ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ভেজা চুলে ঘুমানো কি আসলেই ক্ষতিকর

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি, ভেজা চুলে ঘুমালে চুলের আগা ফেটে যায়। এছাড়া নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাদের রাতে মাথা ভিজিয়ে গোসল করার প্রয়োজন হয় এবং চুল না শুকিয়ে ঘুমাতে যান।

সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, চুল ভেজা থাকা অবস্থায় কেউ শুয়ে পড়লে তার নির্ঘাত ঠান্ডা লেগে যাবে। কারও কারও ক্ষেত্রে তেমনটা হয়েও থাকে। তবে ভেজা চুল নিয়ে সারা রাত ঘুমিয়ে পরদিন সকালে দিব্যি সুস্থ থাকেন, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। আসলেই কি ভেজা চুলের সঙ্গে সুস্থতার কোনো সম্পর্ক রয়েছে? জেনে নেওয়া যাক।

ভেজা চুলে ঘুমিয়েও এই ঝামেলা এড়ানো সম্ভব :

ভারতের সেলিব্রিটি হেয়ার এক্সপার্ট দিব্যা সাবানাগম ও অঞ্জলি মার্চেন্ট সম্প্রতি ভোগ ইন্ডিয়ায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘ভেজা’ চুলে ঘুমানোর আসল উপায় বাতলে দেন। তারা জানান, তাদের কাছে যখন কেউ কোনো ট্রিটমেন্ট নিতে আসেন, তাদের সবারই একটা সাধারণ প্রশ্ন থাকে। সেটা হলো, ‘ভেজা চুলে ঘুমানো যাবে কি না?’ দিব্যা বলেন, ‘ঘুমের সময় চুল কিছুটা স্যাঁতসেঁতে বা হালকা ভেজা থাকতে পারে। তবে পুরোপুরি ভেজা রাখা যাবে না।’

পুরোপুরি ভেজা চুলে ঘুমালে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়। এতে সহজেই চুল পড়ার হার বৃদ্ধি পায়। আর ঘুম থেকে উঠে ভেজা চুল আঁচড়ালে জট বেঁধে যায়। এ কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ বেশি চুল পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

ঘুম থেকে উঠে ভেজা চুল আঁচড়ালে জট বেঁধে যায় :

অঞ্জলি বলেন, ‘গোসল করার পর সম্ভব হলে চুল হেয়ারড্রায়ার দিয়ে অন্তত ৭০ শতাংশ শুকিয়ে নিতে হবে। বাকি ৩০ শতাংশ বাতাসে শুকিয়ে নিলেও হবে। আবার না শুকালেও খুব একটা সমস্যা নেই।’ তবে হেয়ারড্রায়ার ব্যবহারের সময় অবশ্যই কোল্ড অপশন ব্যবহার করতে হবে।

দিব্যা ও অঞ্জলি বালিশের কভারের প্রতিও বিশেষ নজর দিতে বলেছেন। বালিশের সুতি কভারে চুল সহজে জট বাঁধিয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া চুলের আগা ফাটার সমস্যাটাও এ ধরনের কভারের জন্য হতে পারে। চুলের জন্য সবচেয়ে উপকারী বালিশের সিল্ক কভার। সিল্ক কভারে ঘুমালে চুলে জট বাঁধে না এবং চুল ভঙ্গুর করে ফেলে না।

সপ্তাহে অন্তত একবার বালিশের কভার ধোয়া উচিত :

অনেকে ভাবেন, ভেজা চুলে ঘুমালে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। এটা আসলে ভুল ধারণা। ঠান্ডা লাগে সাধারণত ভাইরাসের কারণে। তবে ভেজা চুলে ঘুমালে চুলে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে, যা পরে পুরো মাথায় পড়তে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে ভয়ানক খুশকির সমস্যা। এ সমস্যা এড়ানোর জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার বালিশের কভার ধোয়ার পরামর্শ দেন দিব্যা ও অঞ্জলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ভেজা চুলে ঘুমানো কি আসলেই ক্ষতিকর

