ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান এরদোগানের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে যুদ্ধ থামাতে বলবেন বলে আশা করছেন তিনি। ইসরাইলকে দুই হাতে অস্ত্র বিলানো বন্ধ করার মাধ্যমে সে পথে যাত্রা শুরুর পরামর্শ দিয়েছেন এরদোগান।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গাজা উপত্যকায় নির্বিচার বোমা-বর্ষণ শুরু করে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার।

এর মধ্যেই লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরাইল। লেবাননে তাদের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ ইসরাইলকে এই গণহত্যা বন্ধের জন্য আহ্বান জানালেও জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার তাদের সমর্থক জুগিয়ে যাচ্ছে। তবে ২০২৪ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর ফিলিস্তিন এবং লেবাননে শান্তি ফিরবে বলে আশা করছেন বিশ্বনেতারা।

যদিও ট্রাম্প বরাবরই ইসরাইল এবং নেতানিয়াহুর সমর্থক হিসেবে পরিচিত, তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় তিনি দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে এরদোগান বলেছেন, ‘ট্রাম্প সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন…আমরা চাই তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন এবং ইসরাইলকে থামতে বলুন।’

কীভাবে ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারে, সে পথ বাতলে দিয়ে এরদোগান যোগ করেন, ‘ফিলিস্তিন এবং লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন রুখতে যদি দেশটিকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করেন ট্রাম্প, তাহলে সেটা (শান্তির পথে) ভালো প্রথম পদক্ষেপ হবে।’

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে জিতলেও এখনই হোয়াইট হাউজে উঠছেন না ট্রাম্প। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ট্রাম্পকে প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান এরদোগানের

আপডেট সময় ০৫:৪৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০২৪

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলকে যুদ্ধ থামাতে বলবেন বলে আশা করছেন তিনি। ইসরাইলকে দুই হাতে অস্ত্র বিলানো বন্ধ করার মাধ্যমে সে পথে যাত্রা শুরুর পরামর্শ দিয়েছেন এরদোগান।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর গাজা উপত্যকায় নির্বিচার বোমা-বর্ষণ শুরু করে ইসরাইল। এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার।

এর মধ্যেই লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়েছে ইসরাইল। লেবাননে তাদের নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ ইসরাইলকে এই গণহত্যা বন্ধের জন্য আহ্বান জানালেও জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন সরকার তাদের সমর্থক জুগিয়ে যাচ্ছে। তবে ২০২৪ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর ফিলিস্তিন এবং লেবাননে শান্তি ফিরবে বলে আশা করছেন বিশ্বনেতারা।

যদিও ট্রাম্প বরাবরই ইসরাইল এবং নেতানিয়াহুর সমর্থক হিসেবে পরিচিত, তবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় তিনি দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে এরদোগান বলেছেন, ‘ট্রাম্প সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন…আমরা চাই তিনি সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করুন এবং ইসরাইলকে থামতে বলুন।’

কীভাবে ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিতে পারে, সে পথ বাতলে দিয়ে এরদোগান যোগ করেন, ‘ফিলিস্তিন এবং লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন রুখতে যদি দেশটিকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করেন ট্রাম্প, তাহলে সেটা (শান্তির পথে) ভালো প্রথম পদক্ষেপ হবে।’

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে জিতলেও এখনই হোয়াইট হাউজে উঠছেন না ট্রাম্প। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তিনি।