ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বায়তুল মোকাররমে হামাসপ্রধান সিনওয়ারের গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার যোহরের নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় শহিদ হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া ইব্রাহিম হাসান সিনওয়ারের গায়েবানা জানাযার নামাজ আদায় করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলামের ইমামতিতে জানাযা সম্পন্ন হয়।

জানাযার আগে ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

এর আগে সংগঠনটি একটি যৌথ শোকবার্তায় সিনওয়ারের শাহাদাতে শোক প্রকাশ করে। শোকবাণীতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ার ১৯৬২ সালে গাজার খান ইউনিস শরণার্থী ক্যাম্পে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের ভোটাভুটির মাধ্যমে ইসরাইলের প্রতিষ্ঠার পর তার পরিবার মাজদাল আসকালান ছেড়ে গাজার খান ইউনিসে বসবাস শুরু করে। সেখানে শরণার্থী হিসেবে তাদের জীবন শুরু হয়। সিনওয়ার ২২ বছর ইসরাইলের কারাগারে কাটান এবং ২০১১ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে মুক্তি পান। ২০১৭ সালে হামাসের গাজা শাখার প্রধান হন এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ইসমাইল হানিয়ার শাহাদাতের পর তিনি হামাসের প্রধান নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য তিনি বীরের মতো লড়াই করে জীবন উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বের সকল স্বাধীনতাকামী সংগঠন ও মুসলিম উম্মাহ তার এই ত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের জন্য ইয়াহিয়া সিনওয়ার ছিলেন একজন অন্যতম অগ্রনায়ক। বিশ্ববিজয়ী বীর শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হারিয়ে আমরা গভীরভাবে শোকহত! আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন এবং গাজার মজলুম জনগণের মুক্তি সংগ্রামের এই অবিসংবাদিত নেতা তার জীবনে যে বিশাল দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েছেন, ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ তার শাহাদাত কবুল করুন এবং তার পরিবার ও সহযোদ্ধাদের এই শোক কাটিয়ে ওঠার তাওফিক দান করুন, আমীন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বায়তুল মোকাররমে হামাসপ্রধান সিনওয়ারের গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৫:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার যোহরের নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় শহিদ হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া ইব্রাহিম হাসান সিনওয়ারের গায়েবানা জানাযার নামাজ আদায় করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলামের ইমামতিতে জানাযা সম্পন্ন হয়।

জানাযার আগে ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

এর আগে সংগঠনটি একটি যৌথ শোকবার্তায় সিনওয়ারের শাহাদাতে শোক প্রকাশ করে। শোকবাণীতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ার ১৯৬২ সালে গাজার খান ইউনিস শরণার্থী ক্যাম্পে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের ভোটাভুটির মাধ্যমে ইসরাইলের প্রতিষ্ঠার পর তার পরিবার মাজদাল আসকালান ছেড়ে গাজার খান ইউনিসে বসবাস শুরু করে। সেখানে শরণার্থী হিসেবে তাদের জীবন শুরু হয়। সিনওয়ার ২২ বছর ইসরাইলের কারাগারে কাটান এবং ২০১১ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে মুক্তি পান। ২০১৭ সালে হামাসের গাজা শাখার প্রধান হন এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ইসমাইল হানিয়ার শাহাদাতের পর তিনি হামাসের প্রধান নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য তিনি বীরের মতো লড়াই করে জীবন উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বের সকল স্বাধীনতাকামী সংগঠন ও মুসলিম উম্মাহ তার এই ত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের জন্য ইয়াহিয়া সিনওয়ার ছিলেন একজন অন্যতম অগ্রনায়ক। বিশ্ববিজয়ী বীর শহীদ ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হারিয়ে আমরা গভীরভাবে শোকহত! আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন এবং গাজার মজলুম জনগণের মুক্তি সংগ্রামের এই অবিসংবাদিত নেতা তার জীবনে যে বিশাল দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়েছেন, ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

মহান আল্লাহ তার শাহাদাত কবুল করুন এবং তার পরিবার ও সহযোদ্ধাদের এই শোক কাটিয়ে ওঠার তাওফিক দান করুন, আমীন।’