আপডেট সময় ১১:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি, ভেজা চুলে ঘুমালে চুলের আগা ফেটে যায়। এছাড়া নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাদের রাতে মাথা ভিজিয়ে গোসল করার প্রয়োজন হয় এবং চুল না শুকিয়ে ঘুমাতে যান।

সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, চুল ভেজা থাকা অবস্থায় কেউ শুয়ে পড়লে তার নির্ঘাত ঠান্ডা লেগে যাবে। কারও কারও ক্ষেত্রে তেমনটা হয়েও থাকে। তবে ভেজা চুল নিয়ে সারা রাত ঘুমিয়ে পরদিন সকালে দিব্যি সুস্থ থাকেন, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। আসলেই কি ভেজা চুলের সঙ্গে সুস্থতার কোনো সম্পর্ক রয়েছে? জেনে নেওয়া যাক।

ভেজা চুলে ঘুমিয়েও এই ঝামেলা এড়ানো সম্ভব :

ভারতের সেলিব্রিটি হেয়ার এক্সপার্ট দিব্যা সাবানাগম ও অঞ্জলি মার্চেন্ট সম্প্রতি ভোগ ইন্ডিয়ায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘ভেজা’ চুলে ঘুমানোর আসল উপায় বাতলে দেন। তারা জানান, তাদের কাছে যখন কেউ কোনো ট্রিটমেন্ট নিতে আসেন, তাদের সবারই একটা সাধারণ প্রশ্ন থাকে। সেটা হলো, ‘ভেজা চুলে ঘুমানো যাবে কি না?’ দিব্যা বলেন, ‘ঘুমের সময় চুল কিছুটা স্যাঁতসেঁতে বা হালকা ভেজা থাকতে পারে। তবে পুরোপুরি ভেজা রাখা যাবে না।’

পুরোপুরি ভেজা চুলে ঘুমালে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়। এতে সহজেই চুল পড়ার হার বৃদ্ধি পায়। আর ঘুম থেকে উঠে ভেজা চুল আঁচড়ালে জট বেঁধে যায়। এ কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ বেশি চুল পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

ঘুম থেকে উঠে ভেজা চুল আঁচড়ালে জট বেঁধে যায় :

অঞ্জলি বলেন, ‘গোসল করার পর সম্ভব হলে চুল হেয়ারড্রায়ার দিয়ে অন্তত ৭০ শতাংশ শুকিয়ে নিতে হবে। বাকি ৩০ শতাংশ বাতাসে শুকিয়ে নিলেও হবে। আবার না শুকালেও খুব একটা সমস্যা নেই।’ তবে হেয়ারড্রায়ার ব্যবহারের সময় অবশ্যই কোল্ড অপশন ব্যবহার করতে হবে।

দিব্যা ও অঞ্জলি বালিশের কভারের প্রতিও বিশেষ নজর দিতে বলেছেন। বালিশের সুতি কভারে চুল সহজে জট বাঁধিয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া চুলের আগা ফাটার সমস্যাটাও এ ধরনের কভারের জন্য হতে পারে। চুলের জন্য সবচেয়ে উপকারী বালিশের সিল্ক কভার। সিল্ক কভারে ঘুমালে চুলে জট বাঁধে না এবং চুল ভঙ্গুর করে ফেলে না।

সপ্তাহে অন্তত একবার বালিশের কভার ধোয়া উচিত :

অনেকে ভাবেন, ভেজা চুলে ঘুমালে ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। এটা আসলে ভুল ধারণা। ঠান্ডা লাগে সাধারণত ভাইরাসের কারণে। তবে ভেজা চুলে ঘুমালে চুলে ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে, যা পরে পুরো মাথায় পড়তে পারে। ফলে দেখা দিতে পারে ভয়ানক খুশকির সমস্যা। এ সমস্যা এড়ানোর জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার বালিশের কভার ধোয়ার পরামর্শ দেন দিব্যা ও অঞ্জলি।