরামর্শ দিয়েছেন এরদোগান।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গাজা উপত্যকায় নির্বিচার বোমা-বর্ষণ শুরু করে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার।

এর মধ্যেই লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরাইল। লেবাননে তাদের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ ইসরাইলকে এই গণহত্যা বন্ধের জন্য আহ্বান জানালেও জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার তাদের সমর্থক জুগিয়ে যাচ্ছে। তবে ২০২৪ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর ফিলিস্তিন এবং লেবাননে শান্তি ফিরবে বলে আশা করছেন বিশ্বনেতারা।

যদিও ট্রাম্প বরাবরই ইসরাইল এবং নেতানিয়াহুর সমর্থক হিসেবে পরিচিত, তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় তিনি দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে এরদোগান বলেছেন, ‘ট্রাম্প সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন…আমরা চাই তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন এবং ইসরাইলকে থামতে বলুন।’

কীভাবে ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারে, সে পথ বাতলে দিয়ে এরদোগান যোগ করেন, ‘ফিলিস্তিন এবং লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন রুখতে যদি দেশটিকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করেন ট্রাম্প, তাহলে সেটা (শান্তির পথে) ভালো প্রথম পদক্ষেপ হবে।’

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে জিতলেও এখনই হোয়াইট হাউজে উঠছেন না ট্রাম্প। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

খাবারের মান নিয়ে সমালোচনার জবাবে ঘরোয়া রেস্টুরেন্টের স্পষ্টীকরণ

ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান এরদোগানের

আপডেট সময় ০৫:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে যুদ্ধ থামাতে বলবেন বলে আশা করছেন তিনি। ইসরাইলকে দুই হাতে অস্ত্র বিলানো বন্ধ করার মাধ্যমে সে পথে যাত্রা শুরুর পরামর্শ দিয়েছেন এরদোগান।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গাজা উপত্যকায় নির্বিচার বোমা-বর্ষণ শুরু করে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার।

এর মধ্যেই লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরাইল। লেবাননে তাদের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ ইসরাইলকে এই গণহত্যা বন্ধের জন্য আহ্বান জানালেও জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার তাদের সমর্থক জুগিয়ে যাচ্ছে। তবে ২০২৪ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর ফিলিস্তিন এবং লেবাননে শান্তি ফিরবে বলে আশা করছেন বিশ্বনেতারা।

যদিও ট্রাম্প বরাবরই ইসরাইল এবং নেতানিয়াহুর সমর্থক হিসেবে পরিচিত, তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় তিনি দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে এরদোগান বলেছেন, ‘ট্রাম্প সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন…আমরা চাই তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন এবং ইসরাইলকে থামতে বলুন।’

কীভাবে ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারে, সে পথ বাতলে দিয়ে এরদোগান যোগ করেন, ‘ফিলিস্তিন এবং লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন রুখতে যদি দেশটিকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করেন ট্রাম্প, তাহলে সেটা (শান্তির পথে) ভালো প্রথম পদক্ষেপ হবে।’

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে জিতলেও এখনই হোয়াইট হাউজে উঠছেন না ট্রাম্প। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তিনি